জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবিঃ সংগৃহীত
দেশে চার স্তরে জলাতঙ্কের (অ্যান্টি-র্যাবিস) ভ্যাকসিন মজুত রয়েছে জানিয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, ভ্যাকসিনের কোনো সংকট নেই এবং আশ্বিন মাসে কুকুরে কামড়ানোর ঘটনা বেড়ে গেলেও ভ্যাকসিনের ঘাটতি হবে না।
বুধবার (১০ জুন) জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে এসব কথা বলেন তিনি।
মন্ত্রী জানান, উপজেলা, জেলা, কেন্দ্রীয় মজুত ও জরুরি ক্রয়সহ চার স্তরের ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘ইতোমধ্যে সারা দেশে ১ লাখ ৩৯ হাজার ৬৭৫ ভায়াল বা ৫ লাখ ৫৮ হাজার ৭০০ ডোজ অ্যান্টি-র্যাবিস ভ্যাকসিন সরবরাহ করা হয়েছে। কোনো উপজেলায় মজুত শেষ হয়ে গেলে পাশের উপজেলা, পরে জেলা এবং প্রয়োজন হলে কেন্দ্রীয় মেডিকেল স্টোর ডিপো (সিএমএসডি) থেকে সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে। জরুরি পরিস্থিতিতে জেলা প্রশাসকদেরও তাৎক্ষণিকভাবে ভ্যাকসিন কেনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’
অন্যদিকে বিরোধীদলীয় সদস্য নুরুন্নেসা সিদ্দিকার প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, ২০২৮ সালের মধ্যে দেশের সব নাগরিককে ই-হেলথ কার্ডের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। ডিজিটাল হেলথ আইডির মাধ্যমে জাতীয় স্বাস্থ্য ডাটাবেজ গড়ে তোলা হবে, যা চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা সহজ করা, অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমানো এবং রোগীবান্ধব স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।
এদিকে মহিলা ও শিশুবিষয়কমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন সংসদে জানান, নারী ও শিশু নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের জন্য বর্তমানে ১৫টি ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার (ওসিসি) চালু রয়েছে। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী দেশের ৩৭টি সরকারি মেডিকেল কলেজে এ সেবা সম্প্রসারণ করা হবে। পাশাপাশি ৯৫টি কুইক রেসপন্স টিমের কার্যক্রম আরও জোরদার করে নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের দ্রুত চিকিৎসা, আইনি সহায়তা ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করা হবে।












