fbpx
 

ছাত্রদলের নেতৃত্বের দৌড়ে এগিয়ে যারা

Pub: শনিবার, সেপ্টেম্বর ৭, ২০১৯ ৯:০২ অপরাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

উপরে বাম দিক থেকে – সভাপতি প্রার্থী মামুন খান, রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ, সাজিদ হাসান বাবু। নিচে- সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী সাইফ মাহমুদ জুয়েল, ডালিয়া রহমান ও সিরাজুল ইসলাম – ছবি : সংগৃহীত
বিএনপির সহযোগী সংগঠন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের ষষ্ঠ কাউন্সিল আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর। এদিন ১১৭ সাংগঠনিক ইউনিটের ৫৮৫ জন ভোটার ভোট দিয়ে নির্বাচন করবেন ছাত্রদলের আগামীর নেতৃত্ব।

ইতোমধ্যেই প্রধান দুটি পদে ২৭ জনকে চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছে নির্বাচন পরিচালনা কমিটি। এর মধ্যে সভাপতি পদে ৮ জন ও সাধারণ সম্পাদক পদে ১৯ জন বৈধ প্রার্থী হিসাবে ঘোষণা দেয়া হয়েছে। প্রার্থীরা প্রচারণাও চালাচ্ছেন জোরেশোরে।

তৃণমূলের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়ন করার। অবশেষে সেই মূল্যায়নের চাবিকাঠি এবার তৃণমূলের হাতেই দিল বিএনপি। ভোটের মাধ্যমে নেতা নির্বাচন করতে পারবেন তাই খুশি তৃণমূল নেতারাও। কাউন্সিলরদের একজন ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক অহিদুল ইসলাম অপু নয়া দিগন্তকে বলেন, দীর্ঘদিন পর কাউন্সিলের মাধ্যমে কমিটি গঠনের উদ্যোগকে আমরা সাধুবাদ জানাই। আশাকরি এ কাউন্সিলের মাধ্যমে রাজপথে আন্দোলন সংগ্রামে থাকা ত্যাগী নেতৃত্ব বাছাই করতে সমর্থ হব। যারা খালেদা জিয়ার মুক্তি আন্দোলন ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনকে আরও শক্তিশালী ও বেগবান করে তুলবে।

সভাপতি পদের লড়াইয়ে যারা এগিয়ে আছেন তাদের একজন মামুন খান। শুরুতে তার প্রার্থীতা বাতিল হলেও আপিলের মাধ্যমে তা ফিরে পেয়েছেন সদ্য বিলুপ্ত কমিটির এই সহ তথ্য সম্পাদক। জানা যায়, প্রার্থীদের মধ্যে বিগত আন্দোলন সংগ্রামে মামুন খান সবচেয়ে বেশি কারা নির্যাতনের স্বীকার হয়েছিলেন। তাই সাধারণ কর্মীদের মাঝে তার জনপ্রিয়তা রয়েছে। মামুন প্রার্থীতা ফেরত পাওয়ায় কাউন্সিলের হিসাব-নিকাশ অনেকটাই পাল্টে গেছে বলে মনে করেন তৃণমূলের কাউন্সিলররা। এছাড়াও সভাপতির দৌড়ে এগিয়ে আছেন কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ, হাফিজুর রহমান ও ফজলুর রহমান খোকন।

তবে সব প্রার্থীই দলের প্রতি নিজের ত্যাগ ও নিবেদনকে কাউন্সিলরদের সামনে তুলে ধরতে মরিয়া। প্রার্থীদের একজন কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ নয়া দিগন্তকে বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জাতীয়তাবাদী আদর্শের উত্তরাধিকারী হিসেবে কাউন্সিলরদের কাছে ভোট চাইছি। আশা করি তারা আমাকে নিরাশ করবে না।

আরেক প্রার্থী সাজিদ হাসান বাবু বলেন, আমাদের অভিভাবক তারেক রহমান কাউন্সিলরের যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাতে ছাত্রদলের নেতা কর্মীদের মাঝে গতি সঞ্চার হয়েছে। কেন্দ্রের সাথে তৃণমূলের এক সেতুনন্ধন সৃষ্টি হচ্ছে। আশা করি তারা যোগ্য নেতৃত্ব বেছে নেবেন।

প্রাথমিক বাছাইয়ে বাদ পড়েছিলেন সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতা ও সদ্য সাবেক কেন্দ্রীয় সহ সম্পাদক সিরাজুল ইসলামও। পরবর্তীতে আপিলের মাধমে তিনিও প্রার্থীতা ফেরত পান। ২০১৩ সালে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নামফলক ভাংগা ও তারেক রহমানের নামে কটুক্তির প্রতিবাদে সিরাজের নেতৃত্বে মিছিল বের করা হলে পুলিশ সিরাজের পেটে বন্দুক ঠেকিয়ে গুলি করে। মৃত ভেবে পুলিশ তাকে ফেলে রেখে গেলে এক পথচারী মহিলা তাকে নিয়ে যান হাসপাতালে। ৫ দিন আইসিইউতে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে সুস্থ হয়ে ফেরেন সিরাজ। সিরাজের সকল চিকিৎসার ব্যয় বহন করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এই পদে তিনি শক্ত প্রার্থীদের একজন।

এছাড়া সাধারণ সম্পাদক হওয়ার দৌড়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল, আমিনুর রহমান ও একমাত্র নারী প্রার্থী কুমিল্লার ডালিয়া রহমান এগিয়ে আছেন।

সাইফ মাহমুদ জুয়েল বলেন, আমি তৃণমূল থেকে রাজনীতি করে উঠে এসেছি। নেতৃত্ব নির্বাচনের মাপকাঠি যদি হয় যোগ্যতা ও ডেডিকেশন তবে আমি জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী। সিরাজুল ইসলাম বলেন, মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরে এসে এখনও জীবন বাজি রেখে দলের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। ইনশাআল্লাহ আগামী দিনে নেতৃত্ব পেলে আমি এই আন্দোলন কে আরো বেগবান করবো।

ডালিয়া রহমানও জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী। বলেন, তৃণমূলের কাউন্সিলররা আমাকে দীর্ঘদিন যাবৎ রাজপথের দেখেছেন এবং রাজপথে আমার অবদানকে তারা মূল্যায়ন করবেন বলে আমি বিশ্বাস করি।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত থাকার বিষয়ে জানতে তিনি বলেন, আমার পুরো পরিবার বিএনপি। আমি যখন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হই তখন আমার ক্লাসমেটদের সাথে বা বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্ধুদের সাথে ছবি থাকতে পারে। তাদের মধ্যে কেউ যদি এখন ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত থাকে তার মানেতো এই নয় যে, আমি ছাত্রলীগ করেছি।

Hits: 0


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ