fbpx
 

বর্ণাঢ্য আয়োজনে ১৬তম বর্ষে পদার্পণ উদযাপন নয়া দিগন্ত উজ্জ্বল আলোকশিখা

Pub: Monday, October 28, 2019 12:00 AM
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

দিনভর বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার আলোকিত মানুষদের শুভেচ্ছা বিনিময়ের মধ্য দিয়ে পাঠক সমাদৃত নয়া দিগন্তের ১৬তম বর্ষে পদার্পণ উদযাপিত হয়েছে। রোববার সকালে পত্রিকার কার্যালয়ে কেক কাটার মধ্য দিয়ে এই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সূচনা হয়। উদ্বোধনী পর্বে আগত বিশিষ্টজনেরা নয়া দিগন্তকে গণমাধ্যম জগতের এক উজ্জ্বল আলোকশিখা হিসেবে উল্লেখ করেন। তারা বলেন, ‘সত্যের সঙ্গে প্রতিদিন’ স্লোগানকে ধারণ করে নানামুখী চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে পত্রিকাটি স্বমহিমায় এগিয়ে যাচ্ছে। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বস্তুনিষ্ঠতাই নয়া দিগন্তের একমাত্র চালিকাশক্তি। গণমাধ্যমের এই দুঃসময়ে এই পত্রিকা সমাজকে সঠিক পথের দিকনির্দেশনা দিচ্ছে। খোরাক জোগাচ্ছে পাঠকের সত্যিকারের চেতনার।

নয়া দিগন্ত কর্তৃপক্ষ শুভেচ্ছার জবাবে আরো বেশি দায়িত্বশীলতা ও পেশাদারিত্ব বজায় রেখে নয়া দিগন্তকে সামনে এগিয়ে নেয়ার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে।

১৬তম বর্ষে পদার্পণ অনুষ্ঠান উপলক্ষে রোববার আর কে মিশন রোডস্থ নয়া দিগন্ত কার্যালয়ে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। রঙিন বেলুন-ফেস্টুনে ছেয়ে যায় পুরো অঙ্গন। সকাল থেকেই নানা শ্রেণী-পেশার মানুষ শুভেচ্ছা জানাতে ছুটে আসেন। এরপর সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতা, সুশীলসমাজের প্রতিনিধি, সামাজিক-সাংস্কৃতিক, ব্যবসায়িক সংগঠনসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার গুণি ব্যক্তিদের পদভারে মুখরিত হয়ে ওঠে নয়া দিগন্ত কার্যালয়।

সকালে নয়া দিগন্ত বোর্ড রুমে প্রধান অতিথি থেকে কেক কেটে উৎসবের উদ্বোধন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ। এ সময় তিনি বলেন, সংবাদপত্র জগতে নয়া দিগন্ত একটি উজ্জ্বল আলোকশিখা। দেশ ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। দেশে আইনের শাসন নেই। কথা বলার স্বাধীনতা নেই। এরপরও নয়া দিগন্ত শত প্রতিকূলতা দূরে ঠেলে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। তাদের এ অগ্রযাত্রা আরো বহু দূর যাবে এই প্রত্যাশা করি।

দিগন্ত মিডিয়া করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী হারুন অর রশিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, দিগন্ত মিডিয়া করপোরেশনের বোর্ড অব ডাইরেক্টরসের চেয়ারম্যান ও সাবেক সচিব শাহ আব্দুল হান্নান, সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক শিব্বির মাহমুদ, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল অব: সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বীরপ্রতীক, বাংলা একাডেমির সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. মাহমুদ শাহ কোরেশী, নয়া দিগন্তের সম্পাদক আলমগীর মহিউদ্দিন, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সালাহ উদ্দিন মুহাম্মদ বাবর, নির্বাহী পরিচালক আব্দুস সাদেক ভূইয়া, ডেপুটি এডিটর (নিউজ) মাসুমুর রহমান খলিলী, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সভাপতি রুহুল আমিন গাজী, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি শওকত মাহমুদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমদ, বিএফইউজে মহাসচিব এম আবদুল্লাহ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি কাদের গনি চৌধুরী, ডিইউজে সভাপতি আবু জাফর সূর্য, সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম, সাবেক জেলা জজ ও কলামিস্ট ইকতেদার আহমেদ, ঢাবির অধ্যাপক সুকোমল বড়ুয়া, বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক কবি আল মুজাহিদী, কলামিস্ট অধ্যাপক ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন, নয়া দিগন্তের সিটি এডিটর আবু সালেহ আকন, অনলাই বিভাগের প্রধান হাসান শরীফ, চিফ রিপোর্টার হারুন জামিল, বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব এম গোলাম মোস্তফা ভূঁইয়া, এনডিপি মহাসচিব মঞ্জুর হোসেন ঈসা প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে শাহ আব্দুল হান্নান নয়া দিগন্ত প্রকাশে সবার সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি বলেন, আমরা জাতীয় ঐক্য চাই। একটি নৈতিকতাপূর্ণ সমাজ এবং দারিদ্র্যমুক্ত রাষ্ট্র গড়তে ভূমিকা রাখতে চাই।

আলমগীর মহিউদ্দিন বলেন, নয়া দিগন্ত প্রকাশে অনেকে শ্রম-ঘাম দিয়েছেন। আজ তাদের আমরা স্মরণ করতে চাই। পাঠকদের কারণেই আমরা এখনো সত্য লিখে যাওয়ার সাহস পাচ্ছি। এ ধারা অব্যাহত রাখতে চাই।

রুহুল আমিন গাজী বলেন, ‘সত্যের সঙ্গে প্রতিদিন’ এই স্লোগান নিয়ে নয়া দিগন্ত নানা নীতিমালা ও আইনের বেড়াজালে আবদ্ধ থেকেও যেভাবে গণতন্ত্রের পক্ষে, মানুষের মৌলিক অধিকারের পক্ষে কাজ করে যাচ্ছে সত্যি তা অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।

শওকত মাহমুদ বলেন, নয়া দিগন্ত চ্যালেঞ্জ নিয়ে সত্য লিখে যাচ্ছে। যত প্রতিবন্ধকতাই আসুক এ ধারা অব্যাহত রাখতে হবে। দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করে যেতে হবে।

এরপর দিনের বিভিন্ন সময়ে নয়া দিগন্তকে শুভেচ্ছা জানাতে ছুটে আসেন। রাত ৮টায় নয়া দিগন্তকে শুভেচ্ছা জানাতে হাজির হয়ে ছিলেন নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না। তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে গণমাধ্যম গুলোর কথা বলবার ক্ষমতা সীমিত করা হয়ে পড়েছে। কারণ দেশে গণতন্ত্র নেই, কথা বলার স্বাধীনতা নেই, লেখার স্বাধীনতা নেই। সরকারের বিধি নিয়েধ রয়েছে। নয়া দিগন্ত এই সমস্ত বিধি নিষেধের মধ্যেও যতেষ্ট সাহসী ভূমিকা রাখছে। পাঠক হিসেবে এটা আমাকে অনুপ্রাণিত করে। আমি মনে করি সারা দেশের গণমাধ্যমেরই এরকম ভূমিকা পালন করা উচিত। ১৬তম বর্ষে পদার্পন উপলক্ষ্যে আমি নয়া দিগন্তকে অভিনন্দন জানাই।

অনুষ্ঠানস্থলে আসতে না পারায় ফোনেও শুভেচ্ছা জানান অনেকে।

বিএনপি মহাসচিবের শুভেচ্ছা : নয়া দিগন্তের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। নয়া দিগন্ত সম্পাদক আলমগীর মহিউদ্দিনকে ফোনে তিনি এই শুভেচ্ছা জানান। গুরুত্বপূর্ণ কাজে ব্যস্ত থাকায় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে না পেরে বিএনপি মহাসচিব দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, নয়া দিগন্ত সত্য প্রকাশে আপসহীন। নানামুখী চ্যালেঞ্জ উপেক্ষা করে পত্রিকাটি তার নিরপেক্ষতা বজায় রেখেছে। আগামী দিনেও তিনি নয়া দিগন্তের সাফল্য কামনা করেন।

রুহুল কবির রিজভীর শুভেচ্ছা : নয়া দিগন্তের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। অনিবার্য কারণে তিনি শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে না পেরে মোবাইলে জানান, নয়া দিগন্ত হচ্ছে আলোকবার্তা। আজকে দেশের চলমান দুঃসময়ে যখন কেউ কথা বলতে পারে না, জনগণ কথা বলার জায়গা পায় না সে সময় নয়া দিগন্তে কিছুটা হলেও জায়গা পাওয়া যায়। আমি নয়া দিগন্তের ১৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই দিনে এর উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করছি।

কার্যালয়ে শুভেচ্ছা জানাতে এসে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান বলেন, নয়া দিগন্ত যে সত্যের সাথে চলার অঙ্গীকার করে পথচলা শুরু করেছিল, সেটি ছিল খুবই কঠিন একটি সিদ্ধান্ত। কারণ সত্যের সাথে পথ চলতে গেলে নানান বাধা-বিপত্তি ডিঙিয়ে এগিয়ে চলতে হয়। আমি নয়া দিগন্তের সাংবাদিক ও কর্মকর্তাদের অভিনন্দন জানাই, কারণ তারা খুব সফলভাবেই সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে এগিয়ে চলেছেন।

বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, জাতিগতভাবে যে সঙ্কটময় পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে আমরা চলছি, সেই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে গণমাধ্যমের বড় ভূমিকা থাকতে পারে। আমি আশা করি নয়া দিগন্ত সেখানে নিজের অবস্থান থেকে জাতির জন্য নতুন দিগন্ত উন্মোচনে ভূমিকা রাখবে।

ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আবু জাফর সূর্য বলেন, নয়া দিগন্ত শতভাগ পেশাদারিত্বের সাথে কাজ করে চলেছে। নয়া দিগন্ত মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করে আগামী দিনে সামনের দিকে এগিয়ে যাবে এই প্রত্যাশাই আজকের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে থাকবে। আমরা আশা করছি পত্রিকাটি পাঠকদের চাহিদা পূরণ করে সামনের দিকে আরো এগিয়ে যাবে।

নয়া দিগন্তের কার্যালয়ে এসে ফুল দিয়ে অন্যদের মধ্যে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সুপ্রিম কোর্ট বারের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান ও কৃষকদলের আহ্বায়ক শামসুজ্জামান দুদু, বিএনপির চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ^াস, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, হাবিব উন নবী খান সোহেল, শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক ও ঢাবি সাদা দলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, স্বনির্ভরবিষয়ক সম্পাদক শিরিন সুলতানা, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম আজাদ, সহ-শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক হেলেন জেরিন খান, নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, কেন্দ্রীয় নেত্রী অ্যাডভোকেট সিমকি ইসলাম, শ্রমিক দলের সভাপতি মো: আনোয়ার হোসাইন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জু, বিআইডব্লিউটিসি এমপ্লয়ীজ ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মো: আলাউদ্দীন, জাতীয় দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদা, কৃষক দলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মো: মাইনুল ইসলাম, বিএনপির চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শামসুদ্দিন দিদার, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) সভাপতি অধ্যাপক ডা: হারুন আল রশিদ, সিনিয়র সহসভাপতি এম এ সেলিম, সাংগঠনিক সম্পাদক খালেকুজ্জামান দীপু, মৎস্যজীবী দলের নাদিম চৌধুরী, যুবদল নেতা এস এম মিজানুর রহমান, স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মো: হারুন-অর-রশিদ, ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসান, জামায়াতে ইসলামীর প্রচার সেক্রেটারি অধ্যাপক তাসনীম আলম, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন, ঢাকা দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ, সহকারী সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট হেলাল উদ্দিন, মতিঝিল থানা আমির সিরাজুল হক, মজলিসে শূরা সদস্য আশরাফুল আলম ইমন, ঢাবির সাবেক ভিসি ড. আনোয়ারুল্লাহ চৌধুরী, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা: জাফরুল্লাহ চৌধুরী, ডিইউজের সাবেক সভাপতি কবি আবদুল হাই শিকদার, সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম প্রধান, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি ইলিয়াস হোসেন, সাধারণ সম্পাদক কবির আহমদ খান, তথ্য ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক আবদুল হাই তুহিন, আপ্যায়ন সম্পাদক এইচ এম আকতার, নির্বাহী সদস্য খালিদ সাইফুল্লাহ, রাশেদুল হক, জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ঢাকা-৪ আসনের এমপি সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) মোস্তফা জামাল হায়দার, প্রেসিডিয়াম সদস্য আহসান হাবিব লিংকন, প্রেসিডিয়াম সদস্য জাফর উল্লাহ খান, হেফাজতে ইসলামের ঢাকা মহানগর সভাপতি ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মহাসচিব আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমী, জমিয়ত নেতা মাওলানা ফজলুল করিম কাসেমী, মাওলানা নিজামউদ্দিন, মাওলানা জয়নাল আবদীন, মুফতি মনির হোসেন, মাওলানা মুনির আহমদ, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের, যুগ্ম মহাসচিব আহমদ আলী কাসেমী, অফিস সম্পাদক আবদুল জলিল, ঢাকা মহানগর সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আজিজুল হক, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা জালাল উদ্দিন আহমদ, আতাউল্লাহ আমিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুর রহমান হেলাল, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের মহাসচিব কাজী আবুল খায়ের, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা: মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট ফারুক রহমান, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান, ইসলামী ছাত্রশিবিরের প্রকাশনা সম্পাদক রাজিবুর রহমান পলাশ, ছাত্রমিশন সভাপতি সৈয়দ মু. মিলন, সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম, জাগপার ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আসাদুর রহমান খান, ন্যাশনাল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির (এনডিপি) চেয়ারম্যান কারী মো: আবু তাহের, সহসভাপতি মুজিবুর রহমান, খেলাফত আন্দোলনের মহাসচিব মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজী, নায়েবে আমির মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী, ইসলামী আন্দোলনের ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ আমির ইমতিয়াজ আলম, আহমদ আবদুল কাইয়ুম, শহিদুল ইসলাম কবির, ইলিয়াস হোসেন, বাংলাদেশ নেজামে ইসলামী পার্টির আমির মাওলানা সরওয়ার কামাল আজিজি ও মহাসচিব মুসা বিন ইজহার, ওয়ারী থানা আওয়ামী লীগ সভাপতি চৌধুরী আশিকুর রহমান লাভলু, বাংলাদেশ ছাত্র মজলিসের সভাপতি মনসুরুল আলম মনসুর, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির অতিরিক্ত মহাসচিব জাফর আহম্মদ জয়, ঐক্যফ্রন্টের দফতর প্রধান জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু, সুশীল ফোরামের জাহিদ হোসেন প্রমুখ।

এ ছাড়া বিভিন্ন সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সংবাদপত্র এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হারুন অর রশীদ, সাধারণ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক, ঢাকা সংবাদপত্র হকার্স সমিতি, সংবাদপত্র হকার্স কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক হাজী শাহাবুদ্দিন, বসুন্ধরা গ্রুপ, ওয়ালটন, রেটিনা, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ ইসলামিক ইউনিভার্সিটি, প্রাণ আর এফ এল গ্রুপ, জনতা ব্যাংক লিমিটেড, প্রাইম ব্যাংক লিমিটেড, ঢাকা মহানগর শপিং কমপ্লেক্স মার্কেটের চেয়ারম্যান আবদুর রহমান, অলিম্পিক, সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার ব্যাংক লিমিটেড, এসবিসি ব্যাংক, এ ওয়ান বাজার, এনসিসি ব্যাংক, সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, আল আরাফাহ ব্যাংক, এবি ব্যাংক, এড মুন ট্রেডিং করপোরেশন, নতুন ধরা, জিয়া নাগরিক ফোরাম, দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলন, আঞ্জুমানে মাইনিয়া মাইজভাণ্ডার, ইন্টারন্যাশনাল লিটেরারি সোসাইটি, ছাত্র জমিয়ত, রেইজ আইটি, ইনার কালার, সারা অ্যাডভারটাইজিং প্রমুখ।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ