গুজব-অপব্যবহারের বড় প্লাটফর্ম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম: তথ্যমন্ত্রী

Pub: শনিবার, ফেব্রুয়ারি ৯, ২০১৯ ৪:৩৩ অপরাহ্ণ   |   Upd: শনিবার, ফেব্রুয়ারি ৯, ২০১৯ ৪:৩৩ অপরাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘ইন্টারনেটভিত্তিক অনলাইন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এখন গোটা বিশ্বজুড়ে গুজব ছড়ানোর বড় প্লাটফর্ম হয়ে দাঁড়িয়েছে। এখন বৈশ্বিকভাবে এই প্লাটফর্মকে নিয়ম-নীতির মধ্যে আনার সময় এসেছে।’

শনিবার (০৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর কসমস সেন্টারে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ছড়ানোর বিষয়টি শুধুমাত্র বাংলাদেশের একার সমস্যা নয় উল্লেখ করে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘এটি (সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম) এখন পুরো বিশ্বের সমস্যা। এখন বিদেশে অবস্থান করেও যেকারও বিরুদ্ধে লেখা ও গুজব রটানো যায়। যা এই সময়ে অবশ্যই চিন্তার বিষয়।’

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। আমরা নবম মজুরি বোর্ড (ওয়েজবোর্ড) নিয়ে কাজ করছি। গণমাধ্যম নীতিমালা তৈরি হয়েছে। এটাকে আইনে পরিণত করতে হবে।’

বর্তমান সরকারের আমলে দেশে গণমাধ্যমের বিস্তৃতি ঘটেছে ‍জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘গণমাধ্যমের বিস্তৃতির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে মিথ্যা সংবাদও বেড়েছে। অপব্যবহারও বেড়েছে।’

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বাংলাদেশে এখন প্রায় আট কোটি ইন্টারনেট ব্যবহারকারী রয়েছে। পাশাপাশি অনলাইনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেরও বিপ্লব ঘটেছে।’

তবে যেকোনও মিথ্যা সংবাদ ও অপব্যবহারের দিকে সাংবাদিকদের সতর্ক দৃষ্টি রাখার আহ্বান রাখতে হবে বলেও জানান মন্ত্রী। 

এ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘অনলাইনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অসম্পাদিত সংবাদ বেড়ে গেছে। তাই এখন আপনাদের দৃষ্টিও আরও বেশি সতর্ক রাখতে হবে।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘দায়িত্বে থাকলে ভুল হতে পারে। দায়িত্বে না থাকলে ভুল হওয়ার প্রশ্নই আসে না। আপনারা ভুলের গঠনমূলক সমালোচনা করেন। গঠনমূলক সমলোচনা কাজকে শাণিত করে। কিন্তু সমালোচনা অন্ধ হলে আমাদের হতাশ করে।’

‘রাষ্ট্র, সমাজ ও দেশের কল্যাণে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও দায়িত্বশীলতা এক সঙ্গে থাকতে হবে। গণমাধ্যমের স্বাধীনতার সাথে দায়িত্বশীলতা ওতপ্রোতভাবে জড়ি ‘ যোগ করেন হাছান মাহমুদ। 

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ