করোনা নিয়ে ভিডিও বার্তায় যা বললেন তাবিথ

Pub: Thursday, March 26, 2020 11:55 PM
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে মেয়র পদে নির্বাচন করা বিএনপির তাবিথ আউয়াল বলেছেন, করোনাভাইরাস মোকাবেলায় ছুটি নয়, আগামী ১০ দিন আমাদের লকডাউনে থাকতে হবে।

তিনি বলেন, করোনাভাইরাস বা কোভিড-১৯ মোকাবেলায় সরকার ১০ দিন সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে। এটা সরকারকে আরেকটু পরিষ্কার করা দরকার ছিল। কারণ এটা ছুটি কাটানোর বিষয় নয়। এ মনোভাব থেকে দ্রুত সরে আসতে হবে। আগামী ১০ দিন আমরা যে যে জায়গায় আছি সে জায়গাতেই অবস্থান করব। আমরা নিশ্চিত করব কাউকে সংক্রমিত করব না, নিজেও হবো না। সুতরাং আগামী ১০ দিন আমরা সবকিছু বন্ধ (লকডাউন) করে রাখব।

বৃহস্পতিবার এক ভিডিও বার্তায় তাবিথ এ আহ্বান জানান। তিনি আরও বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ওষুধের কথা শোনা যাচ্ছে, করোনাভাইরাসকে কিউর করার জন্য। ব্যাপারটি সত্য নয়। বলা হচ্ছে যে, করোনা প্রতিরোধে ম্যালেরিয়ার ড্রাগগুলো ব্যবহার হতে পারে। তবে কেউ নিজ উদ্যোগে এসব ওষুধ নেবেন না। ওষুধ নেয়ার আগে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নেবেন। অনেকেই এই রোগে আগামীতে আক্রান্ত হতে পারি। তাই আমরা চাচ্ছি এটাকে একটা দীর্ঘমেয়াদি অবস্থায় নিয়ে যাওয়ার জন্য, যাতে করে আমাদের চিকিৎসা ব্যবস্থার ওপর চাপ না পড়ে।

তাবিথ আউয়াল বলেন, করোনাভাইরাস নিয়ে দেশের মানুষ যখন ঐক্যবদ্ধ হচ্ছে ঠিক এই সময় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি অত্যন্ত আনন্দের। ওনার মুক্তির কারণে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে এই মহামারী থেকে মুক্তি পেতে পারব।

তাবিথ বলেন, বুধবার প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের পর আমি বেশ কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলেছি। দেশের এমন পরিস্থিতিতে ওনার এই ভাষণ থেকে বোঝা গেছে এতে একটু ঘাটতি রয়েছে। আমরা জানতে পেরেছি দেশে ১৩ হাজার টেস্ট কিট আছে, আরও ৩০ হাজার টেস্ট কিট দেশে আনা হচ্ছে। তবে এই টেস্ট কিটগুলো কবে নাগাদ দেশে আসবে এসব যদি জানতাম তাহলে আরও কিছুটা স্বস্তিতে থাকতাম।

তিনি বলেন, আমাদের বলা হয়েছে, রাজধানীর ১০টি হাসপাতালে এবং দেশের অন্যান্য জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে অনেকগুলো আইসোলেশন বেড ও করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসা ব্যবস্থা করা হয়েছে। কিন্তু এখনো বলা হচ্ছে না ওইসব আইসোলেশন বেডগুলেতে আইসিউর ব্যবস্থা আছে কিনা।

তাবিথ বলেন, আমরা শুনতে পেলাম রফতানিমুখী শিল্পের জন্য ৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। আমরা জানতে চাই রফতানিমুখী শিল্প ছাড়াও দেশে যেসব শিল্প আছে তাদের ব্যাপারে কতটুকু টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, গত দুই মাস ধরে যে দুটি দাবি আমি জানিয়ে আসছি, পানি ও বিদ্যুতের দাম বাড়ানো যাবে না। কিন্তু ঠিকই এসবের দাম বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে। যদিও এখন বলছে এই বিলগুলো জুনের আগে পরিশোধ করতে হবে না। আমি মনে করি, আগে এসবের দাম কমিয়ে তারপর বিল চার্জ করা প্রয়োজন ছিল। আমরা শিগগিরই একটি অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের মধ্যে পড়তে পারি।

তাবিথ আউয়াল বলেন, আমরা দেশের সশস্ত্র বাহিনীকে ধন্যবাদ জানাই। কারণ তারা এই মহাবিপদের সময় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। আমি মনে করি, সরকারে উচিত আহ্বান জানানো, বেসরকারি খাত, বিশেষ করে চিকিৎসা সেক্টরে সহযোগিতা করার জন্য। আর কীভাবে সহযোগিতা করা সে বিষয়টা পরিষ্কার করার জন্য।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
নিউজটি পড়া হয়েছে 1007 বার

Print

শীর্ষ খবর/আ আ