fbpx
 

ডেঙ্গু নিয়ে মার্চ মাসেই ২ সিটিকে সতর্ক করেছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

Pub: সোমবার, জুলাই ২৯, ২০১৯ ৭:২৩ অপরাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

ঢাকা: এবারের বর্ষা মৌসুমে এডিস মসার প্রাদুর্ভাব যে বাড়বে, তা সিটি করপোরেশনসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোকে আগেই সতর্ক করা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এছাড়া ঢাকার বাইরেও এই রোগ যে ছড়াতে পারে, সেই আশঙ্কার কথাও জানিয়েছিল অধিদপ্তর।
সোমবার মহাখালীতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সভাকক্ষে সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য দেন অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক ডা. সানিয়া তাহমিনা ঝরা। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সর্বশেষ প্রস্তুতি জানাতে এই সংবাদ সম্মেলন করা হয়।
প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব দেখা গেলেও এবার তা ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। চলতি বছরে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্তের সংখ্যা রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। সরকারি হিসাবে আক্রান্তের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। রাজধানীর হাসপাতালগুলোতে শয্যা পেতেই হিমশিম খাচ্ছে রোগীরা। আর প্রায় প্রতিদিনই আসছে মৃত্যুর খবর। আর উদ্বিগ্ন হচ্ছে মানুষ। রাজধানীর পাশাপাশি বিভিন্ন জেলা শহরেও শনাক্ত হচ্ছে রোগীরা। অবশ্য তাদের সিংহভাগই ঢাকা থেকে যাওয়া।
এই পরিস্থিতিতে মশা নিধনে ব্যর্থতার জন্য ঢাকার দুই মেয়র সাঈদ খোকন ও আতিকুল ইসলাম তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন। তার মধ্যে ঢাকা দক্ষিণের মেয়র সাঈদ খোকনের সাম্প্রতিক এক উক্তিতে তীব্র প্রতিক্রিয়া হয়।
মহাখালীতে সংবাদ সম্মেলনে ডা. তাহমিনা ঝরা বলেন, এবারের বর্ষা মৌসুমে প্রাণঘাতি এ রোগের প্রাদুর্ভাব বাড়ার আশঙ্কার কথা আমরা আগেই ধারণা করতে পেরেছিলাম। সেজন্য চিকিৎসকদের ফেব্রুয়ারি মাস থেকেই সতর্ক করা হচ্ছিল, যাতে তারা ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রস্তুতি নিতে পারে।
ডা. তাহমিনা জানান, মার্চ মাসে তারা ঢাকায় এডিস মশার বিষয়ে জরিপ চালান। তখনই সিটি করপোরেশনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে রাখা হয়েছিল। আশঙ্কা থেকেই আমরা ডেঙ্গু গাইডলাইন আপডেট করেছি। ইতোমধ্যে প্রতিটি জেলাশহরে ডেঙ্গু টেস্ট কিট পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।
অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বছরের শুরু থেকে রবিবার পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১১ হাজার ৬৫৪ জন ডেঙ্গু রোগী। এ সময়ের মধ্যে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৮ হাজার ৭২৫ জন।
ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত ২০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যুর খবর গণমাধ্যমে এলেও সরকারি হিসাবে এখনও মৃতের সংখ্যা আটজন।
মৃতের সংখ্যা ও হাসপাতালে ভর্তির প্রকৃত সংখ্যা কেন জানা যাচ্ছে না- এই প্রশ্নে ডা. তাহমিনা বলেন, ‘বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে বার বার বলার পরেও তাদের অনেকে তালিকাগুলো দেয়নি। তারা ডেঙ্গু রোগী সামলাতে গিয়ে অনেক চাপে আছে হয়ত।’
ডেঙ্গু পরীক্ষায় বেঁধে দেওয়া ফি ঠিকমত আদায় হচ্ছে কি না- সে বিষয়ে নজরদারি করতে অধিদপ্তরের ১০টি দল সোমবার থেকে মাঠে নেমেছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। এর পাশাপাশি প্রতিটি হাসপাতালে ‘ডেঙ্গু কর্নার’ এবং বিষয়টি তদারকি করার জন্য একজন ফোকাল পয়েন্ট নিয়োগ দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।

Hits: 3


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ