fbpx
 

এবার পাপিয়াদের খুঁজছে যুব মহিলা লীগ

Pub: শুক্রবার, ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২০ ৪:৩০ পূর্বাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

শুরুটা ছাত্রলীগ দিয়ে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন কাজে চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠায় সরিয়ে দেয়া হয়েছিল সংগঠনটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে। এরপর ক্যাসিনো ঝড়ে ওলটপালট হয়ে যায় যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতৃত্ব। পরিবর্তন এসেছে শ্রমিক ও কৃষক লীগের নেতৃত্বেও। এবার আলোচনায় যুব মহিলা লীগ। সংগঠনটির নরসিংদী জেলা সাধারণ সম্পাদক শামীমা নূর পাপিয়ার অপরাধ জগতের তথ্য প্রকাশ হওয়ায় আলোচনা-সমালোচনা চারপাশে। তার মতো একজন অপরাধীকে নেতৃত্বে তুলে আনায় কাটগড়ায় সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি নাজমা আক্তার ও সাধারণ সম্পাদক অপু উকিল। আলোচনা আছে পাপিয়া কাণ্ডে সংগঠনের পদ হারাতে পারেন তারা।

যদিও আসছে মার্চেই তাদের নেতৃত্বাধীন কমিটির মেয়াদ শেষ হয়ে যাচ্ছে। মেয়াদ শেষে সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন কমিটি হবে। দলীয় সূত্র জানিয়েছে, নতুন কমিটিতে এই দুই নেত্রীর থাকার সম্ভাবনা একেবারেই ক্ষীণ। সর্বশেষ বুধবার রাতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে গণভবনে সাক্ষাৎ করেছেন এ দুই নেত্রী। সাক্ষাতে পাপিয়ার বিষয়ে উষ্মা প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন, পাপিয়াদের মতো অপরাধকাণ্ডে জড়িত এমন কেউ সংগঠনে থাকলে খুঁজে বের করে ব্যবস্থা নেয়ার। নাজমা আক্তার ও অপু উকিল জানিয়েছেন, পাপিয়া গ্রেপ্তারের পর থেকেই তারা এ কার্যক্রম শুরু করেছেন। সংগঠনের নাম ব্যবহার করে এমন যে বা যারাই অপরাধকাণ্ডে জড়িত তাদের খুঁজে বের করে সংগঠন থেকে বহিস্কার করা হবে।
অপু উকিল মানবজমিনকে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে তাকে আমরা বিস্তারিত বলেছি। তিনি আমাদের সব কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেছেন। পরে পাপিয়ার মতো আর কেউ কোন অপকর্ম করছে কি না তা খুঁজে বের করতে বলেন। আমরা নেত্রীকে বলেছি তার নির্দেশনা অক্ষরে অক্ষরে পালন করা হবে। নাজমা আক্তার মানবজমিনকে বলেন, আমি দলের সভাপতি। সেই হিসেবে আমি সারা বাংলাদেশের যুব মহিলা লীগের নেত্রী। কিন্তু তার অপকর্মের সহযোগী কারা সেটা খুঁজে বের করতে পারলে আমাদের জন্য যেমন উপকার হবে তেমনি দেশের জন্যও। ব্যক্তিগতভাবে একটি জেলার নারী নেত্রী কি ব্যবসা করে না করে সেটি আমাদের নখদর্পনে নেই। বিশেষ করে আমার নেই। কারণ সারা দেশের ৭৮টি সাংগঠনিক জেলার মধ্যে সে একটি জেলার সাধারণ সম্পাদক।

Hits: 42


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ