fbpx
 

দুদকের বেঁধে দেয়া টাকায় নির্বাচন হবে না’

Pub: রবিবার, ডিসেম্বর ৯, ২০১৮ ৯:৪৬ অপরাহ্ণ   |   Upd: রবিবার, ডিসেম্বর ৯, ২০১৮ ৯:৪৬ অপরাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমান বলেছেন, ‘সুনীতির পরিপন্থীই হলো দুর্নীতি। দেশের কিছু শিক্ষিত সমাজ দুর্নীতি করে। দেশের কৃষক সমাজ দুর্নীতি করতে যায় না। কারণ, তারা এসব বোঝে না।’ তিনি বলেন, ‘নির্বাচনে অবশ্যই টাকার খেলা হবে, এতে কোন সন্দেহ নেই। দুর্নীতি দমন কমিশনের বেঁধে দেয়া ওই টাকায় কোন নির্বাচন হবে না। এমনকি ঐ টাকায় প্রার্থীরা এলাকায় ঘুরতেই ফুঁরিয়ে যাবে। এতো অল্প টাকায় প্রার্থীদের নির্বাচনী খরচ কুলিয়ে ওঠা কোনভাবেই সম্ভব নয়।’

‘আন্তর্জাতিক দুর্নীতি প্রতিরোধ দিবস-২০১৮’ উপলক্ষে জাতীয় প্রেস ক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে রবিবার (৭ ডিসেম্বর) ‘নির্বাচনের গর্জন দুর্নীতি বর্জন’ শীর্ষক এক সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্রের নামে কেউ যেন মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করতে না পারে। আগামী নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনার কোন বিকল্প নেই। তবে দুর্নীতিবাজ মন্ত্রী-আমলাদের আমরা আর সংসদে দেখতে চাই না।’

প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘আপনি মুক্তিযুদ্ধের সেই মানুষগুলোকে কাছে নিন এবং তাদের উপযুক্ত স্থানে বসান, যারা আপনার সবসময় মঙ্গল কামনা করেন।’ তিনি বলেন, ‘দুর্নীতি শুধু সরকারী পর্যায়েই হয় না, এটা সবখানেই হয়ে থাকে। তবে এক্ষেত্রে একটু বেশি হয়। দেশে দুর্নীতি দমন করতে পারলে আমাদের জীবন মান অনেক ‍উপরে উঠে আসবে।’

অনুষ্ঠানে অন্যান্য বক্তারা বলেন, ‘নির্বাচনে যাতে অসৎ ব্যক্তিরা না আসতে পারেন তার প্রয়াস চালাতে হবে।’ দেশে দারিদ্রের হার কমেছে উল্লেখ করে তারা বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার দরিদ্র বান্ধব। এই রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় এলে দেশে কখনো দারিদ্রতা থাকে না। আগামীতে এই সরকারকে ক্ষমতায় আনার জন্য সকলকে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমুন্নত রাখাতে হবে।’

তারা আরও বলেন, ‘দুর্নীতি নির্মূল না করতে পারলেও সহায়ক পর্যায়ে নামিয়ে নিয়ে আসা সম্ভব যদি সর্বস্তরের মানুষ সচেতন হয়। দুদকের একার পক্ষে কখনই দুর্র্নীতি প্রতিরোধ করা যাবে না। এর জন্য সামাজিকভাবে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিতে হবে। সমাজ থেকে দুর্নীতি নির্মূলের জন্য আগামী নির্বাচনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসীদের না নিয়ে আসতে পারলে সেই অন্ধকারেই থেকে যাবে দেশ। তাই সবাই মিলে যেন মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে নির্বাচিত করতে পারি সেই চেষ্টায় অব্যাহত থাকবে বলে বক্তারা দৃঢ় কণ্ঠে উচ্চারণ করেন।’

এছাড়াও অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন দুর্নীতি নিবারণ সহায়ক সংস্থার সভাপতি বিচারপতি শিকদার মোঃ মকবুল হক, দুর্নীতি দমন কমিশনের মহাপরিচালক মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, সাবেক নির্বাচন কমিশনার ব্রি.জে. (অব) সাখাওয়াত হোসেন প্রমুখ।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ