fbpx
 

একটি ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের জন্য অপেক্ষা করছি: নজরুল

Pub: বুধবার, মে ১৫, ২০১৯ ১০:২২ অপরাহ্ণ   |   Upd: বুধবার, মে ১৫, ২০১৯ ১০:২২ অপরাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, সারা দেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল বলেই ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীন হয়েছিল। দেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল বলেই স্বৈরশাসকের পতন হয়েছিল। দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার জন্য আজ আমরা আরেকটি ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের জন্য অপেক্ষা করছি।

বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ ভাসানী) আয়োজিত ৪৩তম ফারাক্কা লংমার্চ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

‘খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বর্তমান রাজনৈতিক মহাসংকট উত্তরণে মাওলানা ভাসানীর আদর্শ অনুসরণের বিকল্প নেই’ শীর্ষক এই আলোচনা সভা হয়।

নজরুল ইসলাম খান বলেন, আমরা মহান মুক্তিযুদ্ধ করেছিলাম যে গণতন্ত্র ও মানুষের শান্তির জন্য তা আজ আমরা হারিয়ে ফেলেছি। এই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য যে আন্দোলন, সেই আন্দোলনের একমাত্র যোগ্য নেতা খালেদা জিয়া। তার মুক্তি শুধুমাত্র একজন নেত্রীর মুক্তি নয়, একজন ব্যক্তির মুক্তি নয়, তার মুক্তি মানে দেশের গণতন্ত্রের মুক্তি। তাই খালেদা জিয়াকে আগে মুক্ত করতে হবে, তাহলে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, একটা সময় বাজেট বরাদ্দের অধিকাংশ রাখা হতো স্বাস্থ্য খাতে, শিক্ষা খাতে বা প্রতিরক্ষা খাতে। কিন্তু বর্তমানে দেশের বাজেটের অধিকাংশ বরাদ্দ রাখা হচ্ছে বিদেশিদের ঋণ পরিশোধে, সুদ পরিশোধে। দেশে ঋণ বেড়ে চলেছে। কিছুদিন আগে পত্রিকায় পড়লাম, বর্তমানে একটি শিশু জন্মগ্রহণ করার সঙ্গে সঙ্গে তার মাথাপিছু ঋণ ৬০ হাজার টাকা। এভাবে চলতে থাকলে দেশ একদিন ধ্বংস হয়ে যাবে। এর থেকে দেশকে মুক্ত করতে হলে এ সরকারের পতন দরকার।

বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, দেশে আজ এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে কৃষক তার নিজের ফসলে আগুন ধরিয়ে দিচ্ছে। কারণ সে জানে তার ফসল কেটে ঘরে তুললে তাতে তার লোকসান হবে। শুধু কৃষকের লোকসান হচ্ছে তা কিন্তু নয়। বকেয়া বেতনের দাবিতে শ্রমিকদের রাস্তায় নামতে হচ্ছে, আন্দোলন করতে হচ্ছে। এ কোন দেশে আমরা বাস করছি।

সভায় আরও বক্তব্য দেন- অ্যাডভোকেট মো. আজহারুল ইসলাম, নিতাই রায় চৌধুরী, ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, ফরিদা মনি শহিদুল্লাহ, কে এম রকিবুল ইসলাম রিপন প্রমুখ।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ