fbpx
 

সব জাসদই জাসদ না: ইনু

Pub: Thursday, October 31, 2019 8:02 PM
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সব জাসদই জাসদ না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু।

তিনি বলেন, বাজারে বাটা জুতার নকল করা বালা, বামা ইত্যাদি নামে নকল জুতা আছে। বাজারের সব জুতাই যেমন বাটা জুতা না, সব লেনিন যেমন লেনিন না। তেমন সব জাসদই জাসদ না। জাসদ নামে যারা বিএনপি-জামায়াতের সাথে রাজনৈতিক পার্টনারশিপ করে বা বিএনপি-জামায়াতের সাথে সুর মিলিয়ে কথা বলে তারা আর যাই হোক জাসদ না।’

বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর) জাসদের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে ঢাকায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউট মিলনায়তনে আলোচনা সভা ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত তিনি এসব কথা বলেন। 

হাসানুল হক ইনু বলেন, ‘জাসদের কর্মীরাই সকল ধরনের অত্যাচার-নির্যাতন-নিপীড়ন-বিভ্রান্তি মোকাবেলা করে জাসদকে ধারন করে আছেন। প্রমাণ হয়েছে, জাসদ নেতাদের দল না, কর্মীদের দল। কর্মীরাই জাসদের মালিক। নেতারা ভুল করলেও কর্মীরা কখনই ভুল করে না। নেতারা দল ছেড়ে চলে গেলেও কর্মীরা দল ধরে রাখে। জাসদের কর্মীরা নেতাদের ব্যক্তিগত হিসাব-নিকাষকে গুরুত্ব না দিয়ে দলের আদর্শ ও রাজনীতিকে প্রাধান্য দিয়ে জাতীয় স্বার্থ ও জনগণের স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে রাজনৈতিক কর্তব্য নির্ধারণ করে দল করে, সংগ্রাম করে।’

ইনু বলেন, ‘বাংলাদেশ আজ রাজনীতির এক নতুন পর্বে উপনীত হয়েছে। নতুন পর্বে রাজনীতির চ্যালেঞ্জ হচ্ছে দুর্নীতি দমন করা, সুশাসন ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা। জাসদ, জঙ্গিবাদ-সন্ত্রাসবাদ-অশান্তির রাজনীতিকে দমন-মোকাবেলা-কোনঠাসা করে শান্তি-স্থিতিশীলতা-উন্নয়ন-অগ্রগতি-সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাবে। নতুন পর্বের রাজনীতিতে সুশাসন প্রতিষ্ঠাকেই জাসদ প্রধান রাজনৈতিক কর্তব্য হিসাবে গ্রহণ করেছে।’

জাসদ নেতা বলেন, ‘জাসদের সুশাসনের জন্য আন্দোলন ও শেখ হাসিনার শুদ্ধি অভিযান একে অপরের পরিপূরক। জঙ্গিবাদ-সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় যেমন রাজনৈতিক ঐক্য জরুরি ছিল ঠিক তেমনই সুশাসন প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম ও শুদ্ধি অভিযানের পক্ষেও রাজনৈতিক ঐক্য অপরিহার্য। শেখ হাসিনার শুদ্ধি অভিযান শুধুমাত্র শেখ হাসিনার একার অভিযান না, শুদ্ধি অভিযান সকল দেশপ্রেমিক-গণতান্ত্রিক শক্তি-ব্যক্তি-মহলের জাতীয় কর্তব্য।’

তিনি বলেন, ‘শুদ্ধি অভিযান প্রমাণ করেছে দুর্নীতিবাজ-লুটেরা-অপরাধীরা যত ক্ষমতাবানই হোক না কেন, তাদের গায়ে যে দলেরই জার্সি থাকুক না কেন তারা কেউই ধরা ছোয়ার বাইরে না। যে অপরাধীরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে, যে অপরাধীরা কোন কিছুরই তোয়াক্কা করে না তাদের দমন করে সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য সরকারসহ সকল গণতান্ত্রিক-দেশপ্রেমিক শক্তিকে সুশাসনের জন্য রাজনৈতিক চুক্তিতে উপনীত হতে হবে।’

দুর্নীতি দমন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার অগ্নিপরীক্ষায় ফেল করার কোনো সুযোগ নাই। দুর্নীতিবাজদের ঠিকানা-জেলখানা, জেলখানা বলেও যোগ করেন সাবেক তথ্যমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও ১৪ দলের সমন্বয়ক মোহাম্মদ নাসিম, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া, ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন খান বাদশা, জাসদের  সাধারণ সম্পাদক শিরীন আখতার, কার্যকরী সভাপতি অ্যাড. রবিউল আলম, স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন, মীর হোসাইন আখতার, নুরুল আখতার, নাদের চৌধুরী প্রমুখ। 


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ