ইসহাক সরকার সম্পর্কে ছাত্রদলের একজন প্রতিষ্ঠাতাটা সদস্যের পর্যবেক্ষন মন্তব্য

Pub: রবিবার, এপ্রিল ২৮, ২০১৯ ১:০৪ অপরাহ্ণ   |   Upd: রবিবার, এপ্রিল ২৮, ২০১৯ ১:০৪ অপরাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

নামঃইসহাক সরকার
সাংগঠনিক সম্পাদক
ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটি
পিতাঃমরহুম আব্দুর রউফ সরকার,
২৩/২৪ বংশাল রোড,ঢাকা।
জন্ম তারিখঃ ১৪ মার্চ ১৯৭৬ইং।
এস এস সিঃ- হাম্মাদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়,নয়াবাজার, ১৯৯৩ ইং ১ম বিভাগ।
এইচ এস সিঃ কবি নজরুল কলেজ, ১৯৯৫, ২য় বিভাগ।
বি এ অর্নাসঃ শেখ বোরহান উদ্দিন কলেজ, ঢাকা।
বর্তমান এম এ অধ্যায়ন রত।

রাজনৈতিক বৃত্তান্তঃ-
পুরাতন ঢাকার প্রখ্যাত রাজনীতিবীদ মাজেদ সরদার এর পরিবারের সদস্য হিসেবে কিশোর বয়স থেকেই বিএনপি তথা শহীদ জিয়ার অনুরাগী। তবে আনুষ্ঠানিক ভাবে সক্রিয় হয়,১৯৯৬ সাল থেকে বর্তমান ৩৫(সাবেক ৬৮নং ওর্য়াড)ছাত্রদল এর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহনের মাধ্যমে
১৯৯৭-২০০৪ঃ সফলতা সাথে কোতোয়ালী থানা ছাত্রদলের আহবায়ক এর দায়িত্ব পালন করেন।
২০০৪ থেকে ২০০৮ঃ
(ক)কোতোয়ালী থানার ছাত্রদলের সভাপতি।
(খ)মহানগর দক্ষিন প্রকাশনা সম্পাদক।
(গ)কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সদস্য অতপর সহকারী প্রচার সম্পাদক পদে দায়িত্ব প্রাপ্ত।
২০০৮-২০১০ঃঢাকা মহানগর দক্ষিন ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক।
২০১০-২০১৩ঃঢাকা মহানগর দক্ষিন ছাত্রদলের সভাপতি।
২০১৩-………..কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক।

কারাগার জীবনি

(ক) ১৯৯৮ প্রথম অংশঃ রমনায় ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠা বাষিকীতো যোগদানের উদ্দেশ্য ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে মিছিল নিয়ে যাওয়ার সময় সর্বমোট ৩৪ জন কর্মী সহ তাকে মৎস্য ভবনের সামনে থেকে পুলিশ গ্রেফতার করে।অতপর শাহবাগ পুলিশ কন্ট্রোল রুমে নিয়ে অমানবিক শারীরিক অত্যাচার করে গুরুত্বর অসুস্থ অবস্থা তাকে আদালতে প্রেরুন করা হয়,১টি রাজনৈতিক মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে। সেই মামলায় কারাগারে থাকা অবস্থায় বেকে একে মোট ৫১টি মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।প্রায় ৫ মাস জেল জীবনের পর সে জামিনে মুক্তি পায়।
(খ) ১০৯৮ শেষ অংশে হরতালের দিন বিক্ষোভ প্রদোর্শন কালে নর্থ সাউথ রোড থেকে কয়েকজন সহযোগী সহ পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।পরদিন তার বড় ভাই বিএনপির কর্মী ইয়াকুব সরকার কে নিজ বাসা থেকে পুলিশ গ্রেফতার করে নিয়ে যায়। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বড় দুই ভাইকে খাবার দিতে গেলে কিশোর ছোট ভাই ইসমাইল সরকারকে জেলগেট থেকে আটক করে পুলিশ। উল্লেখ্য যে ১৯৯৮ সনে আন্দোলনের বিভিন্ন ঘটনায় তার ৭জন সহকর্মী নিহত হন।তিনি নিজেও বেশ কয়েকবার গুরুতর আহত হন।উক্তরুপ আটকা অবস্থা থেকে জাবিন নিয়ে বের হবার প্রাক্কালে পুনরায় তাকে পুলিশ জেলগেট থেকে আটক করে, ঢাকা শহরের বিভিন্ন থানায় মামলায় নতুন করে গ্রেফতার দেখায়।এইভাবে পরপর ৭বার জেলগেট থেকে গ্রেফতার ও নতুন নতুন মামলায় সর্বমোট তার বিরুদ্ধে মামলার পরিমান ধারায় ১০৭ টি।বড় ভাই ইয়াকুব এর বিরুদ্ধে ১৫২টি আর ছোট ভাই ইসমাইল এর বিরুদ্ধে ৫১টি।
অতপর ইসহাক, ইয়াকুব কম বেশি প্রায় সাড়ে ৩ বছর এবং ইসমাইল প্রায় ৮ মাস আটক থাকে।
এরপর ২০০১ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ঘটিত হওয়ার পর ইসহাক মুক্তি পেলেও আইনি জটিলতা কারণে ইয়াকুব, ইসমাইল কারাগারে থেকে যায়।এধিকে কারাগারে থাকার কারনে ইসহাক ১৯৯৮ সালে অনুষ্ঠিত বি এ অর্নাস পরিক্ষায় অংশ গ্রহন করা সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়। পুত্রত্রয়ের শোকে ১৯৯৯ সালে তার পিতা হৃদ রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বরন করেন।ইসহাক, ইয়াকুব তখন কারাগারে।এ কারাগারে থাকা অবস্থায় তৎকালীন আওয়ামী সরকার তাকে শীর্ষ সন্ত্রাসী তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে,ব্যাপক ভাবে প্রচার প্রচারনা চালায়।
(গ)২০০১ সালে বিএনপি সরকার ঘটনের পরপরই এমপি সাদেক হোসেন খোকা এবং নাসির উদ্দীন পিন্টুর অভ্যন্তরীন দন্ডের জেরে ইসহাক কে পূর্ণরায় গ্রেফতার করানো হয়।এর সপ্তাহ খানেক পর তদানিডন ছাত্রদল সভাপতি এমপি নাসির উদ্দীন পিন্টু ও গ্রেফতার হোন। আওয়ামী সরকারের ঘোষিত শীর্ষ সন্ত্রাসী তকমা বাকায় ইসহাক কে দান্দা বেড়ি পড়িয়ে রাখতে জেল কতিপক্ষকে বাধ্য করা হয়। তদানিডন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার এবং ইসহাকের বাসা কাছাকাছি হওয়ায় ইসহাক ভাইকে ঢাকা থেকে মানিকগঞ্জ কারাগারে স্থানান্ত করা হয়। কম বেশি প্রায় ৯ মাস জেল খাটার পর সে মুক্তি পায়।এরপর শুরু হয় তার বিরুদ্ধে আওয়ামী আমলে রুজুকৃত/গ্রেফতার দেখানো মামলা গুলো সচল করে পুনরায় তাকে আটক করার পায়তারা আবস্থা বেগটি দেখে ইসহাক, ইয়াকুব এর মা একদিন ততকালীন প্রভাবশালী একজনের কাছে প্রর্থনা করুনা চাইতে গেলে তাতে তিনি অপমান জনক ভাবে নিরাস হন।এতে মানুষিক ভাবে বির্পযস্ত হরে তিনি শয্যাশায়ী হয়ে পড়েন।এরপর তার মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত তিনি তার পূর্ণ সুস্থতা ফিরে পান নি।
উল্লেখ্য যে ইসহাক এর বিরুদ্ধে কোতোয়ালী থানার মামলা গুলো অমন ডালাও ভাবে সচল করা বিষয়ে ততকালীন ওসি নৈতিক কারণে অপারগতা জানালে উক্ত প্রভাবশালী তাকে অন্যত্র বদলি করে দেন। জানুয়ারি ২০০৭ এ মঈনুদ্দিন ফখরুদ্দীন রা ষড়যন্ত্র মূলক ক্ষমতা গ্রহনের পর তথা কথিত সংস্কার কুটচালে আশ্রয় নিলে উক্ত প্রভাবশালী ও তার অনুসারীরা সংস্কার মনোভাবাপন হলে ইসহাক মূল স্রোতধারা ধারক ও বাহক খন্দকার দেলোয়ার হোসেন এর অনুগামী হয়।এতে পুরনো ঢাকায় অত্যন্ত প্রভাবশালী তন্দ্রের অনুসারী দের শত্রুতে পরিনত হয়। এসময় তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপপ্রচার ছাড়ানো হয় বিভিন্ন সংস্থাকে ব্যবহার করে।
২০০৯ সালে বিত্রত্রল সরকার ঘটনের পর তার উপর অত্যাচার এর মাত্রা আর ও বেরে যায়।২০০৯ সালে গুলশানের একটি বাসা থেকে জনাব সালাউদ্দিন চৌধুরীকে গ্রেফতার করার পর যেদিন তাকে আদালতে উপস্থাপন করা হয় সেদিন ইসহাক তার অনুসারীদের নিয়ে আদালত প্রাঙ্গানে ব্যপক বিক্ষোভ প্রদর্শন করা কালে গুম খুন ক্রসফায়ারে পারফর্ম বলে কথিত ওসি সালাউদ্দিনের নেতৃত্বাধীন একটি পুলিশ দল কোর্ট প্রঙ্গন থেকে তাকে আটক করে কোর্ট হাজতে নিয়ে সেখানে দলবদ্ধ ভাবে অমানুষিক নির্যাতন করে। এতে সে বেশ কয়েকবার জ্ঞান হারিয়ে ফেললে প্রতিবারে তাকে চোখ মুখে পানি ছিটা দিয়ে জ্ঞান ফিরিয়ে এনে পূনরায় তাদের অত্যচার এর মাত্রা বাড়াতে থাকে,এভাবে চলে কয়েক ঘন্টা। কিন্তু দৌহিক ভাবে তাকে অত্যন্ত সুঠাম ও দীর্ঘ অভয়ের ইসহাক কে কোন ভাবেই তারা বশে আনতে না পেরে তাকে বিএনপি কর্মী টিপু হত্যা মামলার আসামি করে চালান দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য যে টিপুকে RAB গ্রেফতার করে বেশ কিছু দিন গুম রেখে পরে ক্রসফায়ারে নাটক সাজিয়ে তাকে হত্যা করে।প্রায় ৩ মাস কারাবাসের পর ইসহাক এ মামলায় জামিনে মুক্তি পায়। পরবর্তী যে কোন রাজনৈতিক কর্মসূচী হলে তাকে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলায় এজাহার ভুক্ত আসামি করা হতো।জানুয়ারি ২০১৪ এক বওনা ভোটে নির্বাচনের পর তার মাত্রা বহুল আংশে বৃদ্ধি পায়।জুলাই ২০১৮ নাগাদ তার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলার সংখ্যা ধারায় ৮৫ আর এ পর্যন্ত তার জানা মতে তাকে ইজহার নামিয় আসামি করা হয়।১০৫ টি মামলায়।আর ইজহারে নাম নেই কিছু আসামি হিসেবে দেখানো হচ্ছে বা হতে হবে ভবিষ্যতে এমন মামলার সংখ্যা কত এর হিসাব একমাত্র আল্লাহ আর আওয়ামী পুলিশ ছাড়া আর কেউ জানে বলে জানা যায় না।ইজহার নামিয় মামলা গুলো অধিকাংশ নাশকতা ও বোমাবাজি ধারায় সাজানো। তাই এক একটি মামলায় sit up হয়ে ২/৩ টিতে পরিনত হয়েছে। ফলে সে হিসেবে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন আদালতে নিয়মিত হাজিরা প্রদান যোগ্য মামলার সংখ্যা কম বেশি ২০০/৩০০টি। তাই প্রতিদিন ও তাকে কাশেমপুর জেল থেকে ঢাকার বিভিন্ন কোর্টে তাকে হাজিরা দিতে যেতে হয়।ভাঙ্গা চুরা প্রিজনাস ভ্যানে বিভিন্ন মাদকাসক্ত দের সাথে গাথাগাথি করে।সময় মত ঢাকা কোর্টে পৌছানোর জন্য তাকে রওনা হতে হয় সকাল ৫-৩০।আর ফিরতে বাজে রাত ৯/১০ টা এর জন্যই শুধু মাত্র শুক্র,শনি হচ্ছে ইসহাকের একমাত্র দিন যে দিন দুটি তে সারা সপ্তাহের বিশ্রাম এবং ব্যাক্তিগত কাজগুলো সে করে।
এ সকল মামলায় ইতোমধ্যে তাকে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে মোট ২৮ দিন।এসময়ে সম্ভাব্য সকল ধরনের বর্বরোচিত শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েছে সে।জানা যায় প্রতি দিন প্রত্যেক কোর্ট যাওয়ার সময় সে অন্যান্য বন্দীদের সালাম দিয়ে তাদের কাছে দোয়া চেয়ে যায়।তখন তার মুখে কিছুটা হাসি দেখা গেলেও রাতে যখন সে ফেরে তখন তার ক্লান্ত পরিশ্রম শরীর মুখের দিকে তাকিয়ে কেউ আর স্বাভাবিক থাকতে পারে না।তার পর ও বিষন্ন বদনে সে বলে!ভাই ফিরলাম! তখন ভেজা চোখে তার সহাবস্থান কারীদের আলহামদুলিল্লাহ বলা ছাড়া আর কোন ভাষা থাকে না।এরপর মাঝে মধ্যে তাকে আসমানের দিকে তাকিয়ে তাই বলতে ইচ্ছে করে ইয়া রাব্বুল আলামীন আর কত😭আমাদের প্রতি তোমার এ পরিক্ষা আর দীর্ঘায়িত করো না,মাবূদ এখন সম্পাত ঘোষণা করো।মাঝে মধ্যে এ ও মনে হয় আচ্ছা ইসহাক দের মায়েরা কি কখনো আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ করে কি?এমন করে বলে। হে আল্লাহ!আমার সন্তান তথা আমাদের পরিবারের উপর এমন পৈশাচিক নির্যাতন চালিয়ে যেয়ে যে বা যাঁহারা আমাদের জন্য জঘন্য পরিনত করেছে।হে মহান বিচারক তুমি তার বা তাদের সন্তান তথা পরিবারের জন্য অনুরূপ অবস্থা করে দিও।এ দুনিয়াতে এবং আখিরাতে ও উল্লেখ্য যে ইতোমধ্যে ইসহাকের অতি ঘনিষ্ঠ ছয় জন সহকারী কে গুম করে ফেলা হয়েছে।যার মধ্যে তার নিজ ভাতিজা সোহেল সহ জহির, পারভেজ, পিন্টু,সম্রাট,অন্যতম।এরা সকলেই ও নিজ থানা ওর্য়াড ছাত্রদলের নেতা। তাদের বেশ কয়েকবার allup নেওয়া হয়েছে গুম করা।আল্লাহ পাক হেফাজত করেছেন। ২০১৫ সালে ইসহাকের তৈরি দলের গুম খুন হত্যা পরিবারের সদস্যদের একত্র করে চেয়ারপারস্যান এর কার্যালয়ে সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠান করা হয়।বেগম খালেদা জিয়া নিজে উপস্থিত থেকে সাংবাদিক দেরকে এ অবহিত করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার দের সাথে একাত্ততা প্রকাশ করেন।
ডিসেম্বর ১৮ ভুয়া একাদশ সংসদ নির্বাচনে আগের মাস নভেম্বরে ইসহাক ১ দুঃসাহসী কাজ করে বসে।মামলা হাজিরা দেওয়ার জন্য যখন তাকে আদালতে নেওয়া হতোতখন হাতে হেন্ডকাপ পরিহত ইসহাক আদালত প্রাঙ্গানে তার অনুসারীদের দেখে/নিয়ে স্লোগান দিত! খালেদা জিয়ার ভয় নাই রাজপথ ছাড়ি নাই।
তারেক জিয়া এগিয়ে চলো আমরা আছি তোমার সাথে।ইত্যাদি।
এতে পুলিশ ভিন্ন পন্থা অবলম্বন করে।সবচেয়ে শেষে তাকে পিজনাস ভ্যানে তাকে উঠানো হতো। শহীদ জিয়ার নির্ভীক সৈনিক ইসহাক পুলিশি বাধা বিপত্তি নির্যাতন অত্যাচার ইত্যাদি উপেক্ষা করে পিজনাজ ভ্যানে মধ্য দিয়ে উঠে সে একই স্লোগান। যে স্লোগান ভিডিও ভাইরাল হয়ে যায়।সারা পৃথিবী ব্যাপি বিদেশের মাটি থেকে সে ভাইরাল ভিডিও দেখে আবারও আমার বুক কাপে এ ভেবে যে”এখনো এমন সৈনিক রা আছে যারা ভয় ভিত্তি বা ভোগবিলাসে নিজেদের কে সর্মপন না করে শোর্যবীর্য বলিয়ান পুরুষের মতো এখন ও গর্জন করে চলেছে এদের হাত ধরেই হবে একদিন এ দেশের সকল অনাচার অবিচারে মুক্তি ইনশাআল্লাহ!

ব্যাক্তিগত পর্যবেক্ষন

দীর্ঘ দিন খুব কাছ থেকে ইসহাক কে গভীর ভাবে পর্যবেক্ষন করার সুযোগ হয়েছে আমার। নিজের যত দূর্দসা ও বিড়াম্বনার মধ্যেই একটি বৃহত্তম ছাত্র সংগঠন এ সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে শুধু নয়,বরং মানুষিক দৃষ্টিকন দিয়ে তার সাধ্য সামর্থ অনুযায়ী তার সহকর্মী দের সকল ধরনের সহায়তা সে করে যাচ্ছে নিবেদিত ভাবেই। পুরনো ঢাকার অত্যন্ত সমভ্রান্ত ও ব্যবসায়ী পরিবারে সদস্য হিসেবে সকল সার্মথ্য সে এই কর্মে বেয় করে চলেছে। ইসলাম বর্নিত নিতী নৈতিকতা বিষয়ে খুবই সচেতন একটি ছেলে সে।আধ্যাতিক ইবাদত যথা নামাজ রোজা এবং কোরআন পাঠে নিয়মিত থাকার চেষ্টা করে।অসাধারণ সুন্দর কোরআন তেলোওয়াত ঘরে সেতা পাঠ করে।”কোথায় শিখেছো এমন সুন্দর কোরআান তেলওয়াত? জিজ্ঞেস করলে মিষ্টি হেসে জবাব দেয় সে” ভাই পরিবার থেকে। আমাদের পরিবারের কম বেশি সবাি এমন করে কোরআন পাঠ করে।সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো।কখনোই সে দলীয় পদের জন্য সুনির্দিষ্ট করে কিছু না বলে শুধু বলে ভাই দোয়া কইরেন, আল্লাহ যেন বেইজ্জতি না করে।আমার নেতা আমাকে সেখানে যেভাবে কাজে লাগাতে চান, আমি সেটার জন্যই নিজেকে প্রস্তুত করে রেখেছি। That’s all.

মন্তব্যঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি আগ পর্যন্ত রাজনীতি বুঝতাম না তাই তার পূর্বের কোন সংগঠনের সাথে যুক্ত হওয়া হয়নি।তবে ঢাবি ছাত্র জীবনের প্রায় ৫ বছর অতপর চাকরি জীবনে ২১বছর আর সর্বশেষ বির্পযস্ত জীবনের আরো প্রায়১০ বছর অনেক ছাত্রনেতাকে কাছে দূরে থেকে জানাশুনা সুযোগ আমার হয়েছে। এখন হচ্ছে নেতা কর্মিদের নীতিনৈতিকতা হীন করে ফেলা বর্তমান রাজনীতিতে একটা ফ্যাশন এ পরিনত হয়েছে। বিএনপির ভ্যান গার্ড বলে পরিচিত ছাত্রদল তার হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্য ফিরে পারে ইসহাক এর মত নেতা কর্মিদের মাধ্যমে বলে আমি দৃঢ় ভাবে বিশ্বাস করি।

এ প্রসঙ্গ ক্রমে একান্ত ব্যক্তিগত একটি আবেগ প্রকাশ করেই আমার আজকের এ মন্তব্য লেখনীর ইতি টানছি। অনগ্রসর উত্তরবঙ্গের একটি গ্রাম থেকে আসা এক কিশোর হিসেবে আমার রাজনীতি হাতে খড়ি শহীদ জিয়ার গঠিত ছাত্রদলের একজন প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবেই।বিশ্ব বিদ্যালয়ে জীবন শেষ হওয়ার সাথে সাথেই চাকরিতে চলে যাওয়ায় আর সুযোগ হয়নি।মূলদল বিএনপিতে প্রবেশ করার। পেশাগত দায়িত্বের প্রকৃত হেতু বিপরীত থাকলেও আশির দশকে আমার অতি প্রিয় এ সংগঠন ছাত্রদলে কর্মকান্ড ধারাবাহিকতা ৯০ দশকের প্রথম দিক পর্যন্ত অব্যহত দেখে নিজের মনের মধ্যে এক ধরনের গর্ব অনুভব করতাম।যা কাল অতিক্রমের সাথে সাথে ফিকে হতে শুরু করে। সর্বশেষ তথা বর্তমান অবস্থা কেমন?
এমন প্রশ্ন কেউ করলে খুব কষ্ট পাই।এমন অবস্থা একদিনে হয় নি। লোভী মতলববাজ কতিপয় মানুষ এ সকল পুরন্ত তরুণ যুবকদের বিবিধ লোভ লালসা কামনা বাসনা ইত্যাদি পলোভনের ফাঁদে ফেলে অধিকাংশের ঐ নীতি নৈতিকতা ও সার্মথ কে ধ্বংস করে ফেলেছে। আর খেসারত শুধু বিএনপি নেতা কর্মিরাই নয়, দেশের আাগামীর গনতন্ত্রর কামী মানুষ গুলোকে দিতে হচ্ছে চড়া মূল। এমন ধ্বংসাসুক ব্যাক্তিকে উদ্ধার করতে পারে ইসহাক দের মত শহীদ জিয়ার আর্দশের বলিওয়ান সে ভ্যানঘাট ছাত্রদলের সৈনিকরা।জীবন খোয়াবে প্রায় শেষ পযার্য়ের এসে আমাদের জীবন ও জীবিকা দাতা মহান রাব্বুল আলামিনের কাছে এ আমার একান্ত প্রার্থনাঃ আল্লাহ আমাদের সহায় হোন।
নামঃপরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন!
প্রাক্তন ছাত্রদল কর্মী।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ