উত্তরা-আগারগাঁও পর্যন্ত ৩৩ ভাগ কাজ সম্পন্ন, ডিসেম্বরের মধ্যে উদ্বোধনের আশা

Pub: বুধবার, ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০১৯ ১:০১ পূর্বাহ্ণ   |   Upd: বুধবার, ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০১৯ ৯:১০ অপরাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

দেশি-বিদেশি হাজারো প্রকৌশলী-শ্রমিকের দিন-রাত পরিশ্রমে রাজধানীতে মাথা তুলতে শুরু করেছে মেট্রোরেল। উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত অংশে একের পর এক পিলার আর স্প্যান বসানোর কর্মযজ্ঞে দৃশ্যমান হচ্ছে দেশের প্রথম মেট্রোরেলের অবয়ব। চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে উত্তরা থেকে আগারগাঁও অংশে প্রথম ধাপে মেট্রোরেল চলাচল শুরু হবে বলে কর্তৃপক্ষ আশা করছে। ২০২০ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে আগারগাঁও থেকে মতিঝিল দ্বিতীয় ধাপে পুরোদমে মেট্রোরেল চালু করার বিষয়ে আশাবাদী প্রকল্প বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড।

লাইন নির্মাণের পাশাপাশি চূড়ান্ত করা হয়েছে মেট্রোরেলের লোকোমোটিভের রেপ্লিকা কোচের ডিজাইন। কোচ নির্মাণ করতে জাপানের কাওয়াসাকি-মিতসুবিশি কনসোর্টিয়াম নামে একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তিও হয়েছে। কাজের অগ্রগতি দেখতে জাপান গেছেন ডিএমটিসিএল’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক এমএএন সিদ্দিক, প্রকল্প পরিচালক মো. আফতাবউদ্দিন তালুকদার ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একজন প্রতিনিধিসহ ছয় সদস্যের একটি দল। জাপান সফরে রেপ্লিকা কোচের নকশা দেখে সফরকারী দলের ইতিবাচক ইঙ্গিত পেলেই ওই কারখানায় শুরু হবে কোচের নির্মাণ কাজ।

চলতি বছরের মধ্যে দেশে আসবে ছয় সেট কোচ। নানা দুর্ভোগের মধ্যে প্রথম ধাপের অংশে স্থানে স্থানে পিলারের উপর ভায়াডাক্ট বসানোয় দৃশ্যমান হচ্ছে মেট্রোরেলের কাঠামো। এতে নানা দুর্ভোগ নিয়ে পথচলা নগরবাসীর সামনে আশা জাগছে আরামদায়ক মেট্রো যাত্রার।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, উত্তরা থেকে আগারগাঁও অংশে কাজের সার্বিক অগ্রগতি ৩৩.৫৭ ভাগ। আর উত্তরা থেকে মতিঝিল পুরো রুটের কাজের অগ্রগতি হয়েছে শতকরা ২০.৯৫ শতাংশ।

ডিএমটিসিএল সূত্রে জানা গেছে, এমআরটি-৬ নামে মেট্রোরেলের প্রকল্পটি ফাস্ট ট্র্যাক বা অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্প হিসেবে দ্রুতগতিতে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। উত্তরা তৃতীয় পর্ব থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক পর্যন্ত ২০.১ কিলোমিটারের বাংলাদেশের প্রথম মেট্রোরেল নির্মাণ কাজ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে এগিয়ে চলেছে। সম্পূর্ণ এলিভেটেড এবং বিদ্যুৎ চালিত এমআরটি-৬ উভয় পাশের চলাচলে ঘণ্টায় ৬০ হাজার যাত্রী পরিবহন করতে পারবে। উত্তরা-মতিঝিল রুটে মোট ১৬টি স্টেশনের প্রতিটিতে ৪৫ সেকেন্ডের জন্য থামবে রেল।

উত্তরা নর্থ স্টেশন থেকে শুরু করে উত্তরা সেন্টার, উত্তরা দক্ষিণ, পল্লবী, মিরপুর-১১, মিরপুর-১০, কাজিপাড়া, শেওড়াপাড়া, আগারগাঁও, বিজয় সরণি, ফার্মগেট, কাওরান বাজার, শাহবাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ সচিবালয় ও মতিঝিল স্টেশনগুলোতে উঠানামা করতে পারবেন যাত্রীরা। ডিএমটিসিএল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত পথ পাড়ি দিতে সময় লাগবে মাত্র ৩৮ মিনিট। আন্তর্জাতিক মানের ২৪ সেট মেট্রোরেল ট্রেন নিয়ে শুরু হবে এমআরটি লাইন-৬ এর যাত্রা। প্রতি সেটে প্রাথমিকভাবে ছয়টি করে কোচ থাকবে। পরে আরো দুইটি কোচ যোগ করে প্রতিটি ট্রেনে কোচের সংখ্যা ৮টিতে উন্নীত করা হবে। মেট্রোরেলের সুষ্ঠু পরিচালনা, রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নত সেবা নিশ্চিত করতে থাকবে অত্যাধুনিক অপারেশন কন্ট্রোল সেন্টার। যাত্রীদের চলাচল ও ব্যবহারের সুবিধায় মেট্রোরেলের স্টেশনগুলো হবে এলিভেটেড।

দোতলায় থাকবে টিকিট কাউন্টার ও অন্যান্য ব্যবস্থা। ট্রেনে চড়ার প্ল্যাটফরম থাকবে তিনতলায়। প্রত্যেকটি স্টেশনে লিফট, চলন্ত সিঁড়ি, সার্বক্ষণিক ক্লোজসার্কিট টেলিভিশন, ক্যামেরার পর্যবেক্ষণ, প্রবেশপথে স্বয়ংক্রিয়ভাবে টিকিট সংগ্রহের মেশিনসহ আন্তর্জাতিক মানের সব ধরনের ব্যবস্থা থাকবে প্রকল্পে। যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্টেশনের প্ল্যাটফরমে নিরাপত্তা বেষ্টনী বা ‘প্ল্যাটফরম স্ক্রিন ডোর’ স্থাপন করা হবে। নারী-পুরুষ, ছোট-বড়, প্রতিবন্ধীসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষ স্বাচ্ছন্দ্যে ও আরামদায়ক পরিবেশে মেট্রোরেলে যাতায়াতের সুযোগ পাবেন। পরিবেশবান্ধব মেট্রোরেলের কোচগুলো হবে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত, থাকবে সুবিন্যস্ত আসনব্যবস্থা, যাত্রা সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য সংবলিত ডিসপ্লে প্যানেলসহ নানা ব্যবস্থা। কোচের ভেতরের তাপমাত্রা হবে ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। হুইলচেয়ার ব্যবহারকারী যাত্রীদের জন্য প্রতিটি ট্রেনের কোচগুলোতে থাকবে নির্ধারিত স্থান। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে থাকবে নিজস্ব বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থাও। সড়কের বিভাজক বরাবর মাটি থেকে প্রায় ১৩ মিটার উপর দিয়ে নির্মিত এলিভেটেড মেট্রোরেলের কম্পন নিয়ন্ত্রণে থাকবে ফ্লোটিং স্ল্যাব ট্র্যাক ও বিরামহীন ওয়েল্ডেড রেল। দ্রুতগতিতে চলা ট্রেনের শব্দ নিয়ন্ত্রণের জন্য স্থাপন করা হবে নিরোধক দেয়াল।

এমন সব ব্যবস্থার কারণে মেট্রোরেলের রুটে অবস্থিত ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোকে সম্ভাব্য সব ধরনের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছে ডিএমটিসিএল কর্তৃপক্ষ। দিনের ব্যস্ততম সময়ে প্রতি সাড়ে চার মিনিট পরপর প্রতিটি স্টেশনের উভয় দিকে মেট্রোরেল থামবে। এমআরটি-৬ চালু হলে ২০২১ সালে প্রতিদিন প্রায় ৫ লাখ যাত্রী মেট্রোরেলে যাতায়াতের সুযোগ পাবেন। উত্তরা থেকে মতিঝিল রুটে ২০.১ কিলোমিটার দীর্ঘ পথ দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। উত্তরা থেকে আগারগাঁও অংশের দূরত্ব ১১.৭৩ কিলোমিটার আর আগারগাঁও থেকে মতিঝিল পর্যন্ত অংশের দূরত্ব হবে ৮.৩৭ কিলোমিটার। মেট্রোরেলের ২১ হাজার ৯৮৫ কোটি টাকা প্রকল্প ব্যয়ের মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ৫৩৯০ কোটি টাকা আর বাকি ১৬ হাজার ৬৯৪ কোটি টাকার যোগান দেবে উন্নয়ন সংস্থা জাইকা।

ডিটিএমসিএল’র আইন ও গণমাধ্যম বিভাগের ব্যবস্থাপক খান মো. মীজানুল ইসলাম মানবজমিনকে বলেন, যেভাবে কাজ এগিয়ে চলেছে আশা করছি চলতি বছরই মেট্রোরেল যাত্রা শুরু করবে। উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত রুটে পুরোদমে চলাচল শুরু হবে ২০২০ সালের শেষ নাগাদ। মেট্রোরেলের প্রকল্প এলাকা ঘুরে দেখা গেছে কাজের কারণে এসব সড়কে যানজট বেড়েছে। ১১ মিটার নির্মাণ বেষ্টনী দেয়ার কারণে সরু হয়েছে বিভিন্ন এলাকার সড়ক। শতাধিক বাসের চলার পথ বদল করা হয়েছে। প্রকল্পের কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত ভবিষ্যতে আরো কিছু রুটে বাস চলাচলে পরিবর্তন আনা হবে বলে জানা গেছে। প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, নির্মাণ কাজের কারণে অল্প-বিস্তর দুর্ভোগ হলেও কাজ শেষে বড় ধরনের সুফল পাবেন ঢাকার নাগরিকরা। কাজ এগিয়ে চলার সঙ্গে সঙ্গে দুর্ভোগের মাত্রাও কমে আসবে।

সরকার অগ্রাধিকারভিত্তিতে যেসব বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে চায় সেরকম ফাস্ট ট্র্যাক প্রকল্পের অন্যতম মেট্রোরেল। এমআরটি-৬ প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ২২ হাজার কোটি টাকা। উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত ৩৭৭টি পিয়ার বা পিলারের ওপর ৩৭৬টি স্প্যান বসে বিস্তৃত হবে মেট্রোরেল প্রকল্প। রাতে-দিনে মিলিয়ে চলছে স্প্যান বসানোর কাজ। উত্তরা দিয়াবাড়ী থেকে আগারগাঁওয়ে এর মধ্যে প্রায় দুই কিলোমিটার সড়কজুড়ে স্প্যান বসানো হয়েছে।

২০১২ সালে এমআরটি-৬ বা মেট্রোরেল প্রকল্প হাতে নেয়া হয়। পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় বিশেষ উদ্যোগে সংশোধিত পরিকল্পনা করা হয়। গত বছরের এপ্রিলে প্রথম স্প্যান বসানো হয় মেট্রোরেল প্রকল্পে। রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়ীতে দুটি পিলারকে যুক্ত করে এই স্প্যান বসানো হয়। ডিটিএমসিএল সূত্রে জানা গেছে, মোট আটটি প্যাকেজে বাস্তবায়ন হচ্ছে মেট্রোরেল প্রকল্পের কাজ। এর মধ্যে প্রথম প্যাকেজে ডিপো এলাকার ভূমি উন্নয়নের কাজ শতভাগ সম্পন্ন হয়েছে। বিরতিতে ট্রেন রাখার স্থান, ট্রেন মেরামত ও মালামালের গুদাম, প্রধান ওয়ার্কশপসহ নানা অবকাঠামো নির্মাণকাজের বাস্তব অগ্রগতি ১৭ শতাংশ। প্যাকেজ দুইয়ের আওতায় পূর্ত কাজের বাস্তব অগ্রগতি হয়েছে শতকরা ২২.৪৪ ভাগ। উত্তরা নর্থ থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত ১১ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার উড়ালপথ ও ৯টি স্টেশন নির্মাণ করা হচ্ছে প্যাকেজ ৩ ও ৪-এর আওতায়। এ কাজের বাস্তব অগ্রগতি হয়েছে ৩০.৭৩ ভাগ। প্যাকেজ ৫ ও ৬-এর আওতায় আগারগাঁও থেকে মতিঝিল ভায়াডক্ট ও স্টেশন নির্মাণের কাজের বাস্তব অগ্রগতি হয়েছে ২.৩০ শতাংশ।

প্যাকেজ সাতের আওতায় ইলেকট্রিক্যাল ও মেকানিক্যাল সিস্টেম কাজের বাস্তব অগ্রগতি শতকরা ৫ শতাংশ। সবশেষ প্যাকেজ-৮ এর অধীনে রেলকোচ ও ইকুইপমেন্ট সংগ্রহের বাস্তব অগ্রগতি ১৩ শতাংশ। প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রায় ৫৯ একর জায়গাজুড়ে বানানো হচ্ছে মেট্রোরেলের মূল ডিপো। ট্রেনে সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ সুবিধা নিশ্চিত করতে নির্মাণ করা হচ্ছে দুটি পাওয়ার প্ল্যান্টও। এদিকে, আগারগাঁও থেকে সার্ক ফোয়ারা পর্যন্ত ৩ দশমিক ১৯ কিলোমিটার পথে বসবে ১০০টি পিয়ার। এই পথে থাকবে তিনটি স্টেশন। এসব পিয়ার নির্মাণের জন্য এরই মধ্যে আগারগাঁও থেকে সার্ক ফোয়ারা পর্যন্ত সড়কের অনেক অংশে বিভাজক তুলে কংক্রিটের নিরাপত্তা বেষ্টনী দেয়া হয়েছে।

এতে করে আট লেনের সড়ক হয়ে গেছে চার লেন। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, আগারগাঁও-ফার্মগেট থেকে মতিঝিল পর্যন্ত ভিআইপি সড়কটি প্রস্থে প্রায় ২২ মিটার। এর মধ্যে সড়কের দু’পাশের মাঝের ১১ মিটার জায়গায় মেট্রোরেল প্রকল্পের কাজ চলবে। এতে করে একপাশের মাত্র সাড়ে পাঁচ মিটারের মধ্যে চলাচল করতে পারছে যানবাহন। ফলে বেড়েছে যানজট। পরিস্থিতি সামলাতে ট্রাফিক বিভাগের পক্ষ থেকে সরকারের উচ্চপর্যায়ে ১৯ দফা প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। এদিকে, প্যাকেজ ৫ ও ৬ এর কাজ দ্রুত সময়ে শেষ করতে গত ১০ই ফেব্রুয়ারি ফার্মগেটে প্রথমবারের মতো মেট্রোরেল প্রকল্পে ব্যবহার করা হয়েছে স্ক্রু পাইল ড্রাইভিং পদ্ধতি। এ পদ্ধতিতে তুলনামূলক কম সময়ে পাইলিংয়ের কাজ সম্পন্ন করা যাবে বলে জানা গেছে। এমআরটি-৬ পুরো প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে প্রায় আড়াই হাজারের বেশি গাছ কাটা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আর্থ কেয়ার ক্লাবের সমন্বয়ক রাজীব পাল।

তিনি বলেন, আমরা বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবর গবেষণা করে এমন তথ্য পেয়েছি। উন্নয়নের প্রয়োজনে মেট্রোরেল যেমন প্রয়োজন তেমনি সুস্থ-স্বাভাবিকভাবে বেঁচে থাকতে হলে পরিবেশের ভারসাম্যও টিকিয়ে রাখতে হবে। যেখানে গাছ কাটতে হয়েছে সেসব জায়গায় আরো বেশি করে গাছ লাগিয়ে দিলে আশা করি আর কোনো সমস্যা হবে না। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডিটিএমসিএল’র আইন ও গণমাধ্যম বিভাগের ব্যবস্থাপক খান মো. মীজানুল ইসলাম বলেন, নিয়ম মেনেই সব ধরনের কাজ করা হচ্ছে। যেসব গাছ কাটা হয়েছে এগুলোর বেশিরভাগই শোভাবর্ধনকারী গাছ। তবে, আমরা একটি গাছের জায়গায় চার-পাঁচটি গাছ রোপণ করে দিচ্ছি। একই সঙ্গে মেট্রোরেল প্রকল্পের কারণে জনদুর্ভোগ ও যানজট যেন বেড়ে না যায় সেদিকে নজর রাখা হচ্ছে। দুর্ভোগ কমাতে বিভিন্ন সংস্থার সুপারিশ আমলে নিয়ে ডিটিএমসিএল কর্তৃপক্ষ কাজ করে যাচ্ছে বলেও জানান এই কর্মকর্তা।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ

সংবাদটি পড়া হয়েছে 1156 বার