• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • sheershakhoboronline@gmail.com

চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মুছাব্বির হত্যাকাণ্ড: ডিবি

প্রকাশ: শনিবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬ ২:৫১
আপডেট: শনিবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬ ২:৫১

9600023 2

চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মুছাব্বির হত্যাকাণ্ড: ডিবি

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেছেন, কারওয়ান বাজার এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করেই স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আজিজুর রহমান মুছাব্বিরকে হত্যা করা হয়েছে।

শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর মিন্টু রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) প্রধান এসব তথ্য জানান।

ডিএমপি অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেন, কারওয়ান বাজার এলাকায় প্রকাশ্যে ও গোপনে চাঁদা আদায়ের সঙ্গে জড়িত আট থেকে নয়টি সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে। চাঁদার টাকা নিয়ে দ্বন্দ্বের জের ধরে দিলীপ ওরফে বিনাশের নির্দেশে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। এসব সিন্ডিকেট ভেঙে দিতে ডিবি কাজ করছে এবং শিগগিরই অভিযান শুরু করা হবে বলেও জানান তিনি।

ডিবি প্রধান বলেন, স্বেচ্ছাসেবক দল ঢাকা উত্তর সিটি ইউনিটের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুছাব্বিরকে গত ৭ জানুয়ারি কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউয়ের পাশের একটি গলিতে গুলি করে হত্যা করা হয়। পরদিন তার স্ত্রী তেজগাঁও থানায় চার থেকে পাঁচজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

তিনি বলেন, এই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) নরসিংদীর মাধবদী পৌরসভার মনোহরদী থানা এলাকার শাহজাহান খলিফার ভাড়া বাড়ি থেকে দুইটি বিদেশি পিস্তল, দুইটি ম্যাগাজিন, ১২ রাউন্ড গুলিসহ হত্যাকাণ্ডে অংশগ্রহণকারী অন্যতম শ্যুটার মো. রহিমকে গ্রেপ্তার করা হয়। এই বিষয়ে মাধবদী থানায় অস্ত্র আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

ব্রিফিংয়ে হত্যাকাণ্ডের কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে ডিবি প্রধান বলেন, কারওয়ান বাজার একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও কাঁচাবাজারের বড় জায়গা। সেখানের দখল বাণিজ্য এবং চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে এই হত্যাকাণ্ড হয়েছে বলে আমরা প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি।

দলীয় লোকজনের সঙ্গে চাঁদাবাজি নিয়ে বিরোধ ছিল কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, চাঁদাবাজদের কোনো দল নেই। কারওয়ান বাজারে বিভিন্ন নামে ৮-৯টি গ্রুপ চাঁদা তোলে। এই সিন্ডিকেটটি আমরা ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা করছি। আমরা অচিরেই এটা নিয়ে অপারেশন চালাব।

এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে বিনাস নামের একজনের নাম পাওয়া যাচ্ছে। যিনি দেশের বাইরে থাকে। তার নামেও চাঁদা তোলা হয়। এই বিনাসের অর্থায়নে মোছাব্বির হত্যাকাণ্ড হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, দিলীপ ওরফে বিনাস এমন একটি নাম এসেছে। আমরা প্রাথমিকভাবে তার সংশ্লিষ্টতা পেয়েছি। যেই আসামিগুলো ধরা হয়েছে, তাদের প্রত্যেকের সঙ্গে তার সংশ্লিষ্টতা ছিল। একজন আসামি ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছে। ওদের কথায়ও উঠে এসেছে, দাদা আছে, দাদা দেখবে। আমরা প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি, তার নির্দেশেই এই হত্যাকাণ্ড হয়েছে।

আরেক প্রশ্নের জবাবে ডিবি প্রধান শফিকুল ইসলাম বলেন, গ্রেপ্তারকৃতরা ভাড়াটে, আবার তারাও কারওয়ান বাজারে চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত এমন তথ্য আমাদের কাছে এসেছে। সিসিটিভি ক্যামেরায় দেখা গেছে, রহিম ও জিন্নাত দৌড়ে যাচ্ছে। তারা দুইজনই গুলি করেছে।

বিনাস কে? জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিনাস আন্ডারওয়ার্ল্ডের একজন সন্ত্রাসী। তিনি দেশের বাইরে আছেন। তবে তার রাজনৈতিক পরিচয় জানতে পারিনি।

হত্যাকাণ্ডে অংশগ্রহণকারীদের রাজনৈতিক পরিচয় সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি মনে করি সন্ত্রাসীদের কোনো দল নেই। তারা নিজেদের পরিচয়ে সব জায়গায় যেতে পারে।

তিনি আর বলেন, সামনে নির্বাচন। এই মুহূর্তে দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য অনেকে তৎপর আছে। এই মাসে আমরা সর্বাধিক সংখ্যক প্রায় ১৩টির মতো আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করেছি। অন্যান্য সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে আমরা আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করছি।

এর আগে, ১১ জানুয়ারি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে জিন্নাত (২৪), আবদুল কাদির (২৮), মো. রিয়াজ (৩১) ও মো. বিলালকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ। সর্বশেষ গতকাল নরসিংদী থেকে আরেকজন কথিত শুটার রহিমকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ নিয়ে এ ঘটনায় মোট পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হলো।


সর্বশেষ সংবাদ

 

রাজনীতি-এর আরও সংবাদ


সম্পাদক: আব্দুল আজিজ

উপদেষ্টা সম্পাদক: সায়েক এম রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: রাশেদুর রহমান (রকেস )
পরিচালক: মোঃ দেলোয়ার হোসেন আহাদ

ইংলান্ড অফিস: 13 Wimpole Court, Wimpole Street, Portsmouth, PO1 1QT, United Kingdom
বাংলাদেশ অফিস: রুম-১৪০৫ (লিফট-১৩), শাহ আলি প্লাজা, মিরপুর ১০, ঢাকা-১২১৬
ই-মেইল: sheershakhoboronline@gmail.com


WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com