কে এই সাহেদ করিম

Pub: Friday, July 10, 2020 8:48 PM
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

দেশের এখন অন্যতম আলোচনার নাম ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতা সাহেদ। রিজেন্ট গ্রুপ ও রিজেন্ট হাসপাতালের এই চেয়ারম্যানের পুরো নাম মো. সাহেদের পুরো নাম মো. সাহেদ করিম। 

করোনা ভাইরাসের নমুনা টেস্ট না করেই করোনা ভূয়া রিপোর্ট দেয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত সাহেদ। বিষয়টি হাতেনাতে ধরে র‌্যাব এই হাসপাতালের দুটি শাখাই সিলগালা করেছে। আর এরই ফাঁকে উঠে আসছে সাহেদের প্রতারণা নিয়ে নানা তথ্য। 

সাহেদের জন্ম সাতক্ষীরা জেলায়। তার জন্ম সাতক্ষীরায় হলেও এ জেলার খুব কম মানুষই তাকে চেনেন। অবশ্য 
 তার পূর্বপুরুষ ভারতীয়। দেশভাগের সময় তারা দাদা বাংলাদেশে আসে। সাহেদের দাদা ও বাবা-মা ছিলেন এলাকার পরিচিত মুখ। সাতক্ষীরায় একটা সুপার মার্কেট করেন। মা ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।

সাহেদ সাতক্ষীরা শহরের কামালনগরের বাসিন্দা। তার বাবা সিরাজুল করিমের একমাত্র ছেলে। ১৯৯৯ সালে সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চবিদ্যালয় থেকে থেকে এসএসসি পাস করেন। এরপর থেকে ঢাকায় চলে যান। 

তার বাবা সিরাজুল করিম ও মা শাফিয়া করিম এলাকার পরিচিত মানুষ ছিলেন। সাতক্ষীরাতেই কোটি টাকা সম্পদের মালিক ছিলেন তারা। করিম সুপার মার্কেট নামে তাদের একটা মার্কেট ছিল শহরেই। ২০০৮ সালের দিকে এই সুপার মার্কেট, বাড়িসহ সমুদয় সম্পদ বিক্রি করে দিয়ে স্থায়ীভাবে ঢাকায় চলে যান তারা।

তার মা শাফিয়া করিম ছিলেন স্থানীয় একটি স্কুলের শিক্ষক এবং আওয়ামী লীগের নেতা। মূলত মায়ের সেই পরিচয়কে কাজে লাগিয়ে ঢাকার রাজনীতি ও পরিচিত মহলে জায়গা তৈরি করেন সাহেদ। কারণ, স্থানীয় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সাহেদকে কেউ কখনও অংশ নিতে দেখেনি। পদ বাগিয়ে নেয় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক কমিটিতে। 

ভারত থেকে দেশ বিভাগের সময় সাতক্ষীরা এসে করিম বংশ প্রতিষ্ঠা করেন সাহেদের দাদা আবদুল করিম। ‘৭২ থেকে ‘৭৪ সাল পর্যন্ত যশোর জেলার তথ্য অফিসার ছিলেন তিনি। লেখাপড়া জানা উচ্চ বংশ ছিল তাদের। একসময় তাদের করিম সুপার মার্কেট নামে একটি মার্কেটও ছিল এই শহরে। যদিও পরে বিক্রি করে ঢাকায় চলে যান। সাতক্ষীরায় তাদের কোনও আত্মীয়-স্বজন নেই এবং কোনও সম্পত্তি নেই। যা ছিল সব বিক্রি করে চলে গেছে।

উল্লেখ্য,  সোমবার (৬ জুলাই) রিজেন্ট হাসপাতালের উত্তরা ও মিরপুর শাখায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন র‍্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম। অভিযানে ভুয়া করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট, করোনা চিকিৎসার নামে রোগীদের কাছ থেকে অর্থ আদায়সহ নানা অনিয়ম উঠে আসে।

এরপর আওয়ামী লীগের এই নেতার প্রতারণার ভিন্ন ভিন্ন রুপ বেড়িয়ে আসছে। যা দেশ ছেড়ে বিদেশেও আলোচনা-সমালোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ