fbpx
 

বিএনপির সাংসদদের গঠনমূলক সমালোচনা চান প্রধানমন্ত্রী

Pub: মঙ্গলবার, এপ্রিল ৩০, ২০১৯ ১০:৫৭ অপরাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

নানা নাটকীয়তার পর অবশেষে সংসদে যোগ দেয়া বিএনপির সংসদ সদস্যদের স্বাগত জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি তাদের কাছে গঠনমূলক সমালোচনা প্রত্যাশা করেছেন। সংসদের প্রতি মানুষের আস্থা যেন আরও বাড়ে সে ব্যাপারে সবাইকে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার রাতে একাদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে তিনি এই আহ্বান জানান।

গত ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে কয়েকবার ক্ষমতায় থাকা বিএনপি মাত্র ছয়টি আসন পায়। জোটের দুজনসহ তাদের সদস্যসংখ্যা দাঁড়ায় আটে। তবে এই নির্বাচনে সীমাহীন কারচুপি ও ভোট ডাকাতির অভিযোগ তুলে বিএনপি ও তাদের জোট ফলাফল প্রত্যাখ্যান করে নতুন নির্বাচন দাবি করে। বিজয়ী সদস্যরা শপথ নেবেন না বলেও জানানো হয়।

তবে প্রথমে গণফোরামের দুজন শপথ নিয়ে প্রথম অধিবেশনে যোগ দেন। দ্বিতীয় অধিবেশনে এসে প্রথমে বিএনপির একজন এবং শেষ মুহূর্তে এসে আরও চারজন সাংসদ শপথ নেন। মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ছাড়া বিএনপি থেকে বিজয়ী সবাই শপথ নিয়ে সংসদে গিয়েছেন। ফখরুল শপথ না নেয়ায় ইতিমধ্যে তার আসন শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে।

শপথ নিয়ে সোমবারই বিএনপির সাংসদরা সংসদে যোগ দেন। সেদিন দলের কেন্দ্রীয় নেতা হারুন অর রশিদের দেয়া বক্তব্যে সংসদে বেশ উত্তাপ সৃষ্টি করে। তিনি দলীয় চেয়ারপারসনের মুক্তি এবং নতুন নির্বাচন দাবি করেন।

মঙ্গলবার শেষ দিনে বিএনপির সাংসদরা অধিবেশনে যোগ দেন। তাদের কেউ কেউ কথাও বলেন। এদিন স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠন করে তাদের পাঁচজনকে সদস্য করা হয়েছে।

‘মানুষ হত্যা করে তারা কীভাবে বেহেশতে যাবে?’

সমাপনী ভাষণে প্রধানমন্ত্রী সন্ত্রাস জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন। এ ব্যাপারে দেশবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা শান্তি চাই, সমৃদ্ধি চাই। এখানে আমার দুঃখ লাগে ধর্মের অপব্যাখা দিয়ে কিছু মানুষকে ধর্মান্ধ করে ফেলা হয়। তাদেরকে ব্যবহার করা হয়। তাদের ব্যবহার করে মানুষ হত্যা করা হয়। আমার এখানে একটা প্রশ্ন জাগে যারা নিরীহ মানুষ হত্যা করে চিন্তা করে যে তারা বেহেশতে যাবে, এটা কীভাবে চিন্তা করে? মানুষ হত্যা মহাপাপ। আর যারা নিরীহ মানুষ হত্যা করে তারা কীভাবে বেহেশতে যাবে?’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘অবাক লাগে কিছু সম্পদশালী ধনী পরিবার উচ্চ শিক্ষিত পরিবার ব্যবহার হচ্ছে। আমি জানি না যারা সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়, তারা কীভাবে এভাবে ধর্মান্ধ হয়ে যায়। আমরা চাই এই ধর্মান্ধতা থেকে মানুষ মুক্তি পাক। আর যারা শিক্ষা দিচ্ছে তাদের বলব, আগে আপনারা যান এবং বেহেশতে গেলেন কি না সেটা আগে জানান তারপর আমরা যাব সেটা অন্তত বলা উচিত। তারপরেও আমাদের সর্তক থাকতে হবে। দেশবাসীকে সর্তক থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।’


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ