fbpx
 

সরকার মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনার পরিপন্থি কাজ করছে: কামাল লোহানী

Pub: Monday, November 4, 2019 7:48 PM
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাহাত্তরের সংবিধান পুনঃপ্রতিষ্ঠার জাতীয় কমিটির আহবায়ক কামাল লাহানী বলেছেন, ‘বঙ্গবন্ধুর নিষ্ঠুরতম হত্যাযজ্ঞর পর জিয়াউর রহমান এবং এরশাদ যে ধারায় সংবিধান সংশাধনী কলেছিলেন সেই ধারায় বর্তমান সরকার ধর্মনিরপক্ষতার সাথে সাংঘর্ষিক ‘বিসমিল্লাহ এবং রাষ্ট্রধর্ম’ বহাল রেখে মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনার পরিপন্থি কাজ করছে।’

সোমবার (৪ নভেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তন সংবিধান দিবস উপলক্ষে ‘বাহাত্তরের সংবিধান পুনঃপ্রতিষ্ঠা জাতীয় কমিটি’র উদ্যাগে এক সংবাদ সম্মলনে তিনি এসব কথা বলেন। কামাল লোহানীর সভাপতিত্বে এবং বিনা সিকদারর সঞ্চালনায় লিখিত বক্তব্য পাঠ করন কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক বদিউর রহমান।

কামাল লোহানী বলেন, ‘যে সরকার যুদ্ধাপরাধীর বিচার এবং রায় কার্যকর করার মতো সাহসিক কাজ পিছুপা হয়নি, তারা কেন মুক্তিযুদ্ধের মহান অর্জন রাষ্ট্রীয় চার মূলনীতি সমদ্ধ বাহাত্তরের সংবিধানে ফিরে যেতে পারে নাই, তাই আমাদের তথা জাতির কাছ এক বড় প্রশ্ন হয়ে দেখা দিয়েছে।’

এসময় তিনি দেশবাসীকে বাহাত্তরর সংবিধান পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলনে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার উদাত্ত আহবানও জানান।

লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক বদিউর রহমান তিনি বলেন, ‘সংবিধান ‘বিসমিল্লাহ এবং রাষ্ট্রধর্ম’ যুক্ত করে ধর্মনিরপক্ষতার নীতি প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশকে ৪৭-এর দ্বিজাতিতত্ত্বার দিক ফিরিয়ে নেয়ার অপচেষ্টা করা হয়েছে। পঞ্চদশ সংশাধোনীত বেশকিছু ইতিবাচক সংশাধোনী এলেও ‘বিসমিল্লাহ এবং রাষ্ট্রধর্ম’ বহাল রাখায় সংবিধান একটি সাংঘর্ষিক দলিল পরিণত হয়েছে।’

সংবাদ সম্মেলনে বাহাত্তরের সংবিধান সামগ্রিকভাব পুনঃপ্রতিষ্ঠাসহ বেশকিছু দাবি জানানা হয়। দাবিগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো রাষ্ট্রীয়ভাব ৪ নভেম্বরকে ‘সংবিধান দিবস’ ঘোষণা এবং যথাযথ মর্যাদায় দিবসটি পালন, রাষ্ট্রপরিচালনায় রাষ্ট্রীয় ৪ মূলনীতির যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করা, সংবিধানের ৩৮ অনুছেদ-এর পরিপন্থি ধর্মভিত্তিক সংগঠন ও রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ ঘোষণা করা এবং বাংলাদশ বসবাসরত বিপুলসংখ্যক আদিবাসী জনগাষ্ঠীর সাংবিধানিক স্বীকৃতি ও মর্যাদা নিশ্চিত করা।’

সংবাদ সম্মলন আরও উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদশ উদীচী শিল্পীগাষ্ঠীর সাধারণ সম্পাদক জামসদ আনোয়ার তপন, দফতর বিভাগর সচিব ইকবালুল হক খান প্রমুখ।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ