রাতে দেশে আসছে মাহফুজ উল্লাহর মরদেহ

Pub: শনিবার, এপ্রিল ২৭, ২০১৯ ৩:০৩ অপরাহ্ণ   |   Upd: শনিবার, এপ্রিল ২৭, ২০১৯ ৩:০৩ অপরাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বরেণ্য সাংবাদিক মাহফুজ উল্লাহর মরদেহ আজ রাতে দেশে আনা হচ্ছে। বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইং সদস্য শামসুদ্দিন দিদার এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, শনিবার ( ২৭ এপ্রিল) রাত ১১টা বা সাড়ে ১১টার দিকে থাই এয়ারওয়েজের একটি বিমান যোগে মাহফুজ উল্লাহর মরদেহ দেশে এসে পৌঁছাবে। এরপর মরদেহ রাখা হবে স্কয়ার হাসপাতালের মরচূয়ারীতে।

তিনি আরও জানান,  রবিবার ( ২৮ এপ্রিল) সকালে বা বাদ যোহর গ্রীণ রোডে মরহুমের প্রথম নামাজে জানাজা পড়ানো হবে। এরপর বাদ আসর জাতীয় প্রেসক্লাবে দ্বিতীয় জানাজা হবার কথা রয়েছে। জানাজা শেষে সিনিয়র এই সাংবাদিকের শেষ ইচ্ছানুযাযী তার মরদেহ মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন করা হবে। যদি সরকারের অনুমতি পাওয়া যায়। 

এর আগে শনিবার (২৭ এপ্রিল) বাংলাদেশ সময় সকাল ১০টা ৫ মিনিটে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন।  মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৯ বছর। 

তিনি হৃদরোগ, কিডনি ও উচ্চ রক্তচাপজনিতসহ বিভিন্ন সমস্যায় ভুগছিলেন। এর আগে গত রবিবার (২১ এপ্রিল) জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও কলামিস্ট মাহফুজ উল্লাহর মৃত্যুর খবর নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়।

১১ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ব্যাংককের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। তার সঙ্গে যান অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী বড় মেয়ে ডা. মেঘলা ও জামাতা।

গত ২ এপ্রিল সকালে রাজধানীর ধানমন্ডির গ্রীন রোডে মাহফুজউল্লাহ তার নিজ বাসায় হৃদরোগে আক্রান্ত হলে তাকে স্কয়ার হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়।

পরে শারীরিক অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় দেশের সিনিয়র সাংবাদিক মাহফুজ উল্লাহকে উন্নত চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ডের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে নিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মাহফুজউল্লাহ হৃদরোগ, কিডনি ও উচ্চ রক্তচাপজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন। দেশের এই প্রথিতযশা সাংবাদিক ছাত্রজীবনে বাম রাজনীতি করা মাহফুজ উল্লাহ ষাটের দশকে ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি ছিলেন।

সাংবাদিকতার পাশাপাশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে খণ্ডকালীন শিক্ষক ছিলেন। এছাড়াও ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিভাগে শিক্ষকতায় নিয়োজিত ছিলেন প্রখ্যাত এই সাংবাদিক।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ