fbpx
 

সরকার দেশকে অকার্যকর ও ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করছে : ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন

Pub: শুক্রবার, মে ১৭, ২০১৯ ১১:২৭ অপরাহ্ণ   |   Upd: রবিবার, মে ১৯, ২০১৯ ১২:৫৫ পূর্বাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সরকার সব দিক থেকে দেশকে অকার্যকর ও ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

শুক্রবার (১৭ মে) বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান রাজনৈতিক কার্যালয়ে শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা ২০১৯ উপলক্ষে শুভেচ্ছা বিনিময় সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

মোশাররফ বলেন, ‘সব দিক থেকে সরকার বাংলাদেশকে একটি অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করছে। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। কৃষকরা তাদের পাকা ধানে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিচ্ছে। এটা ছোট করে দেখার কোনও সুযোগ নেই। কৃষক তাদের ধানের ন্যায্যমূল্য পাচ্ছে না।’

বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘বিএনপির আগে যে জনসমর্থন ছিল, সরকারের অত্যাচার নির্যাতনের কারণে এই জনপ্রিয়তা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। আমরা যদি এখন দেশের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করি তাহলে দেশে প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে।’

বিএনপির সহ ধর্মবিষয়ক সম্পাদক দীপেন দেওয়ানের সভাপতিত্বে এসময় আরও বক্তব্য দেন- দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান, বরকত উল্লাহ বুলু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সুকোমল বড়ুয়া।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন,মূল্য না পেয়ে কৃষকের পাকা ধান জমিতে পুড়িয়ে ফেলা অশনিসংকেত । তিনি বলেছেন, ধানের ন্যায্যমূল্য না পেয়ে অনেক কৃষক ক্ষেতেই আগুন দিয়ে ধান পুড়িয়ে ফেলছেন। এটা দেশের জন্য অশনিসংকেত। এটাকে ছোট করে দেখার কোনো সুযোগ নেই।
মোশাররফ হোসেন বলেন, দেশের কৃষকরা হাড়ভাঙা পরিশ্রেম ফলানো ধানের মূল্য পাচ্ছে না। মূল্য না পাওয়ার কারণের তারা পাকা ধান জমিতে পুড়িয়ে ফেলছে। এটা দেশের জন্য খুবই অশনিসংকেত।

সরকার বিষয়টি গুরুত্ব দিচ্ছে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাদের দেশ কৃষিনির্ভর। ভাত হচ্ছে আমাদের প্রধান খাদ্য। সেই দেশের কৃষকরা পাকা ধান পুড়িয়ে দিচ্ছে, এটি ছোট করে দেখার সুযোগ নেই।কিন্তু সরকার এ বিষয়ে ভ্রূক্ষেপ করছে না।

দেশে ২৫-৩০ লাখ টন ধান মজুদ আছে খাদ্যমন্ত্রীদের এমন বক্তব্য প্রসঙ্গে বিএনপির এ জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, সরকার বলছে খাদ্য মন্ত্রণালয় কিছু চাল বিদেশে রফতানি করার চেষ্টা করছে। অন্যদিকে আবার দেখা যাচ্ছে, সরকার চাল আমদানি করছে। এখানেই প্রশ্ন তৈরি হচ্ছে। কৃষকদের কাছ থেকে যদি বেশি দামে ধান কেনা হতো, তা হলে তারা পুড়িয়ে ফেলত না।’

পাচারকারীদের সুযোগ করে দিতে চাল আমদানির ব্যবস্থা করা হচ্ছে অভিযোগ করে মোশাররফ হোসেন বলেন, আপনারা বলছেন- দেশে খাদ্য মজুদ বেশি আছে, তা হলে আমদানি করা হচ্ছে কেন? গুঞ্জন আছে, যারা বাংলাদেশ থেকে টাকা পাচার করতে চাচ্ছে, তাদের সুযোগ করে দেয়ার জন্য ধান-চাল আমদানির কথা বলা হচ্ছে।’

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন- চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা বিজন কান্তি সরকার, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের আহ্বায়ক গৌতম চক্রবর্তী, কেন্দ্রীয় নেতা এ.বি.এম আব্দুস সাত্তার, জন গোমেজ, অমলেন্দু বিশ্বাস অপু, কৌন্ডান্য ভিক্ষ্য মৈত্রী, পঙ্কা বংশ ভিক্ষ্য, চাকমা রাজা রাম বিহার রাঙামাঠি, সুশীল বড়ুয়া, সুভাষ চন্দ্র চাকমা ও প্রধান চন্দ্র চাকমা প্রমুখ।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ