কেমন হবে ঈদের পোশাক?

Pub: বৃহস্পতিবার, আগস্ট ১৬, ২০১৮ ১১:২৩ অপরাহ্ণ   |   Upd: বৃহস্পতিবার, আগস্ট ১৬, ২০১৮ ১১:২৩ অপরাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

ঈদ মানেই আনন্দ। ঈদ মানেই খুশি। আর সেই আনন্দ আর খুশি কি পরিপূর্ণ হয়- যদি গায়ে না থাকে নতুন জামা-কাপড়? হ্যাঁ, অন্যান্য উৎসবের মতো ঈদেও খুশির বড় অনুষঙ্গ নতুন পোশাক। কোরবানির ঈদে পশু কোরবানি নিয়ে বাড়তি মাতামাতি থাকলেও পোশাকের বাজারে ক্রেতাতের ভাটা নেই কোথাও। বিভিন্ন শপিং মল ঘুরেও দেখা যাচ্ছে নতুন নতুন ডিজাইনের নজরকাড়া নানা পোশাক।

ঈদ উপলক্ষে ফ্যাশন হাউস ইউডো ডিজাইন সোর্স দেশি পোশাকের পাশাপাশি নিয়ে এসেছে পশ্চিমা হাল ফ্যাশনের পোশাক। মেয়েদের পোশাকের মধ্যে থাকছে গাউন, কামিজ, টপস, লম্বা শার্ট ও জিন্স আর ছেলেদের পোশাকের মধ্যে রয়েছে পাঞ্জাবি, টি-শার্ট, শার্ট, জিন্স ও ব্লেজার।

উৎসবের পাশাপাশি মিশ্র আবহাওয়াকে বিবেচনায় রেখে কাপড়ের ক্ষেত্রে প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে সুতি, সিল্ক ও জর্জেটকে। রঙের ক্ষেত্রে লাল, হলুদ, সবুজ, কালো, কমলার চাহিদাই বেশি।

এখন রোদের তেজ অনেক বেশি। তাই গরমও বেশি। ফলে ঈদের পোশাকে মেয়েদের জন্য হালকা সাজের স্নিগ্ধতাই বেশি মানানসই। শরৎকালীন ঈদ বলেই এবারের ঈদের পোশাকে রয়েছে নীল, সাদা, সবুজ আর মেটে রঙের প্রাধান্য। সকালে তাই পরতে পারেন এসব শেডের বা হালকা যেকোনো রঙের পোশাক। হতে পারে সেটা শাড়ি, সালোয়ার-কামিজ বা ফতুয়া।

কোরবানি ঈদের নামাজের পর ছেলেদেরই কাজ থাকে বেশি। তাই এ সময়ে হাতে ঘড়ি বা ব্রেসলেট না পরাটাই ভালো হবে। ঈদের নামাজের পর থেকে শুরু করে বিকেল পর্যন্ত কাজের বেশ চাপ থাকে তা বলাই বাহুল্য! কোরবানি থেকে শুরু করে তা তদারকি করা, বিলি-বণ্টন করতেই সময় চলে যায় বেশ।

তাই সাধারণত দুপুরের সাজে তেমন একটা সময় দেয়া যায় না। তবে ছেলেরা কাজের সুবিধার্থে নামাজের পর পোশাক পালটে আরামদায়ক কোনো পোশাক পরতে পারেন। যেমন ফতুয়া, টিশার্ট, পোলোশার্ট, জিন্স, ট্রাউজার বা থ্রি-কোয়ার্টার।

তবে ঈদের সান্ধ্যকালীন বা রাতের সাজে থাকতে পারে গাঢ় রঙের প্রাধান্য। মেয়েরা পরতে পারেন বেগুনি, পার্পল, মেজেন্টা, নেভি ব্লু, গাঢ় সবুজ, কালো, মেরুন, লাল, খয়েরি ইত্যাদি গাঢ় রঙের জমকালো পোশাক।

ছেলেরাও বেছে নিতে পারেন গাঢ় রঙের পোশাক। পাঞ্জাবির পাশাপাশি পরতে পারেন একটু জমকালো হাতের কাজ করা ফতুয়াও। উৎসবের আমেজের সাথে তা মানিয়ে যাবে বেশ।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ

সংবাদটি পড়া হয়েছে 1326 বার