fbpx
 

যত্রতত্র কোরবানির পশুর চামড়া, দুর্গন্ধ-দূষণে বিপর্যস্ত পরিবেশ

Pub: Wednesday, August 14, 2019 7:32 PM
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

কোরবানিদাতারা ঈদের দিন বিকেল গড়িয়ে রাত এমনকি ঈদের দ্বিতীয় দিন পর্যন্তও অপেক্ষা করেছেন কেউ কেউ। কিন্তু পানির দরেও চামড়া কিনতে আসেনি কোনও ক্রেতা। তাইতো অনেকেই রাগে ক্ষোভে বিরক্তিতে মাটিতে পুঁতে ফেলেছেন কোরবানির পশুরু চামড়া। কেউ কেউ তুলে দিয়েছেন ময়লার গাড়িতে। অনেকেই পাশের খালে কিংবা পথের ধারে ফেলে রেখেছেন কোরবানির চামড়া।  

ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের ফতুল্লার জালকুড়িস্থ আর্ন্তজাতিক ভেন্যু খান সাহেব ওসমান আলী ক্রিকেট স্টেডিয়ামের উল্টো পাশের রাস্তায় পড়ে আছে হাজার হাজার কোরবানির পশুর চামড়া। নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সীমানা শুরু সেই পিলারের নিচেই পচতে শুরু করেছে পরিত্যক্ত গরুর চামড়াগুলো। 

ঈদের দ্বিতীয় দিন মঙ্গলবার সকালে থেকে ওই চামড়াগুলো রাস্তায় পড়ে আছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিভিন্ন এলাকার মৌসুমে চামড়া ব্যবসায়ীরা একেকটি চামড়া কিনেছিলেন ৩০০-৪০০ টাকা করে। আবার মাদ্রাসাগুলো সংগ্রহ করেছির এই চামড়াগুলো। বিক্রেতা শূন্যতায় শেষ পর্যন্ত চামড়াগুলো ফেলে দিতে বাধ্য হয় ব্যবসায়ীরা।  

মৌসুমী ব্যবসায়ীরা জানান, শহরের চাষাঢ়া এলাকায় মূলত চামড়া বড় লড ক্রেতারা প্রতি বছর হাজির হন। কিন্তু সেই ব্যবসায়ীরা যেন উধাও ছিল এবার। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত দুয়েক ব্যবসায়ী দেখা গেলেও দুপুর গড়ালেই ব্যবসায়ীরা হয়ে যান লাপাত্তা। এতে বিভিন্ন এলাকা চামড়া সংগ্রহ করা মৌসুমে ব্যবসায়ীরা পড়েন চরম বিপাকে। উপায়ন্তর না পেয়ে চামড়াগুলো রাস্তায় ফেলে রেখে যায় মৌসুমী ব্যবসায়ীরা। 

এদিকে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডে পরিত্যক্ত ওই চামড়াগুলোর ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেছে ফেসবুক ব্যবহারকারীরা। একদিকে চামড়া এভাবে রাস্তায় ফেলে দিয়ে পরিবেশ ক্ষতিসাধান ও অন্যদিকে চামড়া সিন্ডিকেট ওপর চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাধারণ মানুষ।

এদিকে এভাবেই রাস্তায় চামড়া ফেলে রাখায় নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন বুধবার বিকেল পর্যন্ত কোনও উদ্যোগ গ্রহণ করেনি। 

নাসিক সূত্রে জানা গেছে, চামড়াগুলো অপসারণে সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে এখনও কোনও দিক নির্দেশনা দেয়া হয়নি। 

এদিকে শুধু নারায়ণগঞ্জেই নয়, রাজধানী ঢাকাসহ দেশের প্রতিটি শহরেই একই চিত্র দেখা গেছে। চামড়া নিয়ে বিপাকে পড়া কোরবানিদাতাদেরও এবার অভিযোগের অন্ত নেই। 


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ