fbpx
 

বাংলাদেশ ধনীদের রাষ্ট্র, ধনীদের স্বার্থ রক্ষা করছে: মিজানুর রহমান

Pub: বুধবার, মে ২৯, ২০১৯ ৮:২৫ অপরাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

ঢাকা : জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশ রাষ্ট্র এখন ধনীদের রাষ্ট্র, ধনীদের স্বার্থ রক্ষা করে চলেছে। দরিদ্র মানুষকে এই রাষ্ট্র এখনো দেখে না। যে রাষ্ট্র দরিদ্র মানুষকে দেখে না, সেখানে ঈদের সময় হোক আর পূজার সময়, মানুষের নিরাপত্তা আছে কি না, এটা নিয়ে কে মাথা ঘামাবে?’

আজ বুধবার সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে এক আলোচনা সভায় মিজানুর রহমান এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ যাত্রীকল্যাণ সমিতি ‘ঈদযাত্রায় দুর্ভোগ: আমাদের করণীয়’ শীর্ষক এই আলোচনার আয়োজন করে।

সভায় মিজানুর রহমান বলেন, ‘বলা হচ্ছে, যাত্রীর দুর্ভোগ কমাতে হবে। অথচ রেলের টিকিট অনলাইনে কেনা যাচ্ছে না। কাউন্টারে এসেও টিকিট পাওয়া যাচ্ছে না, কোনো টিকিট নেই। আবার খবরে এসেছে, ২৩ হাজার টিকিট অবিক্রীত রয়ে গেছে। এটা কোন বোকার স্বর্গে বাস করছি আমরা? জবাবদিহি কোথায়?’

গণপরিবহন খাতে আইনের শাসন অনুপস্থিত, মন্তব্য করে মিজানুর রহমান বলেন, আইনের শাসন অনুপস্থিত বলেই পদে পদে ভোগান্তি হচ্ছে। এর পরিত্রাণের উপায় হচ্ছে আইনের যথাযথ প্রয়োগ, যা নেই। ন্যূনতম আইনের শাসন সমাজে না থাকলে নাগরিকের অধিকার থাকে না। সড়কে দুর্ভোগ কমাতে এখন তো জরিমানা আদায়ের হিড়িক শুরু হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘সাধারণ মানুষের সঙ্গে রাষ্ট্র বারবার প্রতারণা করে। এটা সহ্য করাটা বড্ড কষ্টকর হয়ে যায়। যখন একই সঙ্গে দেখা যায়, গরিব রিকশাওয়ালার প্রতি কী আচরণ এবং ধনী গাড়ির মালিকের প্রতি কী আচরণ। তখনই বোঝা যায়, রাষ্ট্র কার স্বার্থে কাজ করে।’

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা এড়াতে যাত্রীদেরও সচেতন হতে হবে। ঈদের সময় ট্রাকে, বাসে অনেকে ঝুঁকি নিয়ে যাত্রা করেন। এটা থেকে যাত্রীদেরই নিবৃত্ত থাকতে হবে। সড়ক দুর্ঘটনায় যাঁরা মারা যান, তার দায় সবার, রাষ্ট্রের, মালিকপক্ষের, চালকের এমনকি যাত্রীর নিজেরও।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) রোড সেফটি বিভাগের পরিচালক শেখ মোহাম্মদ মাহবুব-ই-রব্বানী মনে করেন, বিগত কয়েক বছরে ঈদযাত্রায় গণপরিবহন ব্যবস্থা আরামদায়ক না হলেও স্বস্তিদায়ক হয়েছে।

গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেন, ঢাকা শহরে বসবাসযোগ্যতা কমে যাচ্ছে। এই সমস্যা এতই কাঠামোবদ্ধ যে সমাধান হওয়াটা কঠিন। যতক্ষণ পর্যন্ত পরিবহন খাতে সুশাসন হবে না, ততক্ষণ দুর্ভোগ কমবে না। ঈদের আগে যে সমস্যাটি সবার সামনে আসে এটাকে সারা বছরের সমস্যা হিসেবে দেখে তার সমাধান করতে হবে।

সভায় বিআরটিএর সাবেক চেয়ারম্যান আইয়ুবুর রহমান, ঢাকা যানবাহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের (ডিটিসিএ) সাবেক নির্বাহী পরিচালক সালেহউদ্দিন আহমেদ, ডিটিসিএর জ্যেষ্ঠ নগর পরিকল্পনাবিদ তপন কুমার নাথ প্রমুখ সভায় বক্তব্য দেন।

Hits: 0


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ