fbpx
 

অদম্য এক নারী কুমিল্লার গোলাপী আক্তার

Pub: বুধবার, মার্চ ৪, ২০২০ ৭:১০ অপরাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

ওসমান গনি,কুমিল্লা।। নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়ার দেখানো পথ অনুসরণ করে শতবাধা বিপত্তি অতিক্রম করে নিজের ইচ্ছাশক্তি ও অদম্য মনোবল নিয়ে দুর্বার গতিতে সামনের দিকে এগিয়ে চলছেন শিরিনা আক্তার। যার ডাকনাম গোলাপী আক্তার। তিনি ১৯৮৬ সালের ৩ ফেব্রুয়ারী কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার হারং গ্রামের( বর্তমানে চান্দিনা পৌরসভা) এক সম্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম মৃতঃ খোরশেদ আলম সরকার। মায়ের নাম রিনা সরকার। পরিবারে ৬ বোন ১ভাই। গোলাপী অাক্তার মেঝো। স্থানীয় বিদ্যালয়ে লেখাপড়া শেষ করে জড়িয়ে পড়েন কর্মজীবনে। ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পনীর চান্দিনা শাখা অফিসে উন্নয়নকর্মী হিসাবে কাজে যোগদান করেন। কর্মক্ষেত্রে তার কাজের সফলতা ও তার আচার ব্যবহার দেখে কোম্পনী কর্তৃপক্ষ তার ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং মাঝে মাঝে অনুষ্ঠান করে পুরস্কার বিতরণ করেন। গোলাপী আক্তার শুধু কোম্পনীর কাজে নিজেকে নিয়োজিত না রেখে সমাজসেবার কাজেও তিনি যথেষ্ট অবদান রাখেন। তিনি এলাকার (সমাজের) অসহায় লোকজনদের ছেলে-মেয়েদের লেখাপড়া, বাল্যবিয়ে, স্যানিটেশন, স্বাস্থ্যসেবাসহ বিভিন্ন বিষয়ে কাজ করে থাকেন। তার আশেপাশের লোকজন কোন বিপদাপদে পড়লে দৌড়ে যান তাদের নিকট। তিনি তার সাধ্য অনুযায়ী চেষ্টা করেন তাদের সমস্যা সমাধানের জন্য। এলাকার কোন লোকজন হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তিনি তার শতকাজের মধ্যে ও তাদের কে হাসপাতাল ও ডাক্তারের নিকট দৌড়ে নিয়ে যান। সেখানে তাদের সেবাযত্ন করে চিকিৎসা দিয়ে বাড়িতে নিয়ে আসেন। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে গোলাপী আক্তার বলেন- মানুষ মানুষের জন্য সেই দৃষ্টিকোন থেকেই আমি এ কাজ করি।
এ কাজের মধ্যে রয়েছে আনন্দ ও উল্লাস। দেশের অন্যান্য মহিলাদের ও এরকম কাজে এগিয়ে আসা উচিত। প্রথম যখন আমি এ কাজে হাত দেই তখন সমাজের লোকেরা নানাহ রকম বাজে মন্তব্য করত। পরে আমার কাজ দেখে তারা তাদের খারাপ মন্তব্য হতে দূরে সরে আসে। তিনি বলেন, পাছে লোকে কে কি বলল তা শোনার সময় আমার নাই। আমি কাজ করে যাচ্ছি। আমি চাকরি করাতে আমার সংসারও এখন স্বচ্ছলভাবে চলছে।
তার মা রীনা সরকার ও বড় দুলাভাই ও ইন্স্যুরেন্স কোম্পনীতে চাকরি করেন। মূলত তাদের দেখেই তিনি এ পেশায় আসেন। ব্যক্তিগতভাবে গোলাপী আক্তার একজন বিবাহিত নারী। ১৯৯৮ সালের ৪ ডিসেম্বর একই উপজেলার ৯ নং মাইজখার ইউনিয়নের মেহার গ্রামের সাংবাদিক ওসমান গনি`র সাথে তিনি বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। বর্তমানে তার এক ছেলে ও এক কণ্যা সন্তান রয়েছে। ছেলে সজীব হোসেন কলেজে আর মেয়ে সুরভী আক্তার হাই স্কুলে পড়ে।

Hits: 41


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ