সূরা আল-কদর এর অর্থ ও ফজিলত

Pub: শনিবার, জুন ১, ২০১৯ ৪:৩৮ অপরাহ্ণ   |   Upd: বৃহস্পতিবার, জুন ১৩, ২০১৯ ২:৫৫ পূর্বাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

بِسْمِ اللّهِ الرَّحْمـَنِ الرَّحِيمِ
আমি শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।

إِنَّا أَنزَلْنَاهُ فِي لَيْلَةِ الْقَدْرِ (1)
আমি গ্রন্তটি নাযিল করেছি এক মর্যাদাপূর্ণ রাতে (অর্থাৎ)শবে-কদরের রাতে।

وَمَا أَدْرَاكَ مَا لَيْلَةُ الْقَدْرِ (2)
তুমি কি জানো- সেই মর্যাদাপূর্ণ রাতটি কি?

لَيْلَةُ الْقَدْرِ خَيْرٌ مِّنْ أَلْفِ شَهْرٍ (3)
এই রাতটি হচ্ছে হাজার মাসের থেকেও উত্তম এবং শ্রেষ্ঠ একটি মাস।

تَنَزَّلُ الْمَلَائِكَةُ وَالرُّوحُ فِيهَا بِإِذْنِ رَبِّهِم مِّن كُلِّ أَمْرٍ(4)
এই রাতে প্রত্যেক ফেরেস্তারা তাদের মালিকের সব ধরনের আদেশ নিয়ে যমিনে অবকরণ করেন।

سَلَامٌ هِيَ حَتَّى مَطْلَعِ الْفَجْرِ (5)
সে আদেশবার্তা হচ্ছে চিরন্তন, যা ঊষা (অর্থাৎ)সুর্য্য উদয় হওয়া পর্যন্ত অব্যাহত থাকে।
01

সূরা আল-কদর এর ফজিলত

লাইলাতুল কদর বা সূরা আল-কদর, এটি আমাদের পবিত্র আল-কোরআনের 97 নম্বর সূরা।এর আয়াত সংখ্যা (5)পাঁচটি, রুকুর সংখ্যা(1)একটি। এই সূরাটি মক্কায় অবর্তণী হয়। লাইলাতুল কদর এটি আরবি শব্দ। আরবিতে ‘লাইলাতুন’ শব্দের অর্থও রাত বা রজনী। কদর অর্থ সম্মানিত, মহিমান্বিত। সুতরাং লাইলাতুল কদরের অর্থ সম্মানিত রজনী বা মহিমান্বিত রজনী।
রমজান মাসটি আল্লাহ তায়আলা সমস্ত ঈমানদারদের জন্য পুরুষ্কার স্বরুপে দিয়েছেন। তাই রমজানের শেষ দশদিন অর্থাৎ নাযাতের দশ দিনের মধ্যে যে কোন বেজোড় রাতটি নিধার্রণ করেছেন, যেমন- 23, 25, 27 তবে এর মধ্যে শেষ বেজোড় দিনটিই মুসলমানরা নিধার্রণ করে নিয়েছেন “লাইলাতুল-কদর বা সবে-কদর”।

আল্লাহ তায়আলা এই রাতের ফজিলত সর্ম্পকে বলেছেন- নিশ্চয় আমি “লাইলাতুল কদরের” রাতে পবিত্র কোরআন নাযিল করেছি। “লাইলাতুল কদর কি, তা তোমরা জানো? এই মাস হলো হাজার মাসের থেকে উত্তম মাস।

“লাইলাতুল কদর” সম্পর্কে রাসূল (সঃ) বলেছেন- “লাইলাতুল কদর” এর রাতে আল্লাহ তায়ালার আদেশক্রমে হযরত জিবরাইল (আঃ) ফেরেস্তাগণের বিশাল বাহীনি নিয়ে যমিনে অবতীর্ণ হন। এই রাতে যে ঈমানদার বান্দারা বসে, দাড়িয়ে, ইবাদাত-বন্দীগি করে তাদের জন্য তারা দোয়া করেন আল্লাহ তায়লার নিকটে।

রাসূল (সঃ) বলেছেন এই রাতে তোমরা আল্লাহ নিকটে বেশি বেশি দোয়া করো ক্ষমা চাও।এই রাতে আল্লাহ তায়আলা নিজে তোমাদের কাছে এসে উপস্থিত হোন, তিনি তোমাদের ডেকে বলেন হে আমার বন্দাগণ তোমরা আমার কাছে কি চাও আমি এই রাতে তোমাদের তা দিবো। তাই প্রত্যেক মুসলিম বান্দাদের উচিত এই রাতে আল্লাহ তায়আলার নিকটে বেশি বেশি ক্ষমা চাওয়া, তওবা-ইস্তেগফার করা। সারারাত নিজেদের জন্য নফল নামাজ, কোরআন তেলোয়াত, দোয়া-কালিমা, তসবিহ পাঠ করা। আর আল্লাহ তায়আলার নিকেটে বেশি বেশি চোখের পানি ফেলে কান্না করে ক্ষমা চাওয়া তওবা করা। নিশ্চয় আল্লাহ অতি ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু। তিনি তোমাদের সমস্ত গোনহ মাফ করে দিবেন।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ