সাজন ইসলামের উল্লেখযোগ্য অসাধারণ কিছু ফটোগ্রাফি.

Pub: Friday, July 24, 2020 7:43 PM
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

ইয়াসমিন আক্তার,
শীর্ষ-খবর,লন্ডন

সাজন ইসলাম। জন্মঃ ২৮ জুলাই ১৯৫১,জন্ম স্থানঃ বগুড়া, বাংলাদেশ।বর্তমানে তিনি ঢাকায় বসবাস করছেন।শিক্ষাগত যোগ্যতাঃঅর্থনীতিতে মাস্টার্স,রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।১৯৭৪ সালে সেলস এক্সজিকিউটিভ হিসাবে কর্ম জীবন শুরু করে বিভিন্ন সংস্থায় বিভিন্ন পদে কাজ করে ২০১৮ সালে একটি কর্পোরেট হাউজের এক্সজিকিউটিভ ডিরেক্টর হিসাবে অবসর গ্রহন করেন।

ফটোগ্রাফিঃফটোগ্রাফি নেশা হিসেবেই ভালোবাসায় রূপান্তরিত করেছেন ? এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন-
“হাঁ,নেশাই বটে,সেই ছোট বেলা থেকে।ষাটদশকের শুরুতে সেই ১৯৬২-৬৩ সালে আমি তখন ক্লাশ সেভেনের ছাত্র, প্রথম ছবি তুলি লুবিটেল-২ বক্স ক্যামেরায়।আমি যেখানেই যাই, যা দেখি-সেটাই ফ্রেম বন্দী করবার চেষ্টা করি। যেমন-বন্ধু সমাবেশ,বিখ্যাত মানুষ,ভ্রমণ, ইত্যাদি।প্রকৃতি ও পুরাকৃর্তি খুব টানে।

ফটোগ্রাফি এমনি একটা বিষয়-যে ভালো লাগা, ভালোবাসা দোলা দেয় অনুভূতিতে।
এ খ্যাতিমান-গুণী ফটোগ্রাফারের চমৎকার কিছু উল্লেখ্য ফটোগ্রাফি প্রকাশে আমরা ধন‍্য।

সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানব হযরত মোহাম্ম(সঃ)ইসলাম প্রচার করেছেন মানবজাতিকে বুঝিয়ে, ঞ্জান দিয়ে। অনেক আঘাত আসলেও তিনি নিরবে সহে গেছেন,কিন্তু কাফেররা যখন পারেনি তখন তাঁকে যুদ্ধে নামার হুমকি দেয় তখন তিনি তাঁর বীরত্ব দেখাতে যুদ্ধ করতে রাজি হলে এ অস্র ব্যবহার করতেন। খুব সহজেই প্রায় সকল যুদ্ধজয় এসব দিয়েই জয় করেছেন। নবীজি মোহাম্মদ (সঃ)-এর ব্যবহিত তরবারি ও ধনুক সংরক্ষকিত আছে টপক্যাপি প্যালেস ইস্তাম্বুল তুরস্কে।

নবীজি মোহাম্মদ (সঃ)-এর ব্যবহিত তরবারি ও ধনুক।
টপক্যাপি প্যালেস ইস্তাম্বুল তুরস্ক,

“জাতীয় স্মৃতি সৌধ”,সাভার,বাংলাদেশ।
অগণিত মানুষ হত্যা করে পাকিস্তানি বর্বর বাহিনী এখানে সেখানে। সাভার বদ্ধভূমি তার মধ্যে একটা। তৈরী করা হয় স্মৃতির মিনার,তাও ভেঙ্গে দেয় বর্বরবাহিনী। হাজারও লাশের উপর তৈরী করা হয় সাতটি স্থম্ভের উপর জাতীয় স্মৃতিসৌধ। স্বাধীনতা দিবস ও বিজয় দিবসে হাজার হাজার মানুষে ফুলেল শুভেচ্ছায় মূখরিত হয় দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের সম্মান জানাতে।

দিঘাপাতিয়া রাজবাড়ী,নাটোর।
যা এখন উত্তরা গনভবন নামে পরিচিত।
১৯৭৪ সালে পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে উত্তরা গনভবন সফরকালে
বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

অপূর্ব সুন্দর শ্রীমংলের চা বাগান, সিলেট।
শ্রীমঙ্গলকে বলা হয় চায়ের দেশ। প্রকৃতির অপরুপ রুপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশী চা ফলে শ্রীমঙ্গলে। উঁচু নীচু টিলা যেন সবুজ কার্পেট বিছানো সবুজ বনানী।

চাঁদপুরের ইলিশ, মেঘনা নদী।
ইলিশের বাড়ী চাঁদপুর। মেঘনা নদীর যে অংশ চাঁদপুরে পড়েছে সেখানেই ইলিশের ঘাঁটি, মৌসুমে ঝাঁকে ঝঁকে ইলিশ ধরা পরে। দেশ হতে দেশান্তর চলে যায় মাছের রাজা ইলিশ। বাংলাদেশের জাতীয় মাছ ইলিশ, যেখানে পান্তা
ইলিশ ছাড়া বাঙ্গালীর নব নববর্ষ উদযাপন হয় না।সুস্বাদু ইলিশ বাংলাদেশের প্রায় সব জায়গায় পাওয়া যায় কিন্তু চাঁদপুরের ইলিশে স্বাদ ও গন্ধ অতুলনীয়।

“সেন্টমার্টিন দ্বীপ
বাংলাদেশ।
আহির ভৈরব, সকালের রাগ।
সুর্যদয়,শেষ বেলার রং ক্ষণে ক্ষণে বদলায় যেন অতৃপ্তি আঁকিয়ের।পুব আকাশে যখন সুর্যদোয় হয় ঠিক তখনি হয় রং বদলের পালা।সেইন্ট মার্টিন দ্বীপ একমাত্র জায়গা যেখান থেকে সূর্যোদয় আর সূর্যাস্ত দেখা যায়, কল্পনাকেও হার মানায় অপরুপ রুপের সেন্টমার্টিন দ্বীপ।

ঈশ্বরের কাছ থেকে চারদিন আয়ু চেয়ে এনেছিলাম, দুদিন গেলো আশায় আশায়, আর দুদিন অপেক্ষায়। ক্ষণিকের এ জীবনে এত কিছু চাওয়া হায়।
দু’দিনের দুনিয়া। ভুলে যাই সব,চাই হোক সব আমার। কবির ভাষায় যার বর্ণনা দারায়-
জীবন এত ছোট কেনো হয় ?

পরী বিবির মাজার,লালবাগ দুর্গ (নির্মান কাল ১৬৭৯ খ্রীঃ),ঢাকা।

বট ফল,রাজশাহী।
জীবনানন্দ দাসের কবিতায় উল্লেখ্য বট ফল।
“একদিন জলসিড়ি নদীটির পারে
এই বাংলার মাঠে
বিশীর্ণ বটের নিচে শুয়ে রব,
পশমের মত লাল ফল
ঝরিবে বিজন ঘাসে”।

ডাল লেক,শ্রীনগর,কাশ্মীর।

সমস্ত দিনের শেষে
শিশিরের শব্দের মতোন সন্ধ্যা আসে,
ডানায় রৌদ্রের গন্ধ মুছে ফেলে চিল
সব পাখি ঘরে ফেরে —সব নদী।
ফুরায় এ জীবনের সব লেন দেন
থাকে শুধু অন্ধকার
মুখোমুখি বসিবার বনলতা সেন….’।

জীবনানন্দ দাশের কবিতার সেই সান্ধ্য ক্ষণটিই
এখানে ক্যাপচার করেছেন ফটোগ্রাফার।

পদ্মা নদীর উপর শতাব্দী প্রাচীন হার্ডিঞ্জ ব্রিজ ও একালের লালন শাহ ব্রিজ,পাকসি, ঈশ্বরদী, পাবনা।

রমনার বটমূলে ঐতিজ্যবাহী ছায়ানটের বাংলা বর্ষবরণ উৎসব, রমনা পার্ক, ঢাকা


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ