fbpx
 

ইউপি ভোটে কারচুপিকারীদের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব না’

Pub: Tuesday, October 16, 2018 9:11 PM
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

যারা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনেও কারচুপি করে তাদের অধীনে কখনো সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।

মঙ্গলবার (১৬ অক্টোবর) জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে ঢাকা মহানগর খেলাফত মজলিসের সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন।

নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘যে দল শুধু জাতীয় নির্বাচন নয়, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনেও কারচুপি করে, প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দলের সমর্থকদের ভোট দিতে দেয় না, তাদের অধীনে কোন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হতে পারে না বলে আমরা ২০ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবি জানিয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘আমরা দাবি জানিয়েছি জাতীয় নির্বাচনে ইভিএম মেশিন ব্যবহার করা যাবেনা। কারণ এই ইভিএমের মাধ্যমে একটি আঙ্গুলের ছাপ দিয়ে সকল ভোটারের ভোট কাস্ট করে নেয়া সম্ভব।’

এসময় বিভন্ন প্রতিষ্ঠানে সরকারের দুর্নীতির ফিরিস্তি তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘সরকার শুধু আর্থিক খাতেই দুর্নীতি করেনি। আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে জাতীয় নির্বাচনে যা দুই চারটা ইভিএম মেশিন ব্যবহার করা হয় তার প্রত্যেকটির দাম মাত্র ২১ হাজার টাকার মতো। আমাদের দেশে ইভিএম কেনার সিদ্ধান্ত হলে একটি প্রতিষ্ঠান প্রতিটি মেশিন মাত্র ২২ হজার টাকায় বিক্রি করতে চেয়েছিল। কিন্তু এই সরকার তা নেয়নি। এখন প্রতিটি মেশিন কেনা হচ্ছে ২লাখ ৩৪ হাজার টাকা দরে।’

তিনি বলেন, ‘এরকম একটি পরিস্থিতিতে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার আন্দোলনে এগিয়ে যাওয়ার মতো একমাত্র নেত্রী ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। এই কারণে তাকে জেলে নেয়া হয়েছে। আমরা জাতীয় ঐক্যের মাধ্যমে সকলে মিলে আন্দোলন সংগ্রাম করে দেশনেত্রীকে মুক্ত করব। আগামী দিনে এই স্বৈরাচার সরকারের পতন নিশ্চিত করব।’

কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বীর প্রতীক বলেন, ‘মানুষের শরীরের মধ্যে এপেন্ডিক্স নামের একটি নাড়ী আছে। যা অনেকেই জানেন না। এই নাড়ীটা কোন সমস্যা করেনা। কিন্তু এই নাড়ী যখন ব্যথা করে তখন এটাকে বলা হয় এপেন্ডিসাইটিস। এপেন্ডিসাইটিস হলে নাড়ী কেটে না ফেলা পর্যন্ত সমস্যার সমাধান হয় না। রাজনীতির মধ্যেও এমন এপেন্ডিসাইটিস দেখা দিলে তাকে কেটে ফেলা ছাড়া আর কোন উপায় থাকে না।’

তিনি বলেন, ‘মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর কোন এক জায়গায় একটি সংবাদ সম্মেলন হচ্ছে। এই জন্য মনটা ভারাক্রান্ত। তারা যাই বলুক, আমরা সবাই গণতান্ত্রিক আন্দোলন সংগ্রামে এক সঙ্গে থাকতে চাই। কারণ এই কাজ একা একা করা সম্ভব না।’

খেলাফত মজলিসের আমির অধ্যক্ষ মাওলানা মোহাম্মদ ইসহাক বলেন, ‘আগামী দিনের আন্দোলন সংগ্রামে আমাদের সকলকে হিম্মতের সঙ্গে এগিয়ে যেতে হবে। আমি ৯০ বছর বয়সেও রাস্তায় আছি। ৭০ বছর ধরে রাস্তায় আছি। বাকি সময়ও রাস্তায় থাকব ইনশাআল্লাহ। আগামী দিনের আন্দোলন সংগ্রামের সময় আপনাদের সামনের কাতারে থাকব।’ এসময় গণতন্ত্র পুণঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলনের মাঠে সক্রিয় থাকার জন্য নেতাকর্মীদের হাত উচিয়ে সপথ পাঠ করান তিনি।

সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমির মাও. সৈয়দ মজিবুর রহমান, মাও. সাখাওয়াত হোসেন, অধ্যাপক খালেকুজ্জামান, জমিয়তে ওলামায়ে ইসলামের সহ-সভাপতি মাও. আবদুর রব ইউসুফি, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের, যুগ্ম মহাসচিব মুন্তাসির আলী প্রমুখ।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ