fbpx
 

করোনা মোকাবিলায় স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি

Pub: বৃহস্পতিবার, মার্চ ১৯, ২০২০ ৭:৩৭ অপরাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

নভেল করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) মোকাবিলায় ডাক্তার ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে ফাউন্ডেশন ফর ডক্টরস সেফটি রাইটস অ্যান্ড রেসপন্সিবিলিটিস (এফডিএসআর)।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) জাতীয় প্রেসক্লাবের আব্দুস সালাম হলে আয়োজিত ‘করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় ডাক্তারসহ সকল স্বাস্থ্যকর্মীদের ঝুঁকি নিরসনে করণীয়’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলন এ দাবি জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে আয়োজক সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়, সারা দেশ থেকে চিকিৎসকরা অত্যন্ত উদ্বেগের সাথে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। নভেল করোনা ভাইরাস নিয়ে তারা খুব উদ্বিগ্ন। প্রতিদিন বহির্বিভাগে অনেক জ্বরের রোগী দেখতে হয়, এর মধ্য কারো শরীরে করোনা ১৯ ভাইরাস আছে কি না তা নিশ্চিত করার কোন উপায় নাই। নিজেদের প্রতিরক্ষার জন্য মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাভস বা কোন রকমের পোশাক নাই। দেশে কোভিড ১৯ সহ যে কোন ভাইরাল রোগের ল্যাবরেটরি টেস্ট করার সুযোগ খুবই সীমিত।

সংবাদ সম্মেলনে আয়োজক সংগঠনের উপদেষ্টা ডা. আব্দুর নূর তুষার বলেন, নভেল করোন ১৯ ভাইরাসের সংক্রমনের কারণে সারা বিশ্ব আজ জরুরি অবস্থার মধ্যে আছে। ইতিমধ্যে অনেক দেশ এই ভাইরাসের সংক্রমনে আক্রান্ত। বাংলাদেশও বর্তমানে ঝুঁকির মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে, ইতিমধ্যে ভাইরাসবাহী কিছু মানুষ ও কয়েকজন রোগীও শনাক্ত হয়েছেন। এরকম পরিস্থিতিতে আমাদের সম্ভাব্য সর্বোচ্চ প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে। 

তিনি বলেন, এ অবস্থায় জনগণের বৃহত্তর স্বার্থে সরকারকে তাই ডাক্তারসহ স্বাস্থ্য সেবা প্রদানকারীদের শারীরিক ও মানসিক
নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্বের সাথেই ভাবতে হবে। বাংলাদেশে কোভিড ১৯ রোগীদের চিকিৎসার্থে একটা প্রটোকল তৈরি করে অবিলম্বে সকল ডাক্তারের কাছে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করতে হবে। 

আয়োজক সংগঠনের পক্ষ থেকে দাবি জানিয়ে ডা. আব্দুর নূর তুষার বলেন, স্বাস্থ্যখাতের বিদ্যমান বাস্তবতায় সন্দেহজনক রোগী (সাসপেক্ট কেস) আর নিশ্চিত রোগী (কনফার্মড কেস) কিভাবে চিহ্নিত করবেন সে ব্যাপারে একটা গাইডলাইন থাকা দরকার। কোভিড১৯ রোহীদের চিকিৎসার ব্যাপারে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ইতিমধ্যে গাইডলাইন তৈরি করেছে। এই গাইড লাইনের আলোকে বাংলাদেশের বিশেষজ্ঞ কর্তৃক চিকিৎসকদের জন্য একটা ট্রিটমেন্ট প্রেটোকল তৈরি করা এখন সময়ের দাবি। প্রথমেই প্রতি জেলায় জেলায় করোনা বিষয়ক পরামর্শ পাবার জন্য হটলাইন টেলিফোন নম্বরের সংখ্যা বাড়াতে হবে। বর্তমানে আইইডিসিআরের যে কটি হটলাইন নম্বর আছে, তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল।

সারাক্ষণই নম্বরগুলো এনগেজড পাওয়া যাচ্ছে। ঢাকার মত প্রতি জেলায় উপজেলার হাসপাতালে একটা করোনা ওয়ার্ড বা কর্ণার চালু করা উচিত, যেখানে সন্দেহজনক কোভিড ১৯ রোগীর চিকিৎসার জন্য যাবে। 

ডাক্তার ও স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, নিজেদের শরীরের প্রতি যত্নশীল হবেন। অতিরিক্ত কাজের চাপেও যতটুকু সময় পাওয়া যায় ঘুমিয়ে নিতে হবে। ঠিকমতো খাওয়া-দাওয়া ও যতটা সম্ভব এক্সারসাইজ করতে হবে। এ সময় সব ডাক্তার ও স্বাস্থ্যকর্মীর শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ থাকাও জরুরি। যেকোনো দুর্যোগ মোকাবিলার মতো বর্তমানে করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় বাংলাদেশের ডাক্তারসহ সব স্বাস্থ্যকর্মী সরকারের পাশে থাকবে। বরাবরের মতো করোনার বিরুদ্ধে যৌথ সংগ্রামে আমরা সংবাদকর্মীদেরও পাশে চাই।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট চিকিৎসক এ বি এম আবদুল্লাহ, ফাউন্ডেশন ফর ডক্টরস সেফটি, রাইটস অ্যান্ড রেসপন্সিবিলিটিসের চেয়ারম্যান ডা. আবুল হাসনাৎ মিল্টন,মহাসচিব ডা. শেখ আব্দুল্লাহ আল মামুন প্রমুখ।

Hits: 44


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ