কারাগারে আদালত খালেদার নিরাপত্তায়: আইনমন্ত্রী

Pub: বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ৬, ২০১৮ ১১:১৪ অপরাহ্ণ   |   Upd: বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ৬, ২০১৮ ১১:১৪ অপরাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

কারাগারের ভেতরে আদালত বসিয়ে দুর্নীতি মামলায় খালেদার বিচার করা ক্যামেরা ট্রায়াল নয় বলে মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক। বলেছেন, ‘বরং বিএনপি চেয়ারপারসনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই কারাগারে আদালত বসানো হয়েছে।’

বৃহস্পতিবার দৈনিক সমকাল পত্রিকা অফিসে আয়োজিত ‘সমতলের ক্ষুদ্র জাতিসত্তা ও দলিত জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষা: প্রাতিষ্ঠানিক নীতি কাঠামোর দাবি’ শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘একটা কথা উঠেছে এটা ক্যামেরা ট্রায়াল। কিন্তু যে প্রজ্ঞাপনটি জারি করা হয়েছে, সেই প্রজ্ঞাপনের মধ্যে প্রজ্ঞাপন জারির কারণ স্পষ্ট করে বলা আছে।

‘ক্যামেরা ট্রায়ালের সংজ্ঞা হচ্ছে যেখানে কাউকে কোনো পাবলিক বা মিডিয়াকে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। যেখানে শুধু বিচারক, আসামি আর প্রয়োজন হলে তার আইনজীবীকে রাখা হয়। এমনকি তার কোনো তথ্যাদি প্রকাশও করা যাবে না। এমন যদি হয় তাহলে ক্যামেরা ট্রায়াল হয়।’

তিনি বলেন, ‘গত সাত মাস যাবত এই কোর্টটা বসছে। এই সাত মাসে মূল আসামি কোর্টে হাজিরা দিচ্ছেন না। নিরাপত্তাজনিত কারণে বা অন্য কোনো কারণে তিনি যখন হাজিরা দিচ্ছেন না, তখন সেইটার সুবিধার্থে নিরাপত্তা আরও সুনিশ্চিত করার জন্য সেখানে কোর্ট বসানো হয়েছে। এতে কারো অধিকার খর্ব করা হয়নি।’

নিজেদের নির্দোষ প্রমাণ করার চেষ্টা না করে বিচারকে কিভাবে বয়কট করা যায় বিএনপির আইনজীবীরা সেই চেষ্টাই করছেন, মন্তব্য করে মন্ত্রী বলেন, ‘এতে শুধু এটাই প্রমাণিত হয়, তারা নিজেরা নিজেদের দোষী সাব্যস্ত করছেন। সেই কারণে তারা বিচারের সম্মুখিন হতে চান না।’

আদালতে খালেদা জিয়ার দেয়া বক্তব্যের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে মন্ত্রী বলেন, ‘এটা হয়তো তার ইমোশোনাল (আবেগী) বক্তব্য। এটাকে আমি খুব একটা গুরুত্ব দিব না।’

খালেদা জিয়ার আইনজীবীদের পাঠানো আইনি নোটিশের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘কপি হাতে পাইনি। হাতে পেলে সিদ্ধান্ত নেব।’

নির্বাচনকালীন সরকারের ব্যাপারে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী যেহেতু বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি, পার্টির নেতা। তিনিই একমাত্র ঘোষণা দিতে পারেন কখন তিনি নির্বাচনকালীন সরকার করবেন।’

‘নির্বাচনকালীন সরকার বলে সংবিধানে কিছু নাই এটাও ঠিক। আবার নির্বাচনকালীন সরকার হতে পারবে না এমন কথাও কিন্তু সংবিধানে নেই।’

‘নির্বাচনকালীন সময়ে যেহেতু নীতি নির্ধারণ হয় না। বাংলাদেশের জনগণের অর্থ যাতে নষ্ট না হয় সেই কারণে তিনি (প্রধানমন্ত্রী) তার মন্ত্রী পরিষদের আকার ছোট করে আনবেন। সেটাই নির্বাচনকালীন সরকার।’

আরপিও সংশোধনের বিষয়ে জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘আমার মন্ত্রণালয়ে এসেছে সেটা দেখা হচ্ছে।’

এর আগে আলোচনা সভায় মন্ত্রী জানান, আগামী নির্বাচনে বর্তমান সরকার ফের ক্ষমতায় আসতে পারলে সংসদের প্রথম অধিবেশনেই বৈষম্য বিলোপ আইনটি পাস করা হবে।

দৈনিক সমকাল পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মোস্তাফিজ শফির সঞ্চলনায় আলোচনায় অংশ নেন সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব জাফর আহমেদ খান, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা সুলতানা কামাল, সমতলের ক্ষুদ্র জাতিসত্তা ও দলিত জনগোষ্ঠীর নেতৃবৃন্দসহ অন্যান্যরা।

Print

শীর্ষ খবর/আ আ

সংবাদটি পড়া হয়েছে 1052 বার

আজকে

  • ১১ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
  • ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং
  • ১৫ই মুহাররম, ১৪৪০ হিজরী
 

সোশ্যাল নেটওয়ার্ক

 
 
 
 
 
সেপ্টেম্বর ২০১৮
রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
« আগষ্ট    
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০  
 
 
 
 
WP Facebook Auto Publish Powered By : XYZScripts.com