ফৌজদারি আইন বিশেষজ্ঞ, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান খন্দকার মাহবুব হোসেনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছেন প্রখ্যাত এই আইনজীবী। আজ শনিবার সকালে তার জুনিয়র অ্যাডভোকেট এম মাসুদ রানা এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেনের শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হয়েছে। তার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ কাজ করছে না। তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালের ক্রিটিক্যাল ইউনিটে ভেন্টিলেশন সাপোর্টে রাখা হয়েছে।
অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেনের ফুসফুসে হঠাৎ পানি আসায় গত সোমবার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হওয়ায় রাতে ভেন্টিলেশন সাপোর্টে নেওয়া হয়। তার পরিবার দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছে।
অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন ১৯৩৮ সালের ২০ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন। তার পৈতৃক বাড়ি বরগুনা জেলার বামনা উপজেলায়। তিনি ১৯৬৭ সালের ৩১ জানুয়ারি আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন। ১৯৭৩ সালে দালাল আইনে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য গঠিত আদালতের প্রধান কৌঁসুলি ছিলেন।
তিনি একাধিকবার সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বাংলাদেশের ফৌজদারি আইন বিশেষজ্ঞ হিসেবে পরিচিত।
খন্দকার মাহবুব হোসেন ২০০৮ সালে বিএনপিতে যোগ দেন। ২০০৯ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত তিনি বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ছিলেন। ২০১৬ সালে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে ভাইস চেয়ারম্যান পদ পান।
২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরগুনা-২ আসন থেকে তিনি ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর কাছে পরাজিত হন। ওই আসনে আগেও অন্য দল থেকে একাধিকবার তিনি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।












