মোবাইল অপারেটরদের ফোরজি সেবার মানে অসঙ্গতি: বিটিআরসি

Pub: বুধবার, এপ্রিল ৩, ২০১৯ ৯:৫০ অপরাহ্ণ   |   Upd: বুধবার, এপ্রিল ৩, ২০১৯ ৯:৫০ অপরাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

ঢাকা: দেশে মোবাইল ফোন অপারেটরগুলোর ফোরজি সেবায় অসঙ্গতি পেয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। চলতি বছরের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে বরিশাল, রাজশাহী, রংপুর ও খুলনা বিভাগে কোয়ালিটি অব সার্ভিসের ড্রাইভ টেস্ট পরিচালনা করে বিটিআরসি। আজ বিষয়টি নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। ড্রাইভ টেস্টের প্রতিবেদনে দেখা যায়, থ্রিজির ক্ষেত্রে খুলনা বিভাগে রবি ও টেলিটকের ডাউনলোড গতি বিটিআরসি নির্ধারিত ২ এমবিপিএসের চেয়ে কম ছিল।

এছাড়াও টেলিটকের মান কম ছিল বরিশালে। বরিশাল বিভাগের বরিশাল, পটুয়াখালী, ঝালকাঠি ও পিরোজপুরে টেলিটকের থ্রিজির মান নির্ধারিত ডাউনলোড গতি ২ এমবিপিএসের ক্ষেত্রে ১.৫ পাওয়া যায়। এ এলাকায় অন্যান্য অপারেটরদের থ্রিজি গতি নির্ধারিত মানের চেয়ে বেশি ছিল। আর ফোরজি নির্ধারিত ডাউনলোড গতি ৭ এমবিপিএসের চেয়ে প্রতি অপারেটরের কম পাওয়া যায়। গ্রামীণফোনের ডাউনলোড গতি ৫.১ এমবিপিএস, রবির ৪.৮৯ এমবিপিএস, বাংলালিংকের ৩.৫৬ এমবিপিএস।

তবে আপলোড গতি তিন অপারেটরের ঠিক ছিল। রাষ্ট্রায়ত্ত্ব টেলিকম অপারেটর টেলিটকের ফোরজি সেবা না থাকায় তথ্য আসেনি। রংপুর বিভাগের রংপুর, দিনাজপুর, গাইবান্ধা জেলায় ড্রাইভ টেস্টে থ্রিজিতে টেলিটকের ১.৯৯ এমবিপিএস ডাউনলোড গতি পাওয়া যায়। তবে অন্য অপারেটরগুলোর আপলোড ও ডাউনলোড নির্ধারিত মানের চেয়ে বেশি ছিল। এ এলাকাতেও ফোরজি ডাউনলোড গতি তিন অপারেটরেরই ৭ এমবিপিএস দিতে পারেনি।

রাজশাহী বিভাগের রাজশাহী, নওগাঁ, বগুড়া, নাটোর, জয়পুরহাট ও সিরাজগঞ্জে টেলিটকের থ্রিজিতে ডাউনলোড গতি নিম্ন ছিল। ফোরজি গতিতে এ এলাকাতেও কোনো অপারেটর নির্ধারিত মান ৭ এমবিপিএস দিতে পারেনি। খুলনা বিভাগের খুলনা, বাগেরহাট, যশোর, ঝিনাইদহ ও কুষ্টিয়ায় রবি এবং টেলিটক থ্রিজির নির্ধারিত গতি দিতে পারেনি। এ এলাকায় গ্রামীণফোন, রবি, বাংলালিংকের ফোরজি নির্ধারিত মানের চেয়ে পিছিয়ে ছিল। কলড্রপের ক্ষেত্রে দেখা যায়, চারটি বিভাগের মধ্যে রাজশাহী, বরিশাল ও খুলনায় টেলিটকের নির্ধারিত মান ২ শতাংশের বেশি ছিল। তবে অন্য অপারেটরের কলড্রপ নির্ধারিত মানের কম পাওয়া গেছে। 

এ প্রসঙ্গে বিটিআরসির সিনিয়র সহকারী পরিচালক মো. জাকির হোসেন খাঁন বলেন, এ ড্রাইভ টেস্ট কমিশনের একটি চলমান কার্যক্রম। যার মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মোবাইল অপারেটরদের সেবার মান সম্পর্কে কমিশন অধিকতর স্পষ্ট ধারণা লাভ করলো। আশা করছি, পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারণী বিষয়ে সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত গ্রহণ কমিশনের নিকট আরও সহজতর হবে এবং এর ফলে গ্রাহক সেবার মান বাড়বে। 


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ

সংবাদটি পড়া হয়েছে 1044 বার