fbpx
 

পরাজয় পিছু ছাড়ছে না ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী জনসনের, পার্লামেন্ট স্থগিত

Pub: মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ১০, ২০১৯ ১:৪০ অপরাহ্ণ   |   Upd: মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ১০, ২০১৯ ১:৪০ অপরাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

নিউজ ডেস্ক: পার্লামেন্টে আবারও পরাজিত হলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। আগাম নির্বাচন চেয়ে তার আনা দ্বিতীয় প্রস্তাবও পার্লামেন্ট প্রত্যাখ্যান করেছে। এরই মধ্যে দলের বিদ্রোহী ও বিরোধী লেবার পার্টির এমপিদের আনা চুক্তিবিহীন ব্রেক্সিট আটকে দেয়ার বিলে সম্মতি দিয়েছেন রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ। ফলে ওই বিলটি আইনে পরিণত হয়েছে। এর ফলে চুক্তিবিহীন ব্রেক্সিট সম্পাদন জনসনের জন্য অসম্ভবই হয়ে গেল। এমন অবস্থায় ৫ সপ্তাহের জন্য বৃটেনের পার্লামেন্ট স্থগিত হয়ে গেছে। এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি। 

বৃটিশ প্রধানমন্ত্রীর আগাম নির্বাচনের দ্বিতীয় প্রস্তাব গতকাল ভোটে দেয়া হয়। এর পক্ষে মোট ২৯৩ জন এমপি ভোট দেন। ফলে প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে ব্যর্থ হয় ওই প্রস্তাব। এতে অটোমেটিকভাবে জনসনের আগাম নির্বাচনের প্রস্তাব বাতিল হয়ে গেছে। তিনি চেয়েছিলেন ১৫ই অক্টোবর আগাম নির্বাচন। বিরোধী দলীয় এমপিরা নিশ্চিত করে দিলেন তারা এই নির্বাচন চান না। উল্টো চুক্তিবিহিন ব্রেক্সিট আটকে দেয়ার বিরুদ্ধে যে আইনে অনুমোদন দিয়েছেন রানী, তারা চাইছেন সেই আইন অবশ্যই বাস্তবায়ন করতে হবে। যদি প্রধানমন্ত্রী এর বাইরে যাওয়ার চেষ্টা করেন তাহলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে।

এই মুহূর্তে বৃটেনের আইন বলে যে, ব্রাসেলসের সঙ্গে কোনো চুক্তি হোক বা না হোক, আগামী ৩১ শে অক্টোবরের মধ্যে অবশ্যই ইউরোপীয় ইউনিয়ন ছেড়ে যেতে হবে বৃটেনকে। কিন্তু সোমবার নতুন প্রস্তাবে রাজকীয় অনুমোদন পাওয়ার পর সেই আইনে পরিবর্তন এসেছে। যদি কোনো চুক্তি করা সম্ভব না হয় অথবা চুক্তিবিহীন ব্রেক্সিটের দিকে অগ্রসর হয় সরকার, তাহলে ২০২০ সালের ৩১ শে জানুয়ারি পর্যন্ত ব্রেক্সিট বিলম্বিত করার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে বাধ্য করতে পারেন এমপিরা। 

বিবিসির রাজনৈতিক সম্পাদক লরা কুয়েন্সবার্গ বলছেন, যদিও ১০ ডাউনিং স্ট্রিট বলছে তারা নতুন আইন লঙ্ঘন করবে না, তবু এই আইনের ফাঁকফোকর অথবা এর বিভিন্ন দিক যাচাই করে দেখা হচ্ছে। পার্লামেন্টের এমন অবস্থানে প্রধানমন্ত্রী জনসন বলেছেন, এই পার্লামেন্ট আমার হাতকে বেঁধে দেয়ার জন্য যত বেশি উপকরণই আবিষ্কার করুক না কেন, আমি জাতীয় স্বার্থে একটি চুক্তি করার জন্য চেষ্টা চালিয়েই যাবো। তবে এই সরকার কোনোভাবেই ব্রেক্সিট আর বিলম্বিত হতে দেবে না। আমরা আরো পক্ষাঘাত ও বিচ্যুতি দিয়ে ব্রেক্সিট গণভোটের রায়কে আস্তে আস্তে শ্বাসরোধ করতে অনুমোদন দিতে পারি না। এ সময় তিনি লেবার দলের নেতা জেরেমি করবিনের সমালোচনা করেন। করবিন এর আগে বলেছিলেন, যদি ৩১ শে অক্টোবরের মধ্যে চুক্তিবিহীন ব্রেক্সিট সম্পাদনে সরকারকে বাধা দেয়া হয় তাহলে আগাম নির্বাচন সমর্থন করবেন তিনি। তার এ বক্তব্য তুলে ধরে জনসন বলেন, তার নিজের যুক্তিতে এখন একটি আগাম নির্বাচন অনুমোদন অবশ্যই দেয়া উচিত তার। কিন্তু তা তিনি দেন নি। এরফলে হাউজ অব কমন্সে ৬ বারের মতো পরাজিত হলেন বরিস জনসন। 


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ