fbpx
 

বিএনপির ৩০টাকার ইফতার : প্রবঞ্চনা নাকি ভালবাসা

Pub: Wednesday, May 29, 2019 3:21 AM
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া
বিএনপির চেয়াপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া অনেক সময় ধরেই জেলে আছেন। এর মধ্যে বিএনপি বা তার সহযোগি শক্তি তার মুক্তির জন্য ব্যাপক কোন আন্দোলন গড়ে তুলতে পারে নাই। অন্যদিকে বেগম জিয়া জেলে যাবার পর থেকেই বিএনপি ও তার সহযোগি শক্তিগুলো দাবী করে আসছিল তার মুক্তি ছাড়া কোন নির্বাচনে তারা অংশগ্রহন করবে না। কিন্তু, পরবর্তীতে দেখা গেল তার মুক্তি ছাড়াই নির্বাচনে অংশ নিলো। 
বেগম জিয়া জেলে যাওয়ার পরপরই বিএনপির আদর্শ বিরোধী শক্তির সাথে ঐক্যগড়ে তুললো। সেই ঐক্যের প্রধান নেতা হলেন গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন। যিনি রাজনৈতিকভাবে বিএনপি বিরোধী। শুধু বিরোধী বললে ভুল হবে, তিনি বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানকে মনে করেন বঙ্গবন্ধুর খুনি, যিনি ২১ আগষ্ট আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে সংগঠিত হামলায় বিএনপির বর্তমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকেই দায়ি বলে মনে করেন। এবং এ বিষয়ে তার অনেক বক্তব্য এখনও গণমাধ্যমে খুজে পাওয়া যাবে। সেই ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে আরো আছেন ৭ নভেম্বরের বিপ্লবের নায়ক জিয়াউর রহমানকে যারা ভিলেন মনে করেন এবং মুক্তিযোদ্ধা কর্ণেল তাহেরের হত্যাকারী হিসাবে আখ্যায়িত করে সেই জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি, বেগম জিয়া আজকে যে মামলায় শাস্তি ভোগ করছেন তার নৈপথ্য নায়ক, ১/১১ সরকারের অন্যতম উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মঈনুল হোসেন, আর একসময়ের জাসদ, পরবর্তীতে বাসদ হয়ে আ.লীগ হয়ে বর্তমানে নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না। আর কৃষক-শ্রমিক জনতা লীগের কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম তিনিও মনে হয় ২১ আগস্ট গ্রেন্টে হামলার জন্য তারেক রহমানকেই দায়ি করেন। আর কি কি বলেছেন বা বলেন তা পাঠক ও রাজনৈতিক সচেতন মানুষ ভাল করেই জানেন ও বুঝেন। 
যখন বেগম জিয়া ছাড়া জাতীয়তাবাদী ও ধর্মীয় মূল্যবোধে বিশ্বাসী কেউ নির্বাচনে না যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল তখন এককালের আ.লীগ নেতা ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে বিএনপি তার সকল পূরানো বন্ধুদের বাদ দিয়ে বা পাশ কাটিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাথে সংলাপে বসলেন। সংলাপরে তাদের একটি দাবী পূরন না হলেও বিএনপি নির্বাচনে গেলেন। 
আবার নির্বাচনে গিয়ে করলেন নানা নাটক।  সেখানেও মনোনয়ন বাণিজ্যসহ নানা ধরনের অপরাধের কথা বিএন নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের মাঝে প্রচলিত রয়েছে। ২০ দলীয় জোট গঠনের অন্যতম সংগঠক জাগপা সভাপতি মরহুম শফিউল আলম প্রধানের কণ্যা ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধানকে মনোনয়ন বঞ্চিত করা হলো। এমনকি বিএনপির অন্যতম প্রধান নীতিনির্ধারক তাকে অপমান করতেও ভুললেন না। আবার বিষয়টা এমন নয় যে, তাসমিয়া প্রধানকে বঞ্চিত করে ঐ আসনে কোন জাতীয় নেতাকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। সেখানে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে মহাসচিববের ব্যাক্তিগত সহকারীকে। যিনি শফিউল আলম প্রধানের চাইতেও গুরুত্বপূর্ণ ও প্রভাবশালী। মুসলিম লীগ সভাপতি এএইচএম কামরুজ্জামান খান, জাতীয় পার্টি জাফর চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দারদেরকেউ বঞ্চিত করা হয়েছে। 
তারপরও তারা সপ্ন দেখছিলেন ক্ষমতায় যাবার অথবা ৬০/৭০ আসন নিয়ে প্রধান বিরোধী দল হবার। আর সেই কারণেই ৩০ ডিস্মেবর নির্বাচনের দিন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন নির্বাচন সুষ্ঠু ও সুন্দর হচ্ছে বলে দাবী করেছেন। যদিও ২৯ ডিসেম্বর রাতেই দেশের প্রায় সকল জনগনই নিশ্চিত হয়ে গছে যে বিএনপি বা ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচনের মাঠে টিকেতেই পারছে না বা পারবে না। তার পরও কেন এই নগ্ন দালালি করলেন এই দুই শীর্ষ নেতা তা আজও ভোধগম্য নয় কারো কাছে। 
গত ৬ মে দৈনিক জাগরনে সিনিয়র সাংবাদিক তার “বিএনপিকে নিয়ে ড. কামালের ‘রাজচালাকি’ সফল!” শীর্ষক বিশ্লেষনে বলেছেন, “জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া বা জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মধ্যদিয়ে দেশের অন্যতম প্রধান বিরোধী দল বিএনপিকে নিয়ে গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন ‘রাজচালাকি’ করেছেন। বিএনপিকে নিয়ে তার সব উদ্দেশ্য সফল হয়েছে। সরকারি রোষানল, দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জেল, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের অগ্রহণযোগ্যতা, নেতাদের অবিশ্বস্ততাসহ নানা কারণে বর্তমানে চরম বিপর্যয় পার করছে একাধিকবার রাষ্ট্রক্ষমতায় আসীন হওয়া বিএনপি। বিপর্যস্ত বিএনপি ড. কামাল হোসেনের উদ্দেশ্য বা কৌশলের কাছে সম্পূর্ণভাবে ধরাশায়ী হয়েছে। গণফোরামের ৪ জন নেতার সঙ্গে আলাপকালে এসব তথ্য জানা যায়। নাম না প্রকাশের শর্তে ওই ৪ নেতা দৈনিক জাগরণকে বলেন, ড. কামাল হোসেন সুদূরপ্রসারী উদ্দেশ্য নিয়ে বিএনপির নির্বাচনে অংশগ্রহণে তার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা সফল করেছেন। “
নির্বাচনের পরে একের পর এক নাটক বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্যন্টকে জনগনের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। নির্বাচন বর্জন, শপথ গ্রহন না করার শপথ সকল কিছুকে পিছনে ফেলে হঠাৎ শপথ গ্রহন। আবার মির্জা ফখরুলের শপথ বর্জন, আসন শূণ্য। আবার ঐ শূণ্য আসনে সংস্কারপন্থি নেতাকে বিএনপির মোননয়ন প্রদান। এই সব কিছু মিলে কি মনে হয় এই নেতৃত্ব বেগম খালেদা জিয়াকে ভালোবাসেন অথবা তার দু:খে দু:খিত হয়ে ৩০ টাকার ইফতার করেছেন। 
২০ দলীয় জোটের অন্যতম শীর্ষ নেতা এলডিপি সভাপতি কর্ণেল (অব.) ড. অলি আহমেদ বীরবিক্রম ইতিমধ্যে কয়েকবারই বলেছেন বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের অনেকেই সরকারের নিকট থেকে অর্থের বিনিময়ে শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে ছিলেন, নির্বাচনকে বৈধতা দেবার ব্যবস্থা করেছেন। ঐ সকল নেতারাই চান না বেগম জিয়া মুক্তি পাক। গত ১৭ মে এলডিপির ইফতার মাহফিলে তিনি বলেন, “বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি নিয়েও বিভিন্ন জায়গায় নানা রকমের ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।২০ দলীয় ঐক্যজোট ভাঙার জন্য অনেকেই প্রক্রিয়া শুরু করেছে। সেই প্রক্রিয়া অবশ্য নির্বাচনের আগে থেকেই শুরু হয়েছিল। ইদানিং আমরা লক্ষ করছি কিছু ব্যক্তি চায় না খালেদা জিয়া মুক্তি পান।”
ড. অলি আহমদ আরো বলেন, “অনেক সময় দেখা যায় দেয়াল নিচু হলে ছাগল লাফ দিয়ে পার হয়ে যায়। পাশে মালিক খাড়াইয়া থাকে। অনেক সময় মালিকের চাইতেও ছাগলের উচ্চতা বেশি হয়। ছাগল হয়তো মনে করে আমি মালিকের চাইতে বেশি উঁচু। রাজনীতিতেও এই ধরনের অনেক ছাগল আছে। তারা মনে করে খালেদা জিয়ার চাইতেও তারা অনেক বড় নেতা। তিনি (খালেদা জিয়া) যদি জেল থেকে বের হন তাদের অসুবিধা হতে পারে। “
অনেক রাজনৈতিক কর্মীরা মনে করেন, “বিএনপিকে ঘিরে গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেনের স্বপ্ন কাজ করে। তার মতে, দেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপি বর্তমানে ক্ষয়িষ্ণু অবস্থায় আছে। নানা কারণে আগামীতে দলটি আরও দুর্বল হয়ে পড়ার সম্ভাবনা আছে। সেসময় আওয়ামী লীগ বিরোধী প্লাটফর্ম হিসেবে গণফোরাম আরও শক্তিশালী হবে। বিএনপির প্রভাবশালী নেতাদেরও গণফোরামে যোগ দেয়ার সম্ভাবনা দেখা দেবে। এসব নেতারা গণফোরামে যোগ দিলে তাদের অনুসারীরাও গণফোরামের সঙ্গে থাকবে। তাই গণফোরামকে আরও শক্তিশালী করতে ও গণফোরামের রাজনীতিতে আরও সক্রিয় হতে দলের বিভিন্ন মিটিংয়ে ড. কামাল হোসেন নেতাদের বারবার তাগিদ দিয়ে থাকেন।”
অন্যদিকে ২৪ মে এক বিশ্বেলষনে তারেক সালমান লিখেন, “নির্বাচনে অংশগ্রহণ থেকে শুরু করে নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে ধারাবাহিকভাবে দ্বিমুখি রাজনীতি করে আসছে বিএনপি। গেল কিছুদিনের রাজনীতি পর্যালোচনা করলে বিএনপির দ্বিমুখী রাজনীতি স্পষ্ট দৃশ্যমান হয়। সর্বশেষ সংসদ সদস্য হিসেবে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শপথ না নেয়ায় শূন্য হয়ে পড়া বগুড়া-৬ আসনে নতুন নির্বাচনে অংশ নেয়ার বিষয়েও দলটির দ্বিমুখি রাজনীতি প্রকাশ্যে এসেছে।”
এতোদিনেও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও বিএনপি, ২০ দল বেগম জিয়ার মুক্তির জন্য একটা নূণ্যতম কর্মসূচী দিতে পারলো না তারা ২৮ তারিখে ৩০ টাকার ইফতার করে আসলে কি বুঝাতে চাইলেন। এটা কি বেগম জিয়ার প্রতি ভালো বাসা নাতি আত্ম প্রবঞ্চনা ? নাকি বিএনপির দ্বিমুখি রাজনীতির আরেকটি উদাহরন মাত্র।
ইফতারের সময়ই ৩০ টাকা মূল্যের বিএনপি যে ইফতার করিয়েছে, তা নিয়ে বিতর্ক উঠেছে। রাজধানীর ইস্কাটনের লেডিস ক্লাবে ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়। দলীয় সূত্র জানায়, ৬৫ হাজার টাকা দিয়ে লেডিস ক্লাবের হলরুম ভাড়া করে ইফতার মাহফিলের আয়োজন করে বিএনপি।
৩০ টাকার এই ইফতারে ছিল- দুটি খেজুর, একটা জিলাপি, একটা বেগুনি, একটা পেয়াজু, ছোলা ভাজি, মুড়ি ও ছোট এক বোতল (৩৩০ মিলি) পানি।
সূত্র থেকে জানা যায়, হলরুমের ভেতরে ৭’শ চেয়ার বরাদ্দ রয়েছে। হলরুমের ভেতরে-বাইরে প্রায় পাঁচ হাজার লোকের আয়োজন করা হয়।
বিএনপির এই আয়োজনে ২০ দলীয় জোট এবং ঐক্যফ্রন্টের শরিক নেতারা অংশ নেন। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগকেও ইফতার মাহফিলে আমন্ত্রণ জানানো হয়। তবে তাদের কোনো নেতাকে ইফতার অনুষ্ঠানে দেখা যায়নি। এদিকে যুক্তফ্রন্টের শরিক নেতাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়নি বলে জানা গেছে।
ইফতার মাহফিলে যোগ দেয়া বিএনপি ও ২০ দলের নেতাদের মধ্যে ৩০ টাকার ইফতার নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা গেছে। তবে এ নিয়ে ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা প্রকাশ্যে কিছু বলতে চাননি।
ইফতারে অংশ নেয়া ২০ দলীয় জোটের একটি শরিক দলের চেয়ারম্যান নাম প্রকাশ না করার শর্তে গণমাধ্যমকে বলেন, বিএনপির এই নাটকের দরকার ছিল না। খালেদা জিয়া তো এসি রুমে ঘুমাচ্ছেন না। তাহলে নেতারাও এসি রুমে না ঘুমিয়ে থাকেন? সারা দিন রোজা থাকার পর ইফতারে এই ধরনের খাবার স্রেফ নাটক ছাড়া কিছু নয়। বিএনপির যদি খালেদা জিয়ার জন্য এতোই দরদ থাকতো, তাহলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে গিয়ে ইফতারের আয়োজন করতো। সেটা মানানসই ছিল।
এদিকে বিএনপির এক ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, চেয়ার ভাড়া করতে খরচ হয়েছে একশ টাকা আর ইফতারি হচ্ছে ৩০ টাকার। এটার কোনো দরকার ছিল বলে আমি মনে করি না। প্রতিবাদ করতে হলে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান বা নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে প্রতিদিন একেকটি ইউনিট বা অঙ্গসহযোগী সংগঠন ৩০ টাকার মধ্যে ইফতারের আয়োজন করতো, সেখানে একজন স্থায়ী কমিটির সদস্যকে প্রধান অতিথি রাখলে তা আরও বেশি কার্যকরী হতো।
ইফতারির আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আজকে অত্যন্ত ভারাক্রান্ত মন নিয়ে আমাদের এই আয়োজনে অংশ নিতে হচ্ছে। আপনারা সবাই জানেন, গণতন্ত্রের মাতা দীর্ঘদিন গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করেছেন, লড়াই করেছেন। তাকে সম্পূর্ণ একটি মিথ্যা মামলায় কারাগারে আবদ্ধ করে রাখা হয়েছে। এই রমজান মাসে যখন আমরা এখানে সমবেত হয়েছি, তখন তিনিও কারাগারে থেকে বন্দি অবস্থায় পিজি হাসপাতালের ছোট্ট একটি কক্ষে ইফতারের জন্য অপেক্ষা করছেন। তার ইফতারের জন্য সরকারের বরাদ্দ মাত্র ৩০ টাকা। সেজন্যই আজকে আমাদের ইফতারের আয়োজনও ৩০ টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ রেখেছি।
তিনি বলেন, আমরা অভ্যাগত সুধীবৃন্দের কাছে, আমাদের অতিথিদের কাছে অনুরোধ জানাব- আপনাদের কষ্ট হলেও দয়া করে এটাকে স্বীকার করে নেবেন। শুধুমাত্র সেই নেত্রীর প্রতি সম্মান দেখানোর জন্য।
মির্জা ফখরুলের এই বক্তব্যে পর প্রশ্ন থাকাটা স্বাভাকিব ১ম রাজধান থেকে এই ৩০টাকার ইফতার আয়োজন পর্যন্ত কি বিএনপি নেতারা প্রতিদিন একই রকম ইফতার করেছেন ? বিএনপি নেতারা কি এসিতে ঘুমান না ? এবার ঈদে কি তারা সাধারণ মানুষের মত ঈদ পালন করবেন ? তারা কি ৩০ টাকার ইফতার খয়েই তাদের দায়িত্ব শেষ করবেন ? বেগম জিয়ার মুক্তি আন্দোলন আধ্যে কি হবে ? নাকি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বাবু গয়েশ্বর রায়ের সন্দেহ সঠিক প্রমানিত হবে যে, “বেগম জিয়ার  লাশই জেলগেইট থেকে গ্রহন করতে হবে।”
এই কথাগুলো ভেবে দেখার সময় এখনই, অন্যথায় এভাবে চলতে থাকলে হয়তো রাজনীতিক বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের বক্তব্যই সত্যে প্রমানিত হবে। তাই ৩০ টাকার ইফতারের নামে কোন রকম প্রবঞ্চনা নয় প্রয়োজ খালেদা জিয়ার মুক্তি আন্দোলন।
(লেখক : রাজনীতিক ও কলামিস্ট, মহাসচিব, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ)


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ