fbpx
 

ছাত্রলীগ নেত্রী তিলোত্তমার কক্ষে বহিরাগত রাখার অভিযোগ

Pub: শনিবার, মে ১৮, ২০১৯ ৯:২৫ অপরাহ্ণ   |   Upd: শনিবার, মে ১৮, ২০১৯ ৯:২৫ অপরাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

কবি সুফিয়া কামাল হলে ছাত্রলীগ নেত্রীর বিরুদ্ধে আবাসিক কক্ষে নিয়মবহির্ভূতভাবে বহিরাগতকে আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেত্রী তিলোত্তমা শিকদার। তিনি কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের উপ-সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)’র সদস্য।

সূত্র জানিয়েছে তিলোত্তমা শিকদার কবি সুফিয়া কামাল হলের প্রদীপ্ত ভবনের ৭০১ নম্বর কক্ষে থাকেন। এই কক্ষে শ্রেয়সি শিকদার নামে একজন বহিরাগত প্রায় ছয়মাস যাবত থাকছেন। শ্রেয়সি শিকদার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের শিক্ষার্থী। ছাত্রলীগ নেত্রী তিলোত্তমা শিকদারের ছোট বোন সে। এছাড়া অভিযুক্ত নেত্রী কক্ষে নিয়মবর্হিভূতভাবে টিভি, ফ্রিজ, আলমারিও রেখেছেন।

কবি সুফিয়া কামাল হল আবাসিক শিক্ষক ও শিক্ষার্থী সূত্রে জানা গেছে, কোনো বহিরাগত হলে থাকতে পারে না। শিক্ষার্থীদের মা-বোন হলের ভেতর যেতে পারেন কিন্তু বিকেল ৫টার মধ্যে তাদের আবার বের হয়ে যেতে হয়। আর অসুস্থ থাকলে আবেদন সাপেক্ষে কিছুদিন থাকতে পারে। অন্যদিকে, কক্ষে ফ্রিজ, টিভি, আলমারি রাখারও কোনো নিয়ম নেই।

কক্ষে নিয়মবর্হিভূতভাবে বহিরাগত রাখার বিষয়ে জানতে চাইলে ছাত্রলীগের উপ সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক ও ডাকসুর সদস্য তিলোত্তমা শিকদার বলেন, ‘এরকম কিছু না। পলিটিক্যাল রুমে আমরা থাকি। কক্ষে গেস্ট পারমিশন ১০০ টাকা করে দিয়ে পরীক্ষার্থী রাখার সিস্টেম আছে। প্রশাসনকে ৩৬০০ টাকা দিয়ে অ্যাডমিশন টেস্টের সময় এবং সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষার সময় তার বোনকে ৩৬ দিন রেখেছিলেন বলে জানান তিনি।’

দুইতিন দিন আগে পরীক্ষার সময় তার বোন এসেছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘স্থায়ীভাবে সে থাকে না।’

তবে হলের একাধিক শিক্ষার্থী জানিয়েছেন, তিলোত্তমা শিকদারের কক্ষে তার বোনকে অন্তত ছয়মাস ধরে তারা দেখছেন। শিক্ষার্থীরা বহিরাগতকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলে রেখে আবাসিক সকল সুযোগ সুবিধা ভোগ করতে দেয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

কক্ষে ফ্রিজ রাখার বিষয়ে তিলোত্তমা শিকদার বলেন, ‘যদি বলেন আমাদের হলে ফ্রিজ থাকতে পারবে না তাহলে সব হলেই ফ্রিজ থাকতে পারবে না। হলে ছাত্রলীগের রানিং সভাপতি/সাধারণ সম্পাদকের কক্ষে ফ্রিজ আছে, সাবেকদের রয়েছে, রোকেয়া হল, কুয়েতমৈত্রী হলের প্রেসিডেন্ট/সেক্রেটারির কক্ষে ফ্রিজ রয়েছে। সবাই রাখছে বিধায় রাখা।’

তিনি আরও বলেন, ‘ফ্রিজে আমার কোনো জিনিস থাকে না , বিভিন্ন সময় বিভিন্ন মেয়েরা তাদের প্রয়োজনে ব্যবহার করে।’

এ বিষয়ে কবি সুফিয়া কামাল হল সংসদের ভিপি তানজিন আক্তার সুমা বলেন, ‘আমাদের কাছে এমন কোনো অভিযোগ আসেনি। কিন্তু বহিরাগত কাউকে আমরা হলে রাখতে দেবো না, সেই যেই হোক। কারণ আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী থাকতে যেখানে সমস্যা সেখানে অন্য কেউ কেন থাকবে?’

এ বিষয়ে হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সাবিতা রিজওয়ানা রহমান বলেন, ‘ঘটনাটি জানি না, আপনি বললেন, আমি দেখব। আমাদের জানা মতে এরকম তো কেউ থাকে না। ছাত্রীদের আপন বোন পরীক্ষার সময় গেস্টরুম পারমিশন নিয়ে থাকতে পারে।’

ছয়মাস থাকতে পারে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘না এতদিন থাকতে পারে না।’


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ