স্বর্ণালঙ্কারের বদলে ইমিটেশন দিয়ে প্যাকেট করে দিতেন নাসির

Pub: বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ৬, ২০১৮ ১০:১৩ অপরাহ্ণ   |   Upd: বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ৬, ২০১৮ ১০:১৩ অপরাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

সিঙ্গাপুর থেকে কোনও প্রবাসী বাঙালী দামী কোনও জিনিস পাঠালে সেই জিনিসের বদলে দেশে আসার আগে অভিনব কায়দায় অন্য জিনিস দিয়ে দিতেন নাসির উদ্দিন পারভেজ। আর এভাবেই তিনি দীর্ঘদিন ধরে অভিনব কায়দা এমন প্রতারণা করে আসছিলেন।

নিজেকে আড়াল করার জন্য পারভেজ তার আসল ঠিকানা বদলে ভুয়া ঠিকানায় পার্সপোর্টও তৈরি করেছিলেন। আর এ কাজে তাকে সহায়তা করে দুই জন দালাল এবং পাসপোর্ট অফিসের এক কর্মচারী।

ভুয়া ঠিকানায় পাসপোর্ট তৈরি করে প্রতারণা এবং ভুয়া পাসপোর্ট তৈরির সংঘবদ্ধ চক্রের দুই সদস্যসহ পারভেজকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ইভেস্টিগেশন অব ব্যুরো (পিবিআই)।

বুধবার (৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে পাবনা জেলার আতাইকুলার বনগ্রাম বাজার এলাকা থেকে আটক করে পিবিআইয়ের ঢাকা মেট্রো টিমের সদস্যরা। গ্রেফতার অন্য দু’জন হলেন- সাইদুল ইসলাম (২৮) ও  আব্দুর রব (৩৮)।

বৃহস্পতিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পিবিআই ঢাকা মেট্রো’র বিশেষ পুলিশ সুপার আবুল কালাম আজাদ।

তিনি জানান, টাঙ্গাইলের নাসির উদ্দিন পারভেজ নামের এক ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে সিঙ্গাপুরে ছিলেন। তিনি বিভিন্নভাবে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করতেন। বছর খানেক আগে দেশে আসার পর তার পার্সপোর্টের ঠিকানা পরিবর্তনের চিন্তা করেন। মূলত পারভেজের উদ্দেশ্য ছিল মানুষের সাথে প্রতারণা করা। তারই অংশ হিসেবে পাসপোর্টের অফিসে গিয়ে সাইদুল, আব্দুর রব ও পাবনা পাসপোর্ট অফিসের সুমন নামের একজনের সাথে পরিচিত হন। তাদেরকে তিনি দেড় লাখ টাকা দিয়ে তার পাসপোর্টের স্থায়ী ঠিকানা পাবনা করে নেন।

পিবিআই কর্মকর্তা বলেন, সিঙ্গাপুরে পারভেজকে অনেকে দেশে পাঠানোর জন্য বিভিন্ন মালামাল (সোনার অলঙ্কার, মোবাইল, ক্যামেরা, ল্যাপটপ ইত্যাদি) দিতো। সে সোনার অলঙ্কারগুলো পরিবর্তন করে ইমিটেশন দিয়ে প্যাকেট করে দেশে এসে প্রবাসীদের আত্মীয়-স্বজনদের কাছে দিয়ে দিতো। এভাবে সে দীর্ঘদিন ধরে এমন প্রতারণা করে আসছিল। এমন ঘটনায় গত ৪ সেপ্টেম্বর পারভেজকে দুটি পাসপোর্টসহ গ্রেফতার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সাইদুল ও আব্দুর রবকে পাবনা থেকে পাঁচটি পাসপোর্টসহ গ্রেফতার করা হয়।

তিনি আরও জানান, মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে পাবনা জেলার পাসপোর্ট অফিসের কর্মচারী সুমনসহ অন্যান্য সহযোগিরা জেনে শুনে তার ভুয়া ঠিকানায় পাসপোর্ট করে দেয়। তারা জানতো পারভেজের একটি সঠিক ডিজিটাল পাসপোর্ট (যার মেয়াদ ২০২০ সাল পর্যন্ত) আছে। তা থাকা সত্ত্বেও প্রতারণার কাজে ব্যবহারের জন্য নতুন পাসপোর্ট তৈরিতে ফটোগ্রাফ ও ফিঙ্গারপ্রিন্ট না নিয়ে ঠিকানা পরিবর্তন করে অবিকল একটি পাসপোর্ট তৈরি করে দেয়।

ভুয়া ঠিকানায় পাসপোর্ট তৈরির সঙ্গে জড়িত অন্যান্য সহযোগীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলেও জানিয়েছেন পিবিআই ঢাকা মেট্রো’র বিশেষ পুলিশ সুপার আবুল কালাম আজাদ।

Print

শীর্ষ খবর/আ আ

সংবাদটি পড়া হয়েছে 1042 বার

আজকে

  • ১১ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
  • ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং
  • ১৫ই মুহাররম, ১৪৪০ হিজরী
 

সোশ্যাল নেটওয়ার্ক

 
 
 
 
 
সেপ্টেম্বর ২০১৮
রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
« আগষ্ট    
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০  
 
 
 
 
WP Facebook Auto Publish Powered By : XYZScripts.com