‘কেয়ামত সে কেয়ামত তক’

Pub: বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ২০, ২০১৮ ৪:৫২ অপরাহ্ণ   |   Upd: বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ২০, ২০১৮ ৪:৫২ অপরাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

ড. আবদুল লতিফ মাসুম:
আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আরো পাঁচ বছর ক্ষমতায় থাকার খায়েশ প্রকাশ করেছেন। আওয়ামী লীগ আয়োজিত বিজয় দিবসের আলোচনা সভায় বলেন, ‘বাংলাদেশের অগ্রগতি অব্যাহত রাখতে এবং বাংলাদেশের মানুষ যেন ভালো থাকে সে পরিবেশ সৃষ্টি করতে আরো পাঁচটি বছর এ সরকারের ক্ষমতায় থাকা একান্ত প্রয়োজন।’ একজন নাগরিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্ন তুলেছেন, কেন মাত্র আরো পাঁচ বছর? কেয়ামত থেকে কেয়ামত পর্যন্ত অর্থাৎ চিরকাল কেন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকতে পারবে না- তা তিনি জানতে চেয়েছেন। তিনি আরো লিখেছেন, যদি তার ক্ষমতা, সুযোগ ও অর্থ থাকত তাহলে তিনি এই মর্মে হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন করতেন- কেন আওয়ামী লীগ চিরকাল ক্ষমতায় থাকতে পারবে না তার কারণ দর্শানো হোক। এটি যে অনেকটা নাগরিক ক্ষোভের প্রকাশ তা ওই ব্যক্তির ভাষা থেকেই বোঝা যায়। সম্ভবত এই প্রশ্ন এমন আরো অসংখ্য নাগরিকের। আওয়ামী লীগ ক্ষমতার এক দশক পূর্ণ করতে যাচ্ছে এই ডিসেম্বরে। এত বছর নিরবচ্ছিন্নভাবে ক্ষমতায় থাকার পরও ক্ষমতার মোহ কেন তাদের শেষ হচ্ছে না, সেটি একটি প্রশ্ন বটে। অনেক আগে থেকেই আওয়ামী লীগের নেতা-নেত্রীরা ২০৪১ সাল পর্যন্ত ক্ষমতার সীমারেখার কথা বলে আসছিলেন। সে তুলনায় পাঁচ বছর অনেক কম হয়ে যায়। অবশ্য প্রধানমন্ত্রী একবার রাজনীতি থেকে অবসর নেয়ার সদিচ্ছা ব্যক্ত করেছিলেন। তখন তার কথায় ক্লান্তি শ্রান্তি এবং অবসাদের সুর ভেসে এসেছিল।

কেন তারা ক্ষমতাকে অব্যাহত রাখতে চায়- তার একটি যুতসই ব্যাখ্যা দেয়া যেতে পারে। আওয়ামী লীগ এবং তার অন্ধ সমর্থকেরা বলবেন, দেশকে তারা যেভাবে ভালোবাসেন, যেভাবে গড়ে তুলতে চান, অন্য কেউ সেভাবে গড়ে তুলতে পারবে না। যে উন্নয়ন ও অগ্রগতির ধারা তারা সৃষ্টি করেছেন, অন্য কেউ তা পারবে না। সুতরাং ক্ষমতার মৌরুসি পাট্টা তাদের থাকা উচিত। তারা মনে করেন, তারাই একমাত্র দেশকে ভালোবাসেন। দেশ যেহেতু আওয়ামী লীগের হাতে স্বাধীন হয়েছে। সুতরাং তাদের এ দেশের ওপর ক্ষমতার ছড়ি ঘোরানোর চিরস্থায়ী অধিকার রয়েছে। এ ক্ষেত্রে পাকিস্তানের মুসলিম লীগের সাথে তাদের মিল রয়েছে। ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনে এ দেশের মানুষ মুসলিম লীগকে কবর দিতে পেরেছিল।

তার কারণ, নির্বাচনব্যবস্থা মুসলিম লীগ তাদের মতো ধ্বংস করে দেয়নি। মানুষের মতপ্রকাশের এবং ভোট দেয়ার অধিকার অন্তত বজায় ছিল। এখন আওয়ামী লীগ শুধু গণতন্ত্রকেই কবর দেয়নি, তারা নির্বাচনব্যবস্থাকে সমূলে বিনাশ করেছে। তাদের ভোটের প্রয়োজন হয় না। জোটের মাধ্যমে তারা মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নিতে সক্ষম হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বিরোধী জোটে, এতিমের টাকা আত্মসাৎকারী, রাজাকার, আলবদর এবং গ্রেনেড হামলার আসামি খুঁজে পেয়েছেন। কোনো দেশপ্রেমিক ব্যক্তি বা দল দেখেননি। প্রথম দিকে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বের জোটকে স্বাগত জানালেও যখন দেখলেন এরা তার ক্ষমতার প্রকৃত প্রতিদ্বন্দ্বী, তখনই তিনি ভোল পাল্টালেন। দুর্নীতিবাজ, সুবিধাবাদী, গণবিচ্ছিন্ন- কত না বিশেষণে তিনি তাদের বিশেষিত করেছেন। এ দেশের একজন নাবালকও ড. কামালকে দুর্নীতিবাজ বলবে না। অথচ তিনি যা নয় তা-ও বলেন। তিনি বা তার দল অন্য কাউকে দেশপ্রেমিক মনে করেন না। তারা নিজেদের সিরাজউদ্দৌলা আর অন্যদের পাইকারিভাবে মীরজাফর মনে করেন। স্বাধীনতার পরে একটি জাতীয় দৈনিকের শিরোনাম ছিল- ‘সাড়ে ৭ কোটি রাজাকার!’

ক্ষমতাকে কেয়ামত থেকে কেয়ামত পর্যন্ত দীর্ঘায়িত করার লিপ্সা নতুন নয়। স্বাধীনতার অব্যবহিত পরে মওলানা ভাসানীসহ সব রাজনীতিবিদ যখন ‘জাতীয় সরকার’ গঠনের আহ্বান জানিয়েছিলেন, তখন তারা সায় দেয়নি। পরবর্তীকালে মুক্তিযোদ্ধা-অমুক্তিযোদ্ধা, মুজিবনগরীয়-অমুজিবনগরীয় এবং আওয়ামী লীগ-অআওয়ামী লীগ বিরোধ সৃষ্টি করে তাদের ক্ষমতাকে পাকাপোক্ত করতে চেয়েছে। ১৯৭৩ সালে জাতীয় নির্বাচনকে বর্তমান স্টাইলে নিরঙ্কুশ করতে চেয়েছে। ওই সংসদে তারা মাত্র আটজনকে বিরোধী দলের আসনে বসার সুযোগ দেয়। বিরোধী আন্দোলনকে দমনের জন্য ‘লাল ঘোড়া দাবড়ে দেয়’।

জাসদের নিজস্ব হিসাব মোতাবেক, তাদের ৪০ হাজার নেতাকর্মীকে হত্যা করে সরকারের পেটোয়া রক্ষীবাহিনী। এত কিছু করেও যখন তারা পার পায় না তখন একদলীয় শাসনব্যবস্থা চাপিয়ে দিয়ে ক্ষমতাকে চিরস্থায়ী করার পরিকল্পনা নেয়া হয়। দেশে যদি গণতন্ত্র বহমান থাকত তাহলে ১৫ আগস্টের মর্মান্তিক ঘটনা কোনোক্রমেই ঘটতে পারত না বলে রাষ্ট্রবিজ্ঞানীরা তাদের বিশ্লেষণে দেখিয়েছেন। এর পরবর্তীকালে সামরিক শাসনের পরম্পরায় নিপতিত হয় দেশ। ১৯৯০ সালে গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা লাভ করে। গণতন্ত্রের এই দ্বিতীয় অভিযাত্রাও সুখকর হয়নি।
বিএনপি প্রধান বেগম খালেদা জিয়া তাদের নির্বাচনী ইশতেহারের ব্যতিক্রম করে রাষ্ট্রপতি শাসনব্যবস্থার পরিবর্তে সংসদীয় শাসন পদ্ধতি গ্রহণ করেন। জাতীয় ঐকমত্যের প্রতি এটি ছিল তার মহানুভব অঙ্গীকার। ১৯৯১ সালের নিরঙ্কুশ, নির্ভেজাল, নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে বিএনপি ক্ষমতাসীন হয়। আওয়ামী লীগ ও নেতৃত্ব এর মাধ্যমে সূক্ষ্ম কারচুপি আবিষ্কার করে। তারা এটা বুঝতে ব্যর্থ হয়, আসলে জনগণ তাদের পছন্দ করে না। ক্ষমতা এবং শুধু ক্ষমতা লাভ করার জন্য আওয়ামী লীগ তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বা নির্বাচনকালীন স্বতন্ত্র সরকার গ্রহণে বিএনপিকে বাধ্য করে।

এ ব্যবস্থার মাধ্যমে ক্ষমতা অর্জিত হলে ক্ষমতাকে এবার নিজের হাতে স্থায়ীকরণের স্বার্থে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থাকে বাতিল করে। এ থেকে বোঝা যায়, কোনো নিয়মনীতি, গণতন্ত্র বা দেশপ্রেম তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ নয়। একদল লোক যে প্লেটে খায়, খাওয়া শেষে সেই প্লেটই ফুটো করে- এ গ্রামীণ উদাহরণটি সম্ভবত তাদের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা যায়। যা হোক, ২০০৮ সালের নির্বাচনে তারা সামরিক বাহিনীর সাথে আঁতাত করে ‘প্যাকেজ ডিলের’ আওতায় ক্ষমতা দখল করে। ২০১৪ সালের নির্বাচনে বিএনপির নিরঙ্কুশ বিজয় স্পষ্ট প্রমাণ পেয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতাবিহীন প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচনের মাধ্যমে আবারো ক্ষমতা কুক্ষিগত করে। দেশী-বিদেশী সবাইকে এই অসত্য প্রতিশ্রুতি দেয়, শিগগিরই আরেকটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তারা তাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষার কোনো প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেনি।

বিগত নির্বাচনটি প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ায় তারা ২০১৮ সালের নির্বাচনকে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ করার প্রয়াস পায়। প্রধান বিরোধী দলগুলোকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করাতে পারলে তাদের ‘অংশগ্রহণমূলক’ শর্ত পূরণ হয়। বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণের ব্যাপারে নিশ্চিত ছিল না। আওয়ামী লীগ উভয় সঙ্কটে ভোগে। বিএনপি নির্বাচনে এলে তাদের ভরাডুবি ঘটতে পারে। আবার অংশগ্রহণ না করলে অংশগ্রহণমূলক বলা যায় না। গৃহপালিত বিরোধী দল জাতীয় পার্টির নিয়ন্ত্রণ নিতে আওয়ামী লীগকে এবারো হিমশিম খেতে হয়। একপর্যায়ে দেখা যায়, আওয়ামী লীগের নেতারা জাতীয় পার্টির মনোনয়ন দিচ্ছেন। একই সাথে বিরোধী দল এবং সরকারে রাখার যে মজার রেকর্ড তারা করেছেন, এবার একই সাথে দলে রদবদল ঘটিয়ে তথাকথিত বিরোধী দলের নিয়ন্ত্রণও তারা নিয়ে নেন। আর এ সবই করেন ক্ষমতাকে চিরস্থায়ী করার মানসে।

একপর্যায়ে প্রকাশ্যেই তারা বলেন, গেলবারের প্রতিদ্বন্দ্বীহীনতার বদনাম তারা নেবেন না। প্রয়োজনে প্রতিটি এলাকায় ডামি ক্যান্ডিডেট দেবেন। নির্বাচনের আগে নানা ধরনের ছলচাতুরি করে বিরোধী পক্ষকে নির্বাচনে নিয়ে আসার নীলনকশা আঁটেন। যারা দীর্ঘকাল ধরে বলে আসছিলেন, সংলাপ সম্ভব নয়, তারাই এই অসম্ভবকে সম্ভব করে সংলাপে বসলেন। সংলাপে বসার মাধ্যমে তারা সরকারের সদিচ্ছার প্রমাণ হাজির করেন। অপর দিকে বিরোধীদের কোনো দাবিই না মেনে চাতুর্যের পরিচয় দেন। দু’টি বিষয় প্রকাশ্য প্রতিশ্রুতি দেন- একটি হলো সংলাপ-পরবর্তী সময় হামলা-মামলা বন্ধ করা। অপরটি বেগম খালেদা জিয়ার জামিনের বিরোধিতা না করা। এই দুটো প্রতিশ্রুতির কী পরিণতি হয়েছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। নির্বাচন সময়কালে এ ধরনের হামলা-মামলা বন্ধ থাকবে- এটাই সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক ধারণা। কিন্তু আমরা কী দেখলাম?

নির্বাচনী প্রচারণার প্রথম দিন থেকেই আগের চেয়ে আরো শতগুণে সরকারের নিপীড়ন বেড়েছে। পুরনো মামলাগুলো পুনরুজ্জীবিত হয়েছে। নতুন করে হাজারো মামলা দায়ের করা হয়েছে। গায়েবি মামলার সংখ্যাও কম নয়। বিরোধী দলের সব প্রার্থী- বিএনপি, ঐক্যফ্রন্ট, ইসলামী আন্দোলন, বাম গণতান্ত্রিক জোট এবং ২০ দলীয় জোটের নেতৃবৃন্দ যেখানেই নির্বাচনী সভা করতে গেছেন সর্বত্রই বাধার সম্মুখীন হয়েছেন। আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গসংগঠনের লোকজন ওইসব নির্বাচনী সভায় হামলা করেছে। এমন কোনো নির্বাচনী এলাকা নেই, যেখানে আওয়ামী বাহিনী হামলা চালায়নি। পত্রপত্রিকায় বড় বড় নেতার ওপর হামলার খবর ছাপা হয়েছে। মির্জা ফখরুলের গাড়িবহরে হামলা, মওদুদ আহমদের সভায় হামলা এবং আমীর খসরু মাহমুদের প্রচারণায় বাধা দান- খবর হয়েছে। বাংলাদেশের সর্বত্র এ ধরনের হামলা চলমান রয়েছে। পুলিশ আগের মতোই আওয়ামী বাহিনীকে সহায়তা করছে। মামলার কোনো শেষ নেই।

কোনো কোনো প্রার্থী নির্বাচন তো দূরের কথা, প্রাণভয়ে নিজ এলাকায় যেতে পারছেন না। প্রায় সর্বত্র আওয়ামী লীগের একক প্রচারণা পরিদৃষ্ট হচ্ছে। বিএনপিকে পোস্টার লাগাতেও দেয়া হচ্ছে না। আওয়ামী লীগ নির্বাচনী শক্তি হিসেবে পুলিশকে শতভাগ ব্যবহার করছে। পুলিশ নিরপেক্ষতা হারিয়েছে। কোথাও মারামারি হলে তারা আওয়ামী লীগের পক্ষাবলম্বন করছে। বিএনপি বা বিরোধী নেতাকর্মীদের তারাও লাঠিপেটা করছে। আবার মামলাও বিরোধীদের বিরুদ্ধে দিচ্ছে। চট্টগ্রাম থেকে অভিযোগ এসেছে, পুলিশ ধানের শীষের পোস্টার ছিঁড়ছে। এ অবস্থায় বিরোধীদের পক্ষে নির্বাচন পরিচালনা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। এতদসত্ত্বেও ড. কামাল হোসেন মরে গেলেও নির্বাচন বর্জন না করার কথা বলেছেন। এতে গণতান্ত্রিক শক্তির নির্বাচন-কেন্দ্রিক রাজনীতি এবং ক্ষমতা হস্তান্তরে নিয়মতান্ত্রিকতার ওপর তাদের আস্থা পুনর্ব্যক্ত হয়েছে। পুলিশের কাছে এবং নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ দায়ের করে কোনো লাভ হচ্ছে না।

নির্বাচন কমিশন কেবল আশ্বাস দিয়েই তাদের দায়িত্ব পালন করছে, অথচ সবার জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টি করা নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব। নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার বলেছিলেন, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নেই। তার উত্তরে দল অন্ধ প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলছেন, তিনি সর্বত্র সমান সুবিধা দেখতে পাচ্ছেন। বিপুল প্রার্থীর উদাহরণ তিনি দিয়েছেন। কিন্তু বিরোধীদের একজনও কি মাঠে নামতে পারছেন? প্রতিদিন সংবাদপত্রে অসংখ্য হামলা ও মামলার খবর কি তিনি দেখতে পান না? তিনি তো মাঝে মধ্যেই ভালো ভালো কথা বলছেন। কিন্তু নাগরিক সাধারণ কথা ও কাজের মধ্যে কোনো সমন্বয় খুঁজে পাচ্ছে না। গোটা জাতির ভাগ্য নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে নিয়োজিত একজন ব্যক্তির কাছ থেকে নাগরিক সাধারণ দলদুষ্ট আচরণ আশা করে না। আর ক্ষমতা অবশ্যই একটি ক্ষণস্থায়ী ব্যাপার। শাসকগোষ্ঠী কেয়ামত সে কেয়ামত তক ক্ষমতায় থাকার বাসনা থেকে বাস্তবতায় ফিরে আসবে বলে নাগরিক সাধারণ আশা করে।

লেখক : অধ্যাপক, সরকার ও রাজনীতি বিভাগ
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
[email protected]


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ

সংবাদটি পড়া হয়েছে 1157 বার