ঈদের আগে ৫ দফা দা‌বি মাংস ব্যবসায়ী সমিতির

Pub: Saturday, July 11, 2020 3:54 PM
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

ভারত, মিয়ানমারের গরু, মহিষ ও মাংস আমদানি নিষিদ্ধসহ ৫ দফা দাবি জা‌নি‌য়ে‌ছে বাংলাদেশ মাংস ব্যবসায়ী সমিতি ও ঢাকা মেট্রোপলিটন মাংস ব্যবসায়ী সমিতি।

শ‌নিবার (১১ জুলাই) ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়শনে এক সংবাদ স‌ম্মেল‌নে তারা এ দা‌বি জানায়।

তা‌দের দা‌বিগু‌লোহ‌লো- ভারত, মিয়ানমারের গরু, মহিষ, মাংস আমদানি নিষিদ্ধ কর‌তে হ‌বে। চামড়া শিল্পের সিইটিপি, রফতানির জন্য ছাড়পত্র, গাবতলী গরুর হাটের অতিরিক্ত খাজনা আদায় বন্ধ, মাংস শ্রমিকদের প্রশিক্ষণ ও কোরবানির কাঁচা চামড়ার মূল্য নির্ধারণ কর‌তে হ‌বে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মাংস ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি ফরিদ আহম্মেদ, মহাসচিব রবিউল আলম, ঢাকা মেট্রোপলিটন মাংস ব্যবসায়ী সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবদুস সালাম, সাধারণ সম্পাদক শামিম আহম্মেদ কোরেশী, বাংলাদেশ পশুর বর্জ্য সংগ্রহকারী মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সোহেল আহম্মেদ, বাংলাদেশ ডেইরী ফার্ম মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শাহ ইমরান প্রমুখ।

সংবাদ স‌ম্মেল‌নে তারা ব‌লেন, দেশীয় পশুপালন উন্নয়নের স্বার্থে ভারত ও মিয়ানমার থেকে গরু মহিষ ও মাংস আমদানী বন্ধ করতে হবে। ভারত ও মিয়ানমার গরু পাচার করে প্রতি বছর ৬০ হাজার কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ে যাচ্ছে। আমরা ১০ ও ২০ হাজার কোটি টাকা কৃষককে কৃষি ঋণের মাধ্যমে বরাদ্দ দিয়ে চরাঞ্চলগুলো পশু পালনের আওতায় আনতে পারলে মাংসের ও কোরবানি পশুর চাহিদা পূরণ করেও বিদেশে মাংস, হাড়, শিং, নাড়িভুড়ি, চামড়া রফতানি করে ৬০ থেকে ৮০ হাজার কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা আয় করতে পারবো। আস্তে আস্তে চরাঞ্চল, পাহাড়ি অঞ্চলগুলো পশু পালনের আওতায় আনতে পারলে বিশ্বকে আমরা সুস্বাদু মাংস উপহার দিতে পারবো।  ভারত ও মিয়ানমারে পশু পাচার বন্ধ করতে না পারলে দেশীয় পশু পালন উন্নয়ন ও সীমান্ত হত্যা বন্ধ করা যাবে না।

তারা অভিযোগ ক‌রে ব‌লেন, গরুর হাটের সরকার (ইজারাদারের) নিজস্ব আইন চলে চলছে, মাথায়বারী দিয়ে টাকা আদায় করবে, না পকেট কেটে নির্ধারন করবে ইজারাদারের ইচ্ছার উপর নির্ভর। শত শত অভিযোগ করে ও ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন ও উপজেলা কর্মকার্তাদের কাছ থেকে কোন আইনগত সহায়তা পাওয়া যায় নাই। তার উপর কোরবানির পশু হাট গুলো মাত্র তিন দিনের জন্য, জন নিরাপত্তার নামে আইনশৃংখলা বাহিনী গরু হাটের ইজারাদারের অবৈধ অর্থের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন। অত্যাচারিত হওয়া, অতিরিক্ত খাজনা দিয়ে ভোক্তা বিচারের আশা করেন না দীর্ঘ সূত্রতার জন্য। 

বক্তারা বলেন, কোরবানির হাটের জন্য পুলিশ, র‌্যাব, ভ্রাম্যমান আদালত ও ভোক্তা অধিকারকে ক্ষমতা দেওয়া হয় নাই, গরুর হাটের ইজারাদারকে জবাব দিহিতায় আনার জন্য একমাত্র সম্পতি বিভাগের। টাকার বিনিময় অথবা ভয়ে হউক, স্বাধীনতার ৫০ বছরে একটি গরু হাটের ইজারাদারকে জবাবদিহিতায় আনা হয় নাই। ৪৫ বছরের ইতিহাসে চলতি বছর রমজানে মাংসের মূল্য নিধারণ করা যায় নাই, মেয়রদের অসহযোগিতা ও গরুর হাটের ইজারাদারে অতিরিক্ত খাজনা আদায়ের জন্য।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ