বড়লেখা : প্রাকৃতিক সৌন্দযে’র লীলা নিকেতন—–

Pub: শনিবার, সেপ্টেম্বর ১, ২০১৮ ১:০৬ অপরাহ্ণ   |   Upd: শনিবার, সেপ্টেম্বর ১, ২০১৮ ১:০৭ অপরাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

অাতাউর রহমান আফতাব:
চতুর্দিক থেকে প্রকুতি ময়ুরের পেখম মেলে দিয়েছে, টিলা-টালা অার পাহাড় বেষ্টিত বড়লেখার প্রকৃতিতে। শতাধিক চা-বগান,মাধব কুণ্ডু জল প্রপাত,বোবার পাহাড়, পাথারিয়া পাহড় বড়লেখার পূর্ব সীমানাকে ভারতিয় অঞ্চল থেকে অালাদা করেছে।

সিলেট বিভাগের মৌলভীবাাজার জেলাটিকে ঘিরে অাছে চা-বাগান,বিটি অার অাই,লাউয়া ছড়ার গহিন অরণ্য।

শ্রীমঙ্গলের অানারস রসে টস টস। শীমঙ্গল শহরটির সৌন্দর্য ও বিমুগ্ধকর। অাছে সিতেশ বাবুর চিড়িয়াখানা। যেখানে অামরা বিরল প্রজাতির সাপ দেখেছি, যেগুলো, ঢাকা চিড়িয়াখানায়ও নেই ২০১১ সনে অামরা শ্রীমঙ্গল ভ্রমন করি। অাছে সেখানে বি টিঅার অাই,মানে বা;লাদেশ চা গবেষনা ইন্সটিটিউট।
অামাদের অাজকের অালোচনার বিষয় বড়লেখার শাহবাজপুরের ৫ টি চা-বাগান।
পাল্লাতল,অাল্লাদাদ,অহিদাবাদ,ভেরেঙ্গা ও অায়েশাবাগ।
সে পথে ২য় ভ্রমন :
গত বছর অামরা ভ্রমন করি প্রথমবার, সেবাগান গূলো। অামার সঙ্গি সাথিরা ছিল সালাম, সুহেল,অাতিক সহ মোট ৬ জন। পাল্লাতল বাগান গেটের সম্মুখীন হলেই সাইন বোর্ডে লেখা অাছে। ভেতরে প্রবেশ নিয়েধ।

সুহেল সেসব শুনবে না। সে অামাদেরকে নিয়ে ভেতরে ঢুকে পড়ে। পাল্লাতল বাগানের একটা সড়ক পাহাড়ের মধ্যবর্তী মাটি কেটে পায়ে হাটা রাস্তা হয়ে গেছে। পূর্বদিকে হাটলে রাস্তার ডান দিক বাংলাদেশ ,বামদিক ভারত। বাগান পাড়ি দিয়ে পূর্ব দিকে মাঠ।
উপজাতিয় লোকজন বলে,ফিরে যান ভাই, কেন অপমানের পথে হাটেন।

সমতল ভূমির সন্তান অামি। ২১ বছর হলো, বড়লেখার সুজাউল মাদ্রায় শিক্ষকতা করি।
পাড়াড় প্রকৃতি অামাকে বার বার উজ্জীবিত করেছে।

অাজ অামার সাখে রয়েছে, অামার চা বাগান ভ্রমনের প্রথম সাথি বিদ্যুত রঞ্জন দেব নাথ।
তার মটর সাইকেলে করে অামরা দুজন চলে গেলাম সেসব চা-বাগান ভ্রমন করতে।

প্রথমেই শাহবাজপুর থেকে ২ মাইল পূর্বদিকে গিয়ে হাতছানি দেয় অহিদাবাদ চা-বাগান।
কবিতার ভাষায়—-
চারিদিকে ঘনবন
ছায়া সুনিবিড় শান্তির নীড় ছবির মতন,
ধাপ ধাপ ভাঁজ ভাঁজ চায়ের চারা,
মন উতলা হয় পাগল পারা।
ভেরেঙা বাগান:
ভেরেঙ্গা বাগান টি খুব দীঘ’। এক সময়ে ইসমত চৌ ছিলেন বাগানের মালিক। সাবাজপুর চা বাগাননের অ;শ সেটা। ভেরেঙা বাগানটি টি ঘুরে ঘুরে অহিদাবাদ, অাল্লাদাদ বাগানকে জড়িয়ে ধরেছে।
অাল্লাদাদ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় :
একটি ছোট পরিসরে বিদ্যালয়টি ছবির মত দাড়িয়ে অাছে। বিদ্যালয়ের সাইন বোড’ বেশ কারুকাজ মণ্ডিত।

বিদ্যুত বাবুর বাড়িটা ৪ মাইল দক্ষিনে, অথছ ভদ্রলোক সেপথে কোনদিনও যায়নি। যাচ্ছে ত যাচ্ছেই, বলছে হায় হায়! এত বসতি, জনপদ সেদিকে জানা নেই।
অায়েশাবাগ ও পাল্লাতল চা বাগান দুটো গলাগলি ধরে যেন দাড়িয়ে অাছে। দীঘ’ ৫ মাইল রাস্তা, পায়ে হেটে সারাদিন ভ্রমনের ভ্রমনের ইচ্ছে। যদি তা ই হতো, তবেই ত পিকনিক হত।
অামি বিভিন্ন অসুস্থ্যতায় ভুগি।

অামি অাগেও লিখেছিলাম যে, বাদুর পুর চা বাগানের পূব’দিকে অরণ্য প্রকৃতির গহিন আকর্ষণ । পালাতল বাগানেও অাছে অনুরুপ সৌন্দয’। বিশ্ববাসিকে বড়েখার প্রকৃতি পরিদর্শনের অাহবান জানাই।

Print

শীর্ষ খবর/আ আ

সংবাদটি পড়া হয়েছে 1078 বার

আজকে

  • ১১ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
  • ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং
  • ১৫ই মুহাররম, ১৪৪০ হিজরী
 

সোশ্যাল নেটওয়ার্ক

 
 
 
 
 
সেপ্টেম্বর ২০১৮
রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
« আগষ্ট    
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০  
 
 
 
 
WP Facebook Auto Publish Powered By : XYZScripts.com