নিজস্ব প্রতিনিধি
ছবি: প্রতিনিধি
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কনিষ্ঠ পুত্র, বিএনপির প্রয়াত নেতা আরাফাত রহমান কোকো’র ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বনানী কবরস্থানে তাঁর সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন, ফাতেহা পাঠ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার সকালে ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এনডিপি)-র মহাসচিব মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা’র নেতৃত্বে দলীয় নেতাকর্মীরা মরহুমের কবরে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাবেক ছাত্রনেতা শাহজাহান মিয়া সম্রাট, ওলামা দলের নেতা মাওলানা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, সাংবাদিক অলিদ সিদ্দিকী তালুকদারসহ বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ।
কবর জিয়ারত শেষে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা বলেন,
“২০১৫ সালের এই দিনে মালয়েশিয়ায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরাফাত রহমান কোকো ইন্তেকাল করেন। তাঁর অকাল মৃত্যু জাতির জন্য ছিল এক বেদনাবিধুর অধ্যায়। চার দিন পর, ২৮ জানুয়ারি তাঁর মরদেহ দেশে আনা হয়। সেদিন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে তাঁর জানাজায় শরীক হওয়ার সৌভাগ্য আমার হয়েছিল।”
তিনি আরও বলেন,
“সেদিন আমরা দেখেছি এক সন্তানহারা মায়ের বুকফাটা কান্না। দেশবাসী দেখেছে বড় ভাইয়ের বিদেশে অবস্থানের কারণে জানাজায় উপস্থিত থাকতে না পারার গভীর বেদনা। জিয়া পরিবারের ওপর বারবার নেমে আসা এই শোক জাতির হৃদয়কেও ভারাক্রান্ত করেছে।”
ঈসা বলেন,
“শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং আরাফাত রহমান কোকো—এই পরিবার দেশের গণতন্ত্র ও জাতীয়তাবাদী রাজনীতির জন্য যে ত্যাগ স্বীকার করেছেন, তা ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। বর্তমানে জিয়া পরিবারের জীবিত সদস্য বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আমরা তাঁর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করি।”
দোয়া মাহফিলে মরহুম আরাফাত রহমান কোকোসহ শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়ার সুস্থতা এবং দেশের শান্তি, গণতন্ত্র ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
উল্লেখ্য, আরাফাত রহমান কোকো ছিলেন ক্রীড়া সংগঠক ও বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত একজন পরিচিত মুখ। তাঁর অকাল মৃত্যুতে জাতীয়তাবাদী পরিবার ও দলের নেতাকর্মীদের মাঝে এখনো গভীর শোক বিরাজ করছে। প্রতি বছর তাঁর মৃত্যুবার্ষিকীতে নেতাকর্মীরা কবর জিয়ারত, মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে থাকেন।












