fbpx
 

জেল হত্যা ইতিহাসের কলঙ্ক : মোস্তফা

Pub: Saturday, November 2, 2019 8:11 PM
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

রাজনীতি যখন আদর্শচ্যুত, পথভ্রান্ত হয়; সেখানে যখন ব্যক্তিগত স্বার্থপরতা বড় হয়ে ওঠে, তখনই রাজনৈতিক হত্যাকান্ড ঘটনা অনিবার্য হয়ে দাঁড়ায় বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া।

তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর জাতীয় ৪ নেতাকে হত্যা রাজনীতির ইতিহাসের এক কলঙ্ক। জেলা হত্যা অসুস্থ ও জনবিরোধী রাজনীতির বহি:প্রকাশ। একটি আদর্শকে হত্যা করার জন্যই জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করা হয়েছে। এ হত্যাকাণ্ডের পেছনে বিদেশি শক্তি ঘাতকদের সহায়তা করেছে।

শরিবার (২ নভেম্বর) তোপখানার সাংবাদিক নির্মল সেন মিলনায়তনে জেল হত্যা দিবস স্মরণে বাংলাদেশ জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, দূষিত রাজনীতির শিকার হয়েছেন ১৯৭৫ ৩ নভেম্বর জেলখানায় বন্দি জাতীয় ৪ নেতা তাজউদ্দীন আহমেদ, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, মনসুর আলী, এএইচএম কামারুজ্জামান। যারা প্রত্যেকেই রাজনীতির উজ্জল এক নক্ষত্র। তার বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠকও ছিলেন।

ন্যাপ মহাসচিব বলেন, বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরেই তখন এ চারজন নেতা ছিলেন দলে ও সরকারে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। শেখ মুজিবকে হত্যার প্রায় আড়াই মাস পরে কারাগারে এ চার নেতাকে কেন হত্যা করা হয়েছিল? এই প্রশ্নের মিমাংসা আজও কি হয়েছে ?

তিনি বলেন, ৩ নভেম্বরের শিক্ষা হওয়া উচিত দেশের শত্রু-মিত্রদের চেনা ও সব ষড়যন্ত্র থেকে দেশকে মুক্ত রাখা। এ ব্যাপারে বঙ্গবন্ধু সফল হতে পারেননি, তাঁর কন্যা সফল হবেন—সেটাই দেশের মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ জনগণের বিশ্বাস।

তিনি বলেন, জাতীয় চার নেতার আরাধ্য স্বপ্ন ছিল বাংলাদেশের দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফুটিয়ে অর্থনৈতিক মুক্তি নিশ্চিত করে প্রিয় বাংলাদেশকে সোনার বাংলায় রূপান্তরিত করা। মহান নেতাদের সেই চেতনা ও স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে পারলেই নেতাদের আত্মা চিরশান্তি লাভ করবে এবং আমরা সেই লক্ষ্যে পৌঁছানোর চেষ্টায় নিয়োজিত।

জাতীয় গণতান্ত্রি লীগের সভাপতি এম এ জলিলের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক মুক্তিযোদ্ধা এ্যাড. খন্দকার শামসুল আলম দুদু। আলোচনায় অংশগ্রহন করেন এনডিপি মহাসচিব মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা, দেশীয় সংস্কৃতিক পরিষদ সভাপতি এডভোকেট গৌরঙ্গ চন্দ্র কর, জাগো গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি বাহারানে সুলতান বাহার, বাংলাদেশ ন্যাপের ভাইস চেয়ারম্যান স্বপন কুমার সাহা, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ নেতা আ স ম মোস্তফা কামাল, জাতীয় স্বাধীনতা পার্টির চেয়ারম্যান মো. মিজানুর রহমান মীজু, বরিশাল বিভাগ সমিতির অন্যতম নেতা শহীদুন্নবী ডাবলু, সাবেক বৃহত্তর কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও অবঃ লেঃ কর্ণেল আব্দুল জলিল, নারীনেত্রী শেলি বেগম, বাংলাদেশ জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগের সহ সভাপতি জাহানারা বেগম, সাধারণ সম্পাদক সমীর রঞ্জন দাস, দপ্তর সম্পাদক কামাল হোসেন প্রমুখ।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ