কোনো প্রেসারে নতি স্বীকার করব না : কাদের

নিউজ ডেস্ক : আন্তর্জাতিক কোনো চাপের মুখেই নতি স্বীকার করবেন না বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, ‘জাতিসংঘ বিশ্বসংস্থার সর্বোচ্চ ফোরাম। কাজেই ডাকতে পারে কাউকে। কারণ সমস্যা থাকলে জানতে পারে। কিন্তু আমাদের সিদ্ধান্ত আমরাই নিব। আমাদের সিদ্ধান্ত কোনো প্রেসারের কাছে, সংবিধান বহির্ভূত কোনো প্রেসারের কাছে আমরা নতি স্বীকার করব না।’
আজ বুধবার ঢাকা দক্ষিণ নগর ভবনে ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের ১১তম বোর্ড সভায় ওবায়দুল কাদের যোগ দেন। এ সময় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের যুক্তরাষ্ট্র সফর নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি এসব কথা বলেন।
বিএনপির আজকের অনশন কর্মসূচি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘সর্বাত্মক আন্দোলন তো শুরু হয়েছে, অনশন। এতো ইনোসেন্ট কর্মসূচি সর্বাত্মক আন্দোলনে পড়ে? সাহস নেই তো। সাহস থাকলে অনেক আগেই হতো। এখন আর সময় নেই। এখন তাদের ডাকে কেউ সাড়া দিবে না। রেসপন্স পাবে না। আন্দোলন করেন, জনগণকে নিয়ে। অহিংস করলে স্বাগতম। আমরা রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করব। সহিংস হলে জনগণকে নিয়ে আমরা প্রতিরোধ করব।’
ওবায়দুল কাদের জানান, আগামী রোববার সংসদে সড়ক পরিবহন আইন উত্থাপিত হবে। সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে সংসদের চলতি অধিবেশন শেষ হবে এবং অক্টোবরের শুরুতে আরেকটি অধিবেশন বসবে বলেও তিনি জানান।
এ ছাড়া আজকের সভায় সিদ্ধান্ত হয় মোটরসাইকেলের শিশু আরোহীকেও বাধ্যতামূলকভাবে হেলমেট পরতে হবে। এ ছাড়া আগামী ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত ঢাকা-জয়দেবপুর মহাসড়কে সব ধরনের খোড়াখুড়ি বন্ধ রাখারও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এই বৈঠকে।
ক্ষমতাসীন সরকারের অধীনে নির্বাচনকালীন সরকার মানবে না বিএনপি- এমন মন্তব্য নিয়ে প্রশ্ন করা হলে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘তাদের মানা না মানায় কিছু যায় আসে না। কারণ তাদেরকে এই সরকারে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। সংবিধান মোতাবেক যথাসময়েই বাংলাদেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।’

প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলে দায়িত্ব নেবে কে: কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, পদত্যাগ কি মামা বাড়ির আবদার। প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করবেন দেশের দায়িত্ব নিবেন কে?
বুধবার রাজধানীর নগর ভবনে ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কতৃপক্ষের ১১তম পরিচালনা পরিষদের সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
নির্বাচনের আগে বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির যে দাবি বিএনপির নেতারা করেছেন তার জবাবে তিনি বলেন, তাদের নেত্রী খালেদা জিয়ার মুক্তির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত দেবে আদালত। এখানে সরকারের কিছু করার নেই। সরকার যদি আদালতের উপর হস্তক্ষেপ করতোই তাহলে ৩০টির ওপরে মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন পেতেন না। পরিষ্কারভাবে বলতে চাই নির্বাচন হবে পবিত্র সংবিধান অনুযায়ী। সরকার কোনো চাপের কাছে নতি স্বীকার করবে না।
জাতিসংঘে বিএনপির আমন্ত্রণ প্রসঙ্গে সাধারণ সম্পাদক বলেন, এখানে সরকার কিংবা আওয়ামী লীগের কোনো আপত্তি নেই। জনগণই আমাদের শক্তি। জাতিসংঘ বিএনপিকে ডাকতে পারে, কথা বলতে পারে কিন্তু আমাদের সিদ্ধান্ত আমরাই নিব। তারা জাতিসংঘসহ বিভিন্ন বিদেশি সংস্থার কাছে অবিরাম নালিশ করে চলেছে। আবারও হয়তো তারা দিবে। তবে, ডাকলে যেতেই পারে। সংবিধান বহির্ভূত কোনো চাপের কাছে নতি স্বীকার করবো না।
সংসদ আনুষ্ঠানিকভাবে ভাঙ্গা হবে না তবে সংসদ বসবে না। যদি দেশে যুদ্ধ অবস্থা সৃষ্টি না হয়। মিয়ানমারের সঙ্গে যখন আমরা যুদ্ধ করলাম না আর কার সাথে যুদ্ধ করা লাগবে! তারা তাদের হেলিকপ্টার দিয়ে বার বার আকাশসীমা লঙ্ঘন করে আমাদেরকে উস্কানি দিয়েছে তারপরও আমরা যুদ্ধে জড়াইনি।


ফোনঃ +৪৪-৭৫৩৬-৫৭৪৪৪১
Email: info.skhobor@gmail.com
স্বত্বাধিকারী কর্তৃক sheershakhobor.com এর সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত