দেশব্যাপী ৩ দিনে ২২০০ জনের অধিক নেতাকর্মী গ্রেফতারের অভিযোগ বিএনপির

Pub: বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ৮, ২০১৮ ১১:৫৪ অপরাহ্ণ   |   Upd: বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ৮, ২০১৮ ১১:৫৪ অপরাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের সাথে সংলাপকালে নতুন মামলা এবং গ্রেফতার না করতে আশ্বাস দিয়েছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর দেয়া সেই আশ্বাস বাস্তবে প্রতিফলিত হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন বিএনপির নেতারা। লটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব জানান, রাজধানীতে ৬ নভেম্বর জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের জনসভার আগের নি এবং এর পরের ুই দিনে সারাদেশে ৮ শতাধিক নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর একটি তালিকাও দিয়েছে বিএনপি। দলটির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, সমাবেশকে কেন্দ্র করে গত তিন নি ধরে বিএনপি নেতাকর্মীদের চিরুনী অভিযান চালিয়ে ছেঁকে ধরা হয়েছে। জেলা-মহানগরের সভাপতি থেকে শুরু করে সাবেক এমপি কেউই সরকারের গ্রেফতার অভিযান থেকে রেহাই পাননি। এমনকি সমাবেশে আসা ও যাওয়ার পথে হাজারের অধিক নেতাকর্মী ও সাধারণ সমর্থকদের গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতার করার পর প্রথমে টাকা নিয়ে ছেড়ে দেয়া হবে এই কথা বলে র কষাকষি করা হয়েছে। অনেক নেতাকর্মীরে কাছ থেকে টাকা নিয়েও ছাড়া হয়নি। এমনিকি ৩০০ থেকে ৩৫০ জনের বড় বড় গ্রুপ করে রিমান্ডে নেয়া হয়েছে। পাশাপাশি তল্লাশী ও পুলিশী হানাতে হাজার হাজার নেতাকর্মী ঘরবাড়ী ও এলাকা ছাড়া হয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করছে।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, সংলাপ কি তাহলে চূড়ান্ত আক্রমণের পূর্বে কিছুটা সময়ক্ষেপণ। তা না হলে বিরোধী লের নেতাকর্মীরে গ্রেফতার না করার অঙ্গীকার করার পরও এতো তান্ডব, এতো পাইকারী গ্রেফতার! সরকার কি তাহলে প্রতারণা ফাঁদ তৈরী করেছে? প্রধানমন্ত্রী অতিতের মতো বলেন একটা, কিন্তু কাজ করেন অন্যটা।

হাইকোর্টে গায়েবি মামলার আসামির ভিড়: গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে দেশজুড়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে গায়েবি মামলা দেয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন লটির নেতারা। এসব মামলায় লাখ লাখ আসামি করা হয়েছে। গায়েবি মামলার আসামিরা এখন জামিন নিতে প্রতিদিন বিভিন্ন কোর্টে ভিড় জমাচ্ছেন। বৃহস্পতিবার হাইকোর্টে গিয়ে দেখা যায় কোর্ট চত্ত্বরে বিপুল সংখ্যক বিএনপির নেতাকর্মী। তারা ঢাকাসহ সারাদেশের বিভিন্ন জেলা থেকে হাইকোর্টে আসেন জামিন নিতে। যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার টিএস আইয়ুব জানান, অক্টোবর মাসে যশোরের অয়নগর ও বাঘারপাড়া উপজেলায় তিনটি পৃথক মামলায় বিএনপির ৩৫৭জনকে আসামি করা হয়েছে। তাদেরকে নিয়ে তিনি জামিন নিতে এসেছিলেন হাইকোর্টে। তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের জুলুম নির্যাতনের চিত্র দেখা যায় সারাদেশের কারগার ও কোর্টগুলোতে। অসুস্থ, বিদেশে থাকা, মৃত ব্যক্তিদের নামে গায়েবি মামলা দেয়া হয়েছে। সারাদেশের মতো তার উপজেলাগুলোতেও একই চিত্র। এজন্য তাদেরকে নিয়ে তিনি জামিন নিতে এসেছেন।

বিএনপির দেয়া গ্রেফতারের তালিকা: ৫ নভেম্বর থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত সারাদেশে বিএনপির ৮ শতাধিক নেতাকর্মী গ্রেফতার করা হয়েছে বলে াবি করেছে দলটি। দলটির পক্ষ থেকে গ্রেফতারকৃতরে তালিকা দিয়ে বলা হয়, ৬ নভেম্বর জনসভার আগের দিন ও জনসভার পরের ুই নি বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনসহ বিরোধী লীয় ৮ শতাধিক নেতাকর্মীকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃতরে তালিকায় যারা রয়েছে- চট্টগ্রামের ডা. শাহাদাত হোসেন, শামসুল হক শামসু জাহাঙ্গীর নগর বিশ^বিদ্যালয়ের ছাত্রদল নেতা সোহেল রানা, নারায়ণগঞ্জ জেলার বিএনপি নেতা এ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন, যুবদল নেতা রিয়াদ হোসেন ও আতাউর রহমান, আবু হোসেন সরদার, মোহাম্মদ হোসেন কাজল, ফারুক আহমেদ, শাহীন, আশরাফুল, মোশারফ, আশিক, আউয়াল, আজাদ, মামুন, সাগর, মিজানুর রহমান, জাকির হোসেন শামীম, রাসেল, হযরত আলী, মনিরুজ্জামান মনির, মনির মেম্বার, এজাজ, রুহুল আমিন, রুবেল, বাবু, রনি।

ঢাকা মহানগর ক্ষিণে স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানী, বিএনপি নেতা আব্দুল আজিজ স্বপন, ফজলুল হক মনি, মামুন আহম্মে, আব্দুল আজিজ স্বপন, মো: রনি, আনোয়ার হোসেন আনু, সিদ্দিকুর রহমান বিটু, নিয়ামত উল্লাহ, জয়নাল আবেদিন রতন চেয়ারম্যান, বাদশা মিয়া, নাসরিন রশিদ পুতুল কমিশনার, নুরুল হুদা চৌধুরী, সুমন ভূইয়া, জাকির হোসেন, আলমগীর হোসেন, মোঃ হাসান, মোঃ টিংকু, আরমান হোসেন, সাজেদা, হায়দার ফরাজী মাসুম ফরাজী, বাদশা মিয়া, হাফিজুর রহমান হাফিজ, রুবেল, কালাচাঁদ, হাকিম, ফজলুল হক, মাসুদ, টিটু শিকদার, নুরু, রিয়াজ, বিল্লাল হোসেন, খলিল হোসেন, তপু, জনি, অপু, রাসেল, নাঈম, ইমন, মো: হক।
ঢাকা মহানগর উত্তরের আবুল কালাম আজাদ, নজরুল ইসলাম, জসিম, হৃদয়, মোস্তফা, হাসান, কামরুজ্জামান ুলাল, হাফিজুর রহমান, মো: জালাল, ডিএম নজরুল, সবুজ, আজা, সেলিম, শাকিল, জাহাঙ্গীর আলম, মো: জসিম, শিমুল আহমেদ, তোহা ইসলাম পুন্না, শামীম আহমেদ, মনিরুজ্জামান টগর, সাইফুল ইসলাম, শেখ জামাল, হযরত আলী, মো: শামীম, রিয়াদ, ফরিদ উদ্দিন ফরহাদ, মাসুম বাবুল, শহীদুল ইসলাম বিশ্বাস, আব্দুল কাদির, মো: জোবায়ের, মজিবুল হক, রবি, আব্দুল কাইয়ুম সরকার তৃপ্তি, শিশির, তুষার, ফরহাদ ও আরিফ, মো: ওসমান, মোশারফ হোসেন বাবু, আলামীন, মাছুম, সাইদুল, মনির হোসেন, রমজান আলী, মো: সুমন, রাশেদ, মো: জসিম, মাকসুদ, রিপন, মো: রাসেল, ফরহাদ, হাবিব মিয়া, আ: রাজ্জাক, এস এম জালাল মো: নুরু এবং আলতাফ।

ঢাকা জেলায় আতিকুর রহমান, পারভেজ শামীম, রেজাউল, আলমাস, ফারুক, নুর আলম, রিপন, আলামিন, খলিল, হাবিব, আরিফ, কামরুল, আজাহার ইসলাম, টুটুল, ইমরান, হাসান, মেহেদী, ফয়সাল, তন্ময়, হারুন, বাবুল, ফারুক, আবুল, মোস্তফা, মিলন, সজল, মো: বাবুল, আলম মিয়া, শাহ আলম, সাকিব, কাউছার, রফিক, মো: মনির হোসেন, মো: কেনি, মো: রাজু, মো: শামীম, মো: বিল্লাল, মো: আনিস, মো: মাসুদ, মো: মাসুদ ও মো: টিটু শিকদার, আশরাফুল, রুবেল, সজিব, আলী আজগর, মো: শামীম, কাউছার, মেহেদী, নয়ন, আব্দুস সালাম, ইয়াসিন, মারফত আলী, সারোয়ার।

গাজীপুরে গাজী সালাউদ্দিন, ছাত্রদল ও যুবদলের আব্দুল্লাহ, বায়েজিদ, জাকির হোসেন, কামরুল ইসলাম, জমিরউদ্দিন নাহিদ, জিয়াউর রহমান জিয়া, হেলাল উদ্দিন, সাধন মাহমুদ তমিজ, আবু রায়হান, রিয়াজ উদ্দিন, এসএম শাহীন, শিবলু বকশী, হাজী আকরাম, ফিরোজ, ফারুক, আরিফ হোসেন ভূঁইয়া, হেলাল উদ্দিন, নুরুল ইসলাম, শিপলু বকশী।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ

সংবাদটি পড়া হয়েছে 1087 বার