আজকে

  • ৬ই আষাঢ়, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
  • ২০শে জুন, ২০১৮ ইং
  • ৬ই শাওয়াল, ১৪৩৯ হিজরী
 

সোশ্যাল নেটওয়ার্ক

প্রসঙ্গ নথি : কর্তার ইচ্ছায় কর্ম,এটা নীলনকশারই অংশ

Pub: বুধবার, মার্চ ৭, ২০১৮ ৫:৪৩ অপরাহ্ণ   |   Upd: বুধবার, মার্চ ৭, ২০১৮ ৫:৪৫ অপরাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

॥এক॥
বেগম জিয়ার মামলা নিয়ে সরকার একটির পর একটি খেলা খেলে চলেছে। পেছনের কথায় না হয় নাই গেলাম, কিন্তু কারাদণ্ডের পর মনে হয় সেই খেলার দ্বিতীয় পর্ব চলছে। ইতোমধ্যেই দেশের মানুষ দেখেছেন তার ডিভিশন এবং মামলার সার্টিফায়েড কপি নিয়ে কত রকম খেলা হলো। এখন দেখা যাচ্ছে বেগম জিয়ার জামিন নিয়ে নতুন করে চক্রান্তের জাল বিছানো হচ্ছে।বৃহস্পতিবার দৈনিক ইত্তেফাকের প্রথম পৃষ্ঠার প্রধান সংবাদও বেগম জিয়ার জামিনের ওপর। সংবাদের শিরোনাম, “খালেদা জিয়ার দ্রুত মুক্তি নিয়ে বিএনপিতে সংশয়”। আসলে বিএনপিতে কোনো সংশয় নাই। সরকার যা শুরু করেছে তাতে শুধু বিএনপিই নয়, সমগ্র দেশবাসীই সংশয়ের মধ্যে পড়েছেন। ইত্তেফাকে যা লেখা হয়েছে তার অংশবিশেষ আমি কিছুক্ষণ পরে উদ্ধৃত করবো। কিন্তু এ ব্যাপারে খুব প্রাসঙ্গিকভাবে এ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমের একটি কথা এসে যাচ্ছে। এ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেছেন, জেনারেল এরশাদের কারাদন্ড হয়েছিল ৫ বছর। সাড়ে তিন বছর পর তিনি কারাগার থেকে জামিন পেয়েছিলেন। বেগম জিয়ারও কারাদন্ড হয়েছে ৫ বছর। তাহলে তিনি কেন এত সকালেই কারাগার থেকে বের হবেন? এ্যাটর্নি জেনারেলের এই উক্তির পর নতুন করে আর কিছু বলার থাকে না। মনে হচ্ছে কারাভোগের ক্ষেত্রে এই সরকার এরশাদের ঐ ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটাতে চায়। তারই আলামত এখন সকলের চোখে একটু একটু পড়তে শুরু করেছে। যাই হোক, ইত্তেফাকের ঐ রিপোর্টে যা বলা হয়েছে তার অংশ বিশেষ নীচে তুলে ধরছি, “বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া সহসা কারামুক্তি পাবেন কি-না তা নিয়ে দলের নেতা-কর্মীরা পড়েছেন সংশয়ের আবর্তে। তিনি গত ২১ দিন কারাগারে থাকলেও জামিন ও মুক্তি নিয়ে কোন ‘সুসংবাদ’ নেই। জামিন প্রশ্নে হাইকোর্টে শুনানি শেষ হলেও বেগম জিয়ার অপেক্ষা এখনই ফুরাচ্ছে না। গত রবিবার বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ বলেছেন বিচারিক আদালতের নথি এলে তা দেখে আদেশ দেবেন। তবে এ সপ্তাহে নথি আসার কোন সম্ভাবনা নেই। বিশেষ জজ আদালত ৫ এর বেঞ্চ সহকারী (পেশকার) মোকাররম হোসেন জানান, নথি কবে পাঠানো হবে সে বিষয়ে কিছু সুনির্দিষ্টভাবে বলা যাচ্ছে না। তবে উচ্চ আদালতের আদেশ অনুযায়ী ১৫ দিনের মধ্যে আমরা মূল নথি উচ্চ আদালতে পাঠিয়ে দেবো।”
কোর্ট-কাচারিতে যাদের আসা যাওয়ার বিপুল অভিজ্ঞতা আছে এবং যারা বিভিন্ন জাতের মামলা মোকদ্দমার সাথে জড়িত তারা বলেন যে, বকশী বাজার থেকে হাইকোর্টে নথি পাঠানো ২৪ ঘন্টারও ব্যাপার নয়। নথি তো প্রস্তুতই আছে। নিম্ন আদালতের বক্তব্য হলো, নথির ভিত্তিতেই তো তারা রায় দিয়েছেন। তাহলে মামলার রেকর্ডপত্র এবং রায় যেখানে গুছিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছে সেটি পাঠাতে এত বিলম্ব হচ্ছে কেন? পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে যে সরকারের ইঙ্গিতে ওরা সময় ক্ষেপণ করছেন। নথি পাঠানোর জন্য হাইকোর্ট যেহেতু ১৫ দিন সময় দিয়েছেন তাই নিম্ন আদালত গুণে গুণে ঐ ১৫ দিনের মাথাতেই কাগজপত্র পাঠাবেন। এত গুরুত্বপূর্ণ একটি মামলা, যার জন্য সারা দেশবাসী উদগ্রীব এবং উৎকণ্ঠিত সেটি কোনো গুরুত্বই পাচ্ছে না নিম্ন আদালতে। তবে যারা রাজনীতি বিষয়ে অভিজ্ঞ তারা বলেন যে কর্তার ইচ্ছায় কর্ম। সুতরাং কর্তার ইচ্ছা যেদিন হবে, যে মুহূর্তে হবে, সেদিন সেই মুহূর্তেই নথি পত্র সমস্তই উচ্চ আদালতে পৌঁছে যাবে।
ইত্তেফাকের আলোচ্য রিপোর্টের আরেক স্থানে বলা হয়েছে, “খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা বলছেন, খালেদা জিয়া যদি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিনও পান তারপরও তিনি কারাগার থেকে শিগগিরই মুক্তি পাবেন কি না তা বলা কঠিন। কেননা তার আটক দীর্ঘায়িত করতে এসব মামলার মধ্যে দুই একটি মামলায় আদালতের নির্দেশনা নিয়ে তাকে গ্রেফতার দেখানো হতে পারে। খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলাটি ছাড়াও আরও ৩৫ মামলা রয়েছে। জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার রায় ঘোষণার সম্ভাবনা রয়েছে শিগগির। আলিয়া মাদরাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার ৫নং বিশেষ জজ ড. আখতারুজ্জামানের আদালতে এই মামলার কার্যক্রম প্রায় শেষ। এই মামলায় সাজা হলে আবারো কারাগারে যেতে হবে বেগম জিয়াকে। এদিকে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, খালেদা জিয়াকে দীর্ঘদিন কারারুদ্ধ করে রাখতে চায় সরকার। গত ২৫ ফেব্রুয়ারি বেগম জিয়ার জামিন হতে পারতো। জামিন না হওয়ার কোনো কারণ নেই। এখন বলা হচ্ছে ১৫ দিনের মধ্যে নথি পাঠাও। এদিন পাঠাও, সেদিন পাঠাও- এটা নীলনকশারই অংশ। সরকার তাকে রাজনীতি ও নির্বাচন থেকে দূরে রাখতে চায়। এই উদ্দেশ্য নিয়েই ক্ষমতাসীনরা মামলাগুলো সাজাচ্ছে। পরিকল্পিতভাবে বেগম খালেদা জিয়াকে কারান্তরীণ করে রাখা হয়েছে। এই অবস্থায় বিএনপি শুধু হতাশ নয়, ক্ষুব্ধও হয়েছে।” বিএনপির অপর একজন নেতা সাবেক আইন মন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ বলেছেন, বেগম জিয়ার জামিন নিয়ে চক্রান্ত চলছে। ভোটের বাক্সে জনগণ সমস্ত চক্রান্ত উল্টে দেবে।
॥দুই॥
বেগম জিয়ার জামিন পাওয়ার বিয়ষটি অযথা জটিল করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে একটি টকশো অনুষ্ঠিত হয়। অংশগ্রহণ করেন দুদকের প্রধান কৌশলী এ্যাডভোকেট খুরশীদ আলম এবং ঢাকা আইন বিভাগের অধ্যাপক আসিফ নজরুল। আলোচনায় এটি প্রতিভাত হয় যে যদি ৭ বছরের কারাদন্ড হয় তাহলে সচরাচর জামিন দেয়া হয়। কারাদণ্ড যদি ৭ বছরের ঊর্ধ্বে হয় তাহলে জামিন দেয়া হবে কিনা সেটি জজ সাহেবের এখতিয়ার। এই বক্তব্যের সপক্ষে আসিফ নজরুল ফৌজদারি দন্ড বিধির একটি ধারা উল্লেখ করলে দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম তার সাথে সহমত প্রকাশ করেন। যে তিনটি ক্রাইটেরিয়ায় সহজেই বেল দেয়া যায় তার সবকটি পূরণ করেন বেগম জিয়া। তিনি নারী, তিনি ৭৩ বছরের বৃদ্ধা এবং তিনি অসুস্থ। তাকে জমিন দিলে তিনি পালিয়ে যাবেন না অথবা তাকে জামিন দিলে তিনি মামলার কোনো ক্ষতিও করতে পারবেন না। এই ধরনের কেসে বেল দেয়ার সময় সাধারণত নিম্ন আদালতের নথি পর্যালোচনার প্রয়োজন হয় না। তবুও কেন নিম্ন আদালতকে ১৫ দিনের সময় দেয়া হলো সেটা কারো বোধগম্য হচ্ছে না। বিশেষজ্ঞ মহল বলেন, মামলার নথির প্রয়োজন হবে যখন উচ্চ আদালত মামলাটির বিচার করবেন। ইত্তেফাকের ঐ রিপোর্ট মোতাবেক এ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, তিনি আশা করছেন খালেদা জিয়া ও অন্য আসামীদের দণ্ড আপিলেও বহাল থাকবে। আপিলেও এই দণ্ড বহাল থাকবে এমন উক্তি করে এ্যাটর্নি জেনারেল কি পরোক্ষভাবে হাইকোর্টকে এই বার্তা দিচ্ছেন না যে নিম্ন আদালতের রায়ই বহাল থাকুক?

॥তিন॥
আসল ব্যাপার হলো এই যে সরকার এটিকে সম্পূর্ণভাবে একটি রাজনৈতিক মামলা হিসেবে ট্রিট করছে। ইতোমধ্যেই বিষয়টি দেশবাসীর কাছে পরিষ্কার হয়ে গেছে যে যেনতেন প্রকারে খালেদা জিয়া ও বিএনপি তথা ২০ দলীয় বিরোধী জোটকে নির্বাচন থেকে বাইরে রাখা। এর একটি পথ ছিল প্রচন্ড দমননীতি চালানো। সরকার ভেবেছিল বেগম জিয়ার কারাদণ্ডের খবর প্রচারিত হওয়ার সাথে সাথে বিএনপি তথা ২০ দলীয় জোটের নেতা ও কর্মীরা রাস্তায় নেমে পড়বে এবং একটি দক্ষ যজ্ঞ কান্ড বাধিয়ে দেবে। সেটিকে উসিলা করে সরকার সমস্ত বিরোধী দলের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি আক্রমণ চালাবে। কিন্তু সরকারের এই ফাঁদে পা দেয়নি বিএনপি। সরকারের কাছে খবর আছে যে বিএনপি যে কোনো প্রকারে যদি নির্বাচনে যেতে পারে এবং দেশের ভোটাররা যদি ভোটকেন্দ্রের আশে পাশে পৌঁছতে পারে তাহলে সরকার পক্ষ বুঝবে কত ধানে কত চাল।

সরকারের এই কৌশল ফেল করার পর এখন সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে নিম্ন আদালতের রায়কে বহাল রাখার জন্য উচ্চ আদালতের ওপর পর্দার অন্তরাল থেকে প্রভাব বিস্তার করবে। এইভাবে উচ্চ আদালতেও যদি নিম্ন আদালতের রায় বহাল থাকে তাহলে বেগম জিয়া নির্বাচনের জন্য অযোগ্য ঘোষিত হবেন। তারেক রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়া উভয়েই যদি অযোগ্য ঘোষিত হন তাহলে আওয়ামী লীগ মাঠটি খালি পাবে এবং খালি মাঠে গোল দেবে। এটিই তাদের আসল লক্ষ্য এবং সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে তারা সুপরিকল্পিতভাবে এগিয়ে যাচ্ছেন।

সরকারের পলিটিশিয়ান এবং বুদ্ধিজীবীরা বলছেন যে একটি ভাল এবং গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য প্রয়োজন একটি নিরপেক্ষ এবং শক্তিশালী নির্বাচন কমিশনের। বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন যদি ভারতের সাক্সেনা কমিশনের মত হতো তাহলেও কোনো কথা ছিল না। কিংবা বাংলাদেশের জুডিশিয়ারি বা বিচার বিভাগ যদি পাকিস্তানের উচ্চ আদালতের মতো হতো তাহলেও ভিন্ন কথা ছিল না। সাক্সেনা কমিশন প্রবল ক্ষমতাধর প্রধান মন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীকে ছেড়ে কথা বলেনি। পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট দুর্নীতির দায়ে তিন বারের প্রধান মন্ত্রী নওয়াজ শরীফকে প্রধানমন্ত্রীত্ব থেকে অপসারিত করেছে, যদিও তিনি যথারীতি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে পার্লামেন্টে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পেয়ে প্রধান মন্ত্রী হয়েছিলেন। প্রধানমন্ত্রীত্ব খারিজ হওয়ার পর তিনি দলের সভাপতি থাকেন। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট রায় দিয়েছে যে তিনি সভাপতিও থাকতে পারবেন না। সর্বশেষ খবরে প্রকাশ, সুপ্রিম কোর্টের এই সর্বশেষ রায়ের প্রেক্ষিতে মুসলিম লীগ দল সিদ্ধান্ত করেছে যে কোর্টের ডিসিশন অনুযায়ী তিনি দলের প্রেসিডেন্ট না থাকতে পারলেও তিনি আজীবন দলের নেতা হিসেবে থাকবেন।

দুঃখের বিষয়, প্রধান নির্বাচন কমিশনার নুরুল হুদা অনেক নিরপেক্ষতার কথা বললেও এখন তিনি রকিব মার্কা কমিশন হতে যাচ্ছেন। বিএনপির তরফ থেকে চীফ ইলেকশন কমিশনার নুরুল হুদার কাছে একটি দরখাস্ত দেয়া হয়। ঐ দরখাস্তে বলা হয়েছে যে প্রধানমন্ত্রী এবং মন্ত্রীরা সরকারি টাকায়, হেলিকপ্টার, রেল গাড়ি, বিমান ইত্যাদি ব্যবহার করে জনগণের কাছে নৌকায় ভোট চাচ্ছেন। অথচ বিরোধী দলকে সভা সমাবেশ করতে দেয়া তো দূরের কথা, ঘর থেকেও বের হতে দেয়া হচ্ছে না। এই অবস্থার প্রতিকার চেয়ে সকল দলকে সমান সুযোগ দেয়ার জন্য চীফ ইলেকশন কমিশনারের কাছে বিএনপি আবেদন জানিয়েছে। কিন্তু উত্তরে চীফ ইলেকশন কমিশনার বলেছেন যে, তফশিল ঘোষণার আগে তাদের এ ব্যাপারে কিছু করার নাই। তফসিল ঘোষণা হবে আরো ৮ মাস পর। এই ৮ মাস ধরে বিএনপিসহ বিরোধী দল কি শুধুমাত্র অন্দরমহলের রাজনীতি করবে? তাই প্রক্তন আইন মন্ত্রী ও বিশিষ্ট আইনজীবী মওদুদ আহমেদ বলেছেন যে বর্তমান নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণভাবে সরকারের তল্পীবাহক। এই সরকারের অধীনে কোনো অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন সম্ভব নয়।

আসলে দেশে আগামীতে একদলীয় সরকার প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে, একপক্ষীয় ও একতরফা নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে বেগম খালেদা জিয়াকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং সাজা দেয়া হয়েছে। তার জামিন নিয়ে টালবাহানা করা ঐ উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্যই করা হচ্ছে। মনে হচ্ছে জামিন এবং মামলা নিয়ে আরো অনেক খেলা চলবে। তবে এর ফলে জনমত যে কতখানি বিক্ষুব্ধ হচ্ছে সেটি সরকার টের পাচ্ছে না। গণতান্ত্রিক ও নিয়মতান্ত্রিক পথে জনগণের এই পুঞ্জীভূত ক্ষোভের যদি বিস্ফোরণ ঘটে তবে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।

লেখক: সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক

Print

শীর্ষ খবর/আ আ

সংবাদটি পড়া হয়েছে 2303 বার

 
 
 
 
মার্চ ২০১৮
রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
« ফেব্রুয়ারি   এপ্রিল »
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
 
 
 
 
WP Facebook Auto Publish Powered By : XYZScripts.com