fbpx
 

৯ মার্চ মওলানা ভাসানীর বক্তব্যে স্বাধীনতা নিয়ে সকল প্রশ্নের অবসান ঘটে

Pub: রবিবার, মার্চ ৮, ২০২০ ৪:১৪ অপরাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া

০১. উত্তপ্ত পরিবেশে যখন স্বাধিকার আন্দোলনে সমগ্র জাতি যখন তৈরী ঠিক তখনই ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ ঢাকার রমনার রেসকোর্স ময়দানে অনুষ্ঠিত জনসভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এক ঐতিহাসিক ভাষণ দিয়েছিলেন। আঠারো মিনিট স্থায়ী এ ভাষণে তিনি নির্যাতিত বাঙালিকে মুক্তিযুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তাই এ ভাষণের যেমন ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে; তেমনই রয়েছে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চেও ভাষনের একদিন পর ৯ মার্চ মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর বক্তব্য সমগ্র জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেছিল। ৭ ও ৯ মার্চের পর স্বাধীনতার ক্ষেত্রে আর কোনো সন্দেহের অবকাশ থাকে না। সকল জলপনা সন্দেহের অবসান ঘটে। জনমনে আস্থার সৃষ্টি হয়।

০২. বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও স্বায়ত্ত¡শাসনের আন্দোলনকে যদি ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট থেকে দেখি তবে দেখা যাবে, মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীই প্রথম তার বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মকান্ডের মাধ্যমে স্বায়ত্তশাসন, এমনকি স্বাধীনতার বিষয়টি সামনে নিয়ে আসেন এবং বাঙ্গালি জাতিকে স্বাধীনতার স্বপ্ন দেখাতে স্বক্ষম হন। মওলানা ভাসানী ১৯৪৮ সালের ১৯ মার্চ ভাষার অধিকার প্রসঙ্গে বলেছেন, ‘আমরা কি সেন্ট্রাল গভর্নমেন্টের গোলাম?’ পঞ্চাশের দশকের শুরু থেকেই মাওলানা ভাসানী পূর্ব বাংলার স্বায়ত্তশাসন, স্বাধিকার এসব বিষয় জাতীয় রাজনীতির সামনে তুলে ধরেন। কিন্তু দু:খজনক হলেও সত্য ১৯৫৪ সালের নির্বাচনের পর হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী প্রধানমন্ত্রী হয়ে মাওলানা ভাসানীকে খন্ডন করে বলেন, ‘পূর্ব পাকিস্তানের ৯৮ ভাগ স্বায়ত্তশাসন দেওয়া হয়ে গেছে।’ আর এর ফলশ্রæতিতেই দুই নেতার মধ্যে মতপার্থক্য শুরু হয়।

০৩. ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনের আগে যে ২১ দফা ঘোষণা করা হয়েছিল সেখানে ১৯ দফায় মওলানা ভাসানী বলেছেন, ‘লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে পূর্ববঙ্গকে পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন প্রদান ও সার্বভৌমিক করা হইবে এবং দেশরক্ষা, পররাষ্ট্র ও মুদ্রা ব্যতীত আর সমস্ত বিষয় পূর্ববঙ্গ সরকারের হাতে আনয়ন করা হইবে।’
১৯৫৫ সালের ১৭ জুন পল্টনের জনসভায়ও মওলানা ভাসানী স্বাধীনতার কথা বলেন। ১৯৫৬ সালের ১৫ জানুয়ারি মাওলানা ভাসানী সরাসরি স্বাধীনতার কথা বলেছিলেন। ১৯৫৭ সালের ‘কাগমারী সম্মেলনে’ খুব গুরুত্ব দিয়ে তিনি দ্ব্যর্থহীন ভাষায় স্বাধীনতার কথা বলেছিলেন। তিনি পাকিস্তানের প্রতি বিদায়ী বচন ‘আসসালামু আলাইকুম’ উচ্চারণ করেছিলেন। ১৯৫৭ সালের ৮ ফেব্রæয়ারি কাগমারী সম্মেলনের সুবিশাল জনসভায় মাওলানা ভাসানী বলেছিলেন, ‘এভাবেই যদি পূর্ব বাংলার জনগণের ওপর শাসন-শোষণ চলতে থাকে, তবে আগামী ১০ বছরের মধ্যে পূর্ব বাংলার মানুষ পশ্চিম পাকিস্তানের প্রতি আসসালামু আলাইকুম জানাবে। তোমাদের পথ তোমরা দেখো, আমাদের পথ আমরা দেখব।’ এ কারণেই রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলেন, কাগমারী সম্মেলনে স্বাধীন বাংলাদেশ অভ্য্যুদয়ের বীজমন্ত্র নিহিত ছিল।

০৪. ১৯৬৯-এর অক্টোবরে শাহপুরে, ১৯৭০-এর জানুয়ারিতে সন্তোষে এবং একই সনের এপ্রিলে মহিপুরে বিভিন্ন কৃষক সম্মেলনে মাওলানা ভাসানী বললেন, ‘আমাদের ভাগ্য আমাদেরই গড়ে নিতে হবে। পিন্ডির গোলামি ছিন্ন করতে হবে।’ ১৯৭০-এর ১২ নভেম্বরের বঙ্গোপসাগরীয় সাইক্লোনের প্রেক্ষাপটে মহান নেতা আবার আঙুল উঁচিয়ে জাতিকে দিকনির্দেশনা দিলেন। আর কোনো পরোক্ষ ভাষা নয়, ‘স্বাধিকার স্বায়ত্তশাসন নয়, চাই স্বাধীনতা।’ ১৯৭০-এর ২৩ নভেম্বর ও ৪ ডিসেম্বর পল্টনের জনসভায় সেই একই কথার পুনরাবৃত্তি করলেন।
১৯৭১-এর ৯ জানুয়ারি সন্তোষের দরবার হলে স্বাধীনতা অর্জনের লক্ষ্যে সর্বদলীয় সম্মেলন অনুষ্ঠানের পর মাওলানা ভাসানী শহরে-বন্দরে, গ্রামে-গঞ্জে উল্কার গতিতে ছুটে বেড়ালেন। তার কথা একটাই, স্বাধীনতা চাই। আর শুধু কি ভাষণে স্বাধীনতার প্রশ্ন সামনে আনলেন? না। এমনকি খোদ ইয়াহিয়া খানের সঙ্গে আলোচনার সময়ও প্রেসিডেন্টের মুখের ওপর ছুড়ে মেরেছিলেন, ‘পাকিস্তান কিসিকা বাপকা জায়দাদ নেহি হ্যায় (পাকিস্তান করো বাপের সম্পত্তি নয়।)।’
১৯৭০’র মওলানা ভাসানীর নির্বাচন বর্জন প্রসঙ্গে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, মওলানা ভাসানী আগেই বুঝতে পেরেছিলেন তিনি নির্বাচনে অংশ নিলে ভোট দুভাগ হয়ে যাবে। প্রচন্ড মতবিরোধ সৃষ্টি হবে। তাতে স্বাধীনতাযুদ্ধ হবে না। তিনি চেয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানই জিতুক। ভৌগোলিক স্বাধীনতা আসতে পারে তাতে।’ সব কিছু বিচেনা করলে এটাই বুঝা যায় যে, মাওলানা ভাসানীর কাছে শুধু স্বাধীনতা অর্জনই মুখ্য বিষয় ছিল।

০৫. এভাবেই মওলানা ভাসানী সেই সময় স্বাধীনতার ক্ষেত্র প্রস্তুত করে দিয়েছিলেন। যার ফলে ২ মার্চ, ৩ মার্চ পতাকা উত্তোলন ও ইসতিহার পাঠের মাধ্যমে ছাত্রনেতারা স্বাধীনতার আন্দোলন জোরদার করার সুযোগ পেয়েছিলেন। বাঙালি জাতির স্বাধীনতার অগ্রদূত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রেসকোর্স ময়দানে ঘোষণা দিলেন, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’ ৭ মার্চের ভাষণ শুনে মাওলানা ভাসানী হাঁপ ছেড়ে বাঁচলেন। তিনি এত দিন বিভিন্ন রাজনৈতিক দল বিশেষ করে আওয়ামী লীগ ও শেখ মুজিবুর রহমানের কাছে মনে মনে এটাই চেয়েছিলেন।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের পর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ দিয়েছিলেন স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা মজলুম জননেতা মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ১৯৭১ সালের ৯ মার্চ । মিছিলে মিছিলে সারাদেশ উত্তাল। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের পর থেকেই মূলত তার নির্দেশ অনুযায়ী চলতে থাকে দেশ। চরমে পৌছে দেশব্যাপী অসহযোগ আন্দোলন।

ঠিক ঐ মুহুর্তে মওলানা ভাসানী ৯ মার্চ, ১৯৭১ সালে পল্টনে এই ভাষণ দেন। সে জন্যই দুদিন পর পল্টনের জনসভায় মাওলানা ভাসানী বললেন, ‘ঘরের ছেলে ঘরে ফিরে এসেছে।’ তিনি এও বললেন, ‘শান্তিপূর্ণভাবে আমরা স্বাধীনতা পেয়ে গেলে ১৯৪০-এর লাহোর প্রস্তাবের পূর্ণ বাস্তবায়ন হবে।’ একইভাবে মওলানা ভাসানী পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খানের উদ্দেশে বলেন, ‘অনেক হয়েছে আর নয়, তিক্ততা বাড়িয়ে লাভ নেই। “লা-কুম দিনিকুম অলিয়া দ্বীন” অর্থাৎ তোমার ধর্ম তোমার, আমার ধর্ম আমার; পূর্ব বাংলার স্বাধীনতা স্বীকার করে নাও। সাড়ে সাত কোটি বাঙালির মুক্তি ও স্বাধীনতার সংগ্রামকে কেউ দমিয়ে রাখতে পারবে না।’

একাত্তরের এই দিনে ঢাকা শহর মিছিলের নগরীতে পরিণত হয়েছিল। যেখানে সেখানে জটলা, মিছিল, মিটিং চলতেই থাকে।

৯ মার্চ উত্তাল ঢাকার ঐতিহাসিক পলটন ময়দানে অনুষ্ঠিত বিশাল জনসভায় বাঙালির স্বাধীনতা আন্দলনের প্রতি একাত্বতা প্রকাশ করে মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী তার চিরাচরিত দরাজ কণ্ঠে আরো ঘোষণা দেন, ‘হে বাঙালিরা, আপনারা মুজিবের উপর বিশ্বাস রাখেন, তাকে খামোকা কেউ অবিশ্বাস করবেন না, কারণ মুজিবকে আমি ভালোভাবে চিনি।’

তার একথা শুনে উপস্থিত জনতার করতালি আশপাশ প্রকম্পিত করে তুলে।

জনসভায় মজলুম জননেতা আরো বলেন, ‘মুজিবের নির্দেশ মতো আগামী ২৫ তারিখের মধ্যে কিছু না হলে আমি শেখ মুজিবের সঙ্গে মিলে ১৯৫২ সালের মতো তুমুল আন্দোলন গড়ে তুলবো।’

০৬. ১৯৭১ সালের ১০ মার্চ দৈনিক আজাদের প্রধান শিরোনাম ছিল, পল্টনের জনসমুদ্রে মওলানা ভাসানীর ঐতিহাসিক ঘোষণা, ‘মুজিবের সহিদ একযোগে মুক্তি সংগ্রাম করিব।’ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে উদ্দেশ করে ভাসানী বলেন, ‘ওদের সাথে আলোচনা করে কিছু হবে না। ওদের আসসালামু আলাইকুম জানিয়ে দাও।’ ‘পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হওয়া থেকে বাংলার নায়ক হওয়া অনেক ভাল। আমরা প্রধানমন্ত্রী হতে যাব না, কারও বাপের শক্তি নাই স্বাধীনতা ঠেকাবে’। তিনি বলেন, ‘৭ মার্চের শেখ মুজিবের ভাষণকে কেই উপেক্ষা করবে না, এ ভাষণে রাজনৈতিক অনেক শিক্ষানীয় বিষয় রয়েছে, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে তা অক্ষরে-অক্ষরে পালন করিবে।’ পাকিস্তানিদের উদ্দেশ্য মওলানা ভাসানী বলেন, ‘আর গুলি চালিয়ে লাভ নাই। আমেরিকার ষড়যন্ত্রে ইন্দোনেশিয়া ১৭ লাখ মানুষকে হত্যা করে সমুদ্রের পানি লাল করেছ। কিন্তু সেখানেই শেষ নয়, রক্তের পুরস্কার হাসিল তারা করবেই। ৭ কোটি মানুষকে হত্যা করা যাবে না। ৭ কোটি মানুষের মুক্তির দাবি দাবিয়ে রাখা যাবে না।’ জনসভায় তিনি আরো বলেন, ‘জালেমের জুুলুম যে বরণ করে,সে-ও মহাপাপী। জালেমের সহিদ কোনো আপস নেই’। পল্টন ময়দানে জনতার উদ্দেশ্য ভাসানী আরো বলেন, ‘ভাসানীকে তোমরা নয়নমণি আর চোখের মণি, যাহাই বলো না কেন, এবার আপোষের পথে পা বাড়াইলে রান আস্ত থাকিবে না। একইভাবে শেখ মুজিবকেও বঙ্গবন্ধু বলো, আর যাই বলোÑ সেও আপোষ করিলে জনতা ক্ষমা করিবে না’। তিনি বলেন,‘ মুজিব আমার ছেলের মতো। মুজিবকে তোমরা অবিশ্বাস করিও না। তাহার ওপর অনেক ভরসা। মুজিবকে আমি আপন সন্তান অপেক্ষাও বেশী স্নেহ করি’। জনসভার আগে মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর সঙ্গে ২৭ মিনিট টেলিফোনে আলোচনা করেন আওয়ামী লীগ প্রধান শেখ মুজিবুর রহমান।

০৭. মজলুম জননেতা মাওলানা ভাসানী এই বক্তব্যের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রতি পূর্ণ সমর্থন ও আস্থা প্রকাশ করলেন। তার এ বক্তব্যে স্বাধীনতা সংগ্রামে বামপন্থিদের অংশগ্রহণ আরো শক্তিশালী হয়।

এদিকে বঙ্গবন্ধুর নির্দেশনা অনুযায়ী দেশকে শত্রুমুক্ত করে স্বাধীনতা ছিনিয়ে আনতে যুবকরা ঐক্যবদ্ধ হতে থাকে। বিভিন্ন স্থানে চলে গোপন অস্ত্রের প্রশিক্ষণ, গেরিলা যুদ্ধের প্রস্তুতি। অবসরপ্রাপ্ত বাঙালি সেনা অফিসার-সৈনিকরা গোপনে নানা স্থানে সশস্ত্র প্রশিক্ষণের মাধ্যমে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত করতে থাকে স্বাধীনতার স্বপ্নে বিভোর দামাল ছেলেদের।
৯ মার্চ মজলুম মাওলানা ভাসানী বক্তব্যের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত স্বাধীনতা সংগ্রামের সঙ্গে পূর্ণ আস্থাই প্রকাশ পেয়েছিল। দুই প্রধান নেতার একই সিদ্ধান্তে চলে আসার একটি অনন্য উদাহরণ স্থাপিত হয়েছিল। তবে এ উদাহরণটি ইতিহাসের পাতায় অনেকটাই অনুপস্থিতই বলা যায়, বলা যায় ইতিহাস থেকে মুছেই ফেলা হয়েছে এই উদাহরন। যদিও এটা সত্য যে, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়ে যায় ৭ মার্চের বঙ্গবন্ধুর ভাষণের পরপরই। আর ৯ মার্চ মওলানা ভাসানীর ভাষনের পর প্রধান দুই নেতা একসঙ্গে একই সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে ঐকমত্য প্রকাশ করেন, তখন স্বাধীনতার ক্ষেত্রে আর কোনো সন্দেহের অবকাশ থাকে না।

‘সাড়ে সাত কোটি বাঙালির মুক্তি ও স্বাধীনতার সংগ্রামকে কেউ দমিয়ে রাখতে পারবে না’ এই কথাগুলো ছিল দূরদর্শী মওলানা ভাসানীর। সাত কোটি মানুষকে নিয়ে করা এই অবশ্যম্ভাবী ভবিষ্যদ্বাণী সত্য হয়েছিল মাত্র নয় মাসেই। কিছু মানুষ শুধু স্বপ্ন দেখাতে নয়, সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে আলোকবর্তিকা হয়ে থাকেন। মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী সেই মাপের একজন মানুষ ছিলেন। মওলানা ভাসানীর মুক্তিযুদ্ধে অবদান সবার মাঝে ছড়িয়ে পড়ুক। শুধু দিবস কেন্দ্র্রিক স্মরণ না করে তাঁর চেতনাকে আমরা নিজেদের কাজের মধ্যে লালন করে সুখী সমৃদ্ধশালী দেশ গড়ি এই হোক প্রত্যয়।

[ লেখক : রাজনীতিক ও কলাম লেখক
মহাসচিব, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ ও আহ্বায়ক, জাতীয় কৃষক-শ্রমিক মুক্তি আন্দোলন]

Hits: 63


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ