fbpx
 

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে ইসির বৈঠক বৃহস্পতিবার

Pub: বুধবার, ডিসেম্বর ১২, ২০১৮ ১১:০৪ অপরাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বৈঠকে বসতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

বৃহস্পতিবার (১৩ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের অডিটরিয়ামে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদার সভাপতিত্বে বৈঠকটি শুরু হবে।

বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পুলিশ, বিজিবি, র‌্যাব, কোস্টগার্ড, আনসার ভিডিপিসহ সংশ্লিষ্ট বাহিনী ও সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ থাকবে। ভোটে সেনা মোতায়েন রাখার সিদ্ধান্ত হওয়ায় এ বৈঠকে সশস্ত্রবাহিনী বিভাগের শীর্ষ কর্মকর্তাও থাকবেন।

৬৬ জন রিটার্নিং কর্মকর্তা এবং স্থানীয় পর্যায়ের পুলিশ ও প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারাও থাকবেন এ বৈঠকে।

ইসির যুগ্মসচিব ফরহাদ আহাম্মদ খান সংশ্লিষ্টদের কাছে এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠিয়েছেন।

এ বৈঠকের পরই মাঠে আইন শৃঙ্খলাবাহিনী মোতায়েন, কয় দিন-কীভাবে থাকবে তা নির্ধারণ করা হবে। এবার প্রথমবারের মতো গ্রামপুলিশ সদস্যদের ভোটকেন্দ্রের রাখা হবে।

একাদশ সংসদ নির্বাচনে দেশের তিনশ’ আসনে ৪০ হাজার ১৮৩টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। এবারের নির্বাচনে সাধারণ এলাকার ভোট কেন্দ্রের পাহারায় একজন পুলিশসহ ১৪জন সদস্য, মেট্রোপলিটন এলাকার ভোটকেন্দ্রে তিনজন পুলিশসহ ১৫ জন এবং দূর্গম ও উপকূলীয় এলাকার ভোটকেন্দ্রে দুইজন পুলিশসহ ১৪জন সদস্য মোতায়েনের পরিকল্পনা রয়েছে ইসির।

র‌্যাব, বিজিবি, কোস্টগার্ড ও আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের সদস্যরা মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে টহলে থাকবেন।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও আচরণ বিধি প্রতিপালনে দেড় হাজারের বেশি জুডিসিয়াল ও নির্বাহি ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে থাকবেন।
সবমিলিয়ে ভোটের মাঠের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ছয় লাখের বেশি সদস্য মাঠে নামছেন।

এবার ভোটের জন্য ৭০০ কোটি টাকা বরাদ্দ থাকায় এবার সিংহ ভাগই যাবে আইন শৃঙ্খলারক্ষায়। সেক্ষেত্রে ভোটের মাঠে তাদের অবস্থান বিবেচনা করেই অর্থ বরাদ্দ চূড়ান্ত হবে।

পরিকল্পনা অনুযায়ি, সশস্ত্রবাহিনীর সদস্যরা নির্বাচনী এলাকায় কতদিন থাকবে তাও আইন শৃঙ্খলা বৈঠকে চূড়ান্ত হবে। এছাড়া বিজিবি, কোস্টগার্ড, র‌্যাব ও আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ান সদস্যরা স্ট্রাইকিং ও মোবাইল টিম হিসেবে ২৬ ডিসেম্বর থেকে ১ জানুয়ারি মাঠে থাকবেন।

৬৪০জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ভোটের আগে-পরে চারদিন মাঠে থাকবেন। এ সময় নির্বাচনী অপরাধে সংক্ষিপ্ত বিচার করবেন।

ভোটকেন্দ্রে নিয়োজিত পুলিশ সদস্যরা ভোটগ্রহনের দুই দিন আগে, ভোটের দিন ও ভোটের পরের দিন পর্যন্ত মোট চার দিন মাঠে থাকবেন। আর আনসার সদস্যরা ভোটগ্রহণের তিন দিন আগে মাঠে নেমে থাকবেন পরের দিন পর্যন্ত।

আগামী ৩০ ডিসেম্বর সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহনের দিন ঠিক করেছে ইসি।

Hits: 2


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ