fbpx
 

খালেদার জামিন, স্থগিত সমাবেশ ও গণতন্ত্র

Pub: রবিবার, এপ্রিল ১, ২০১৮ ১:২৪ পূর্বাহ্ণ   |   Upd: রবিবার, এপ্রিল ১, ২০১৮ ১:২৪ পূর্বাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

হোসেন মাহমুদ:

দেশে প্রতিদিন নানা ঘটনা ঘটে। মানুষের দৈনন্দিন জীবনে সে সব ঘটনার প্রভাব পড়ে। তাতে কখনো কখনো ক্ষতিতে, আঘাতে, বেদনায় মানুষ স্থবির, মূক হয়ে পড়ে। তারপর এক সময় সব কিছু স্বাভাবিক বা প্রায় স্বাভাবিক নিয়মে চলতে থাকে। কিন্তু ব্যক্তি জীবনের বাইরেও কিছু ঘটনা ঘটে যার রেশ সহজে মিলায় না। বহু মানুষের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে তা। যেমন দেশের রাজনৈতিক ঘটনা প্রবাহ। এ সবের মধ্যে কোনো কোনো ঘটনা বিপুল সংখ্যক মানুষের মধ্যে ঔৎসুক্য সৃষ্টি করে। সাম্প্রতিক প্রধান ঔৎসুক্য সৃষ্টিকারী ঘটনা হচ্ছে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার কারাদন্ড এবং পরিণতিতে তার জামিন প্রসঙ্গ, ঢাকায় ২৯ মার্চ বিএনপির সভা করতে না পারা। এর সাথে আছে আরেকটি বিষয়। তা হলো স্বৈরতান্ত্রিক দেশ হয়ে উঠছে গণতন্ত্রহীন বাংলাদেশ বলে বিদেশি মাধ্যমে প্রকাশিত খবর।
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার বিচারে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া পাঁচ বছরের দন্ডপ্রাপ্ত হন গত ৮ ফেব্রুয়ারি। তারপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন। ১ এপ্রিল পর্যন্ত ইতোমধ্যে পেরিয়েছে তার কারাজীবনের ৫২ দিন। প্রসঙ্গক্রমে বলতে হয়, ঐ সময় তার জেলে অবস্থানের সম্ভাব্য সময় নিয়ে নানা জল্পনাকল্পনা চলে। ৮ ফেব্রুয়ারি ছিল বৃহস্পতিবার। তাকে নিয়ে যারা চিন্তা-ভাবনা করেন তারাসহ অতি উৎসাহীদের পক্ষ থেকে তখন বলা হয়েছিল যে, যদি তার সাজা দেয়া হয়ও তাহলেও বয়স-অসুস্থতা বিবেচনায় জামিন দেয়া হতে পারে। তাকে জেলে যেতে হবে না। আর সেদিন যদি জামিন দেয়া না হয় তাহলে তাকে কমপক্ষে রোববার পর্যন্ত তিনদিন জেলে থাকতেই হবে। হাইকোর্টে আপিল করা হলে তিনি জামিন পাবেন বলে আশা করা যায়। কিন্তু না, তাদের কোনো কথাই বাস্তব হয়নি। তার রায়ের নকল পাওয়া যায় ১২ দিন পর ১৯ ফেব্রুয়ারি। ২০ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টে আপিল আবেদন করার পর শুনানির তারিখ নির্ধারণ করা হয়। শুনানিতে নিম্ন আদালত থেকে মামলার নথি ১৫ দিনের মধ্যে হাইকোর্টে পাঠানোর নির্দেশ দেয়া হয়। এ সব প্রক্রিয়ার পর ১২ মার্চ শুনানি হয় এবং ৪ মাসের জামিন দেয়া হয়। তারপর দুদক খালেদা জিয়ার জামিনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করলে ১৯ মার্চ আপিল বিভাগ ৮ মে পর্যন্ত জামিন স্থগিত করেন। অন্যদিকে ২০১৫ সালের ২ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলায় বাসে পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করে ৮ যাত্রী হত্যা মামলায় খালেদা জিয়া আসামী। এ মামলায় তার বিরুদ্ধে আগেই ওয়ারেন্ট জারি করা ছিল। ১২ মার্চ হাইকোর্টে খালেদা জিয়ার জামিন হওয়ার খবর জানার সঙ্গে সঙ্গে গুলশান থানার ওসি আবু বকর কুমিল্লার আদালতে খালেদা জিয়াকে গ্রেফতারের আবেদন জানান। এ আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কুমিল্লার আমলি আদালত ঐ দিনই বিকালে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করেন ও ২৮ মার্চ ঐ আদালতে তাকে হাজির করার নির্দেশ দেন। তবে ২৮ মার্চ তাকে হাজির না করায় কুমিল্লার আদালত ৮ এপ্রিল তাকে হাজির করার নির্দেশ দিয়েছেন।
জানা যায়, বেগম খালেদা জিয়ার নামে আরো মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা আছে। কিছু মামলায় জামিনে আছেন তিনি। তাঁর নামে মোটামুটি ডজন তিনেকের মতো মামলা রয়েছে। সেগুলোর মধ্যে মাত্র একটি মামলা অর্থাৎ জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার বিচার হয়েছে, অন্যান্য মামলার বিচারেও কম-বেশি দন্ড হতে পারে তাঁর। তাই তিনি জামিন পাবেন, পেয়ে কারাগারের বাইরে আসতে পারবেন, এমন আশা কম। বিশেষ করে তিনি যাতে বাইরে আসতে না পারেন সে ব্যাপারে সকল রকম ব্যবস্থা করা আছে বলেই দেখা যাচ্ছে। আইনমন্ত্রী কিছুদিন আগে বলেছিলেন, আপিল বিভাগ জামিন দিলেও তিনি মুক্তি পাবেন না। মুক্তি পেতে হলে তাকে কুমিল্লার মামলায় জামিন পেতে হবে। এদিকে দন্ডপ্রাপ্তির পর তার আইনজীবীরা জামিনের জন্য উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হলেও সেক্ষেত্রে আশাব্যঞ্জক খবর নেই। এখন এটা নিশ্চিত যে, উচ্চ আদালতে জামিন পেলেও তিনি মুক্তি পাবেন না। খালেদা জিয়া নিজেও জামিনের এ বিলম্বে বিস্মিত হয়ে প্রশ্ন করেছেন, সবার জামিন হয়, আমার হলো না কেন? তিনি বলেছেন, ‘কারো ৫ বছরের জেল হলে জামিনে বাধা থাকে না। অহরহ জামিন দিচ্ছে আদালত। তাহলে আমার ব্যাপারে এমন জটিলতা কেন হচ্ছে? আমার জামিন নিয়ে টালবাহানা করা হচ্ছে কেন? আমার জামিন হলো না কেন? হাইকোর্টও জামিন দিতে দেরি করেছে, আপিল ডিভিশনও স্থগিত করেছে কেন?’ তার এ প্রশ্নের জবাব তার আইনজীবীরাই ভালো দিতে পারবেন। কিন্তু এ সব প্রশ্নের মধ্যে অনেক জবাবহীন জিজ্ঞাসা মূর্ত হয়ে উঠেছে। ধরা যাক, উচ্চ আদালত তাকে জামিন দিলেন। কুমিল্লার মামলাতেও জামিন পেলেন তিনি। তখন আরেক মামলায় তাঁকে শোন অ্যারেস্ট দেখানো হতে পারে। ব্যস। হয়ে গেল। আর বেরনো হবে না তাঁর। আবার জামিন, তারপর আবার অ্যারেস্ট দেখানো। এ অনিঃশেষ গল্প হয়তো চলতেই থাকবে। এভাবেই হয়তো বের হওয়া হয়ে উঠবে না তাঁর। তাঁর বয়স বাড়তেই থাকবে, অসুস্থতাও বাড়তে পারে। হায়াতের মালিক আল্লাহ। এমনও হতে পারে, মুক্ত জীবনে আর কখনো খোলা আকাশ নাও দেখা হতে পারে তাঁর। বর্তমানে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন তিনি। জেলখানার চিকিৎসকরা তাকে দেখছেন। বিএনপি এ ব্যাপারে সঠিক খবর পাচ্ছে না বলে বলেছে। তবে সরকার যে তাঁর ব্যাপারে মোটেই অমনোযোগী নয় তা জানা যায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের কথায়। ৩০ মার্চ তিনি বলেছেন, খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনে বিদেশে নেয়া হবে। হায় খালেদা জিয়া! আইনে অসুস্থ, ৭৩ বছরের তিনবারের এ সাবেক প্রধানমন্ত্রীর জামিন মেলে না, কিন্তু এ কয়েদীকে বিদেশে নিয়ে চিকিৎসা করাতে সরকারের সদিচ্ছার কমতি নেই দেখা যাচ্ছে। তবে তাঁকে নিয়ম মোতাবেক হাতকড়া পরিয়ে বিদেশে নেয়া হবে কিনা সে ব্যাপারে অবশ্য কিছু বলা হয়নি। যাহোক, এ অসুস্থতা তাঁর জামিনের ক্ষেত্রে কোনো বিবেচনার বিষয় হবে না নিশ্চয়ই। তবু বলা প্রয়োজন যে, এ মুহূর্তে উচ্চ আদালতই শুধু ভাগ্য নির্ধারণ করতে পারেন তাঁর।
দেশে গণতন্ত্রের খবর সবার জানা। সরকারে থাকা সবাই ও সরকারের সমর্থক, অনুরাগীদের ভাষায় দেশে পূর্ণ গণতন্ত্র রয়েছে। এটা শুধু কথা নয়, সিদ্ধান্ত। এর বিরুদ্ধে কিছু বললেই স্বাধীনতা বিরোধী, পাকিস্তানপ্রেমী ইত্যাদি তকমায় ভ‚ষিত হওয়ার শংকা রয়েছে। তো, সরকারি মহলের গণতান্ত্রিক আচরণ না করার সর্বশেষ ঘটনা হচ্ছে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে সোহরাওয়ার্দি উদ্যানে বিএনপিকে সমাবেশ করতে না দেয়া। বিএনপি ১২ মার্চ এ সমাবেশের অনুমতি চেয়ে প্রথম আবেদন করে। পায়নি। দ্বিতীয় দফা আবেদন করে ১৯ মার্চ। তখনো অনুমতি পায়নি। সর্বশেষ ২৯ মার্চ তারা তৃতীয়বার অনুমতি চায়। ২৮ মার্চ বিকেল ৪টা পর্যন্তও সে অনুমতি না আসায় তারা প্রস্তাবিত সমাবেশ বাতিল করে। জানা যায়, নিরাপত্তার কারণে এ সমাবেশের অনুমতি দেয়া হয়নি। তবে ২৪ মার্চ অনুষ্ঠিত জাতীয় পার্টির সমাবেশের অনুমতি পেতে সমস্যা হয়নি। অন্যান্যরাও পায়। আওয়ামী লীগের বা অঙ্গ সংগঠনের হলে তো কথাই নেই। সরকার যেহেতু শান্তিপ্রিয়, তাই বিএনপির রাজনৈতিক কর্মকান্ড প্রেস বিজ্ঞপ্তি পর্যায়ে সীমিত রাখাই হয়তো যথোচিত গণতান্ত্রিক আচরণ।
বাংলাদেশে গণতন্ত্র সম্পর্কে অতি সম্প্রতি মন্তব্য করেছে একটি জার্মান গবেষণা প্রতিষ্ঠান। বারটেলসমান স্টিফটুং নামের এ প্রতিষ্ঠান ২৩ মার্চ প্রকাশিত তাদের গবেষণা প্রতিবেদনে মন্তব্য করে যে, বাংলাদেশ এখন স্বৈরশাসনের অধীন এবং সেখানে এখন গণতন্ত্রের ন্যূনতম মানদন্ড পর্যন্ত মানা হচ্ছে না। প্রতিবেদনে বাংলাদেশসহ পাঁচটি দেশকে নতুন একনায়কতান্ত্রিক দেশ হিসেবে অভিহিত করা হয়। তাদের যুক্তিতে বলা হয়, খারাপ মানের নির্বাচনের কারণে বাংলাদেশকে এই তালিকায় ঢোকানো হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ এ সমীক্ষাকে প্রত্যাখ্যান করেছে। একজন সিনিয়র নেতা ও মন্ত্রী এ প্রতিবেদনের বক্তব্য নাকচ করে দিয়ে বলেছেন, জার্মানির কাছ থেকে আমাদের গণতন্ত্র শেখার কিছু নেই। আরেকজন সিনিয়র নেতা পরিষ্কার ভাষায় বলেছেন, বাংলাদেশ শতকরা ১শ’ ভাগ গণতান্ত্রিক দেশ এবং গণতন্ত্রের মান নিয়ে প্রশ্ন তোলার কোনো সুযোগ নেই।
সমস্যা হচ্ছে, বাংলাদেশে গণতন্ত্রের প্রকৃত অবস্থা সম্পর্কে সত্য বলা যায় না। সরকার বলতে দেবেও না। সরকারের তাবেদররা স্বার্থের কারণে সত্য বলেন না। সরকারবিরোধী ও নিরপেক্ষরা সত্য বলতে ভয় পান। আসলে সরকার যে রকমটি চায় অর্থাৎ তাদের বেঁধে দেয়া ভাষ্যে কথা বলতে গেলে সত্য বলা যায় না, আবার সত্য বলতে গেলে রয়েছে সরকারের বিরাগভাজন বা রোষের শিকার হওয়ার সমূহ শংকা। তার পরিণতি ভয়াবহ হতে পারে। এ অবস্থায় এ প্রতিবেদন সম্পর্কে বিদেশিদের দু’একটি মন্তব্য তুলে ধরা যেতে পারে। বারটেলসমানের প্রতিবেদন প্রসঙ্গে ওয়াশিংটনভিত্তিক উড্রো উইলসন সেন্টারের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক বিশেষজ্ঞ মাইকেল কুগেলম্যাান জার্মান সংবাদ মাধ্যম ডিডব্লিউকে বলেন যে, বাংলাদেশ দ্রুত স্বৈরতন্ত্রে পরিণত হওয়ার দিকে ধাবিত হচ্ছে। তিনি বলেন, ক্ষমতাসীন দল অব্যাহতভাবে ও বারবার এবং প্রায়ই সহিংসভাবে রাজনৈতিক বিরোধীদের উপর দমন চালাচ্ছে। তিনি বলেন, এর পরিবর্তন না হলে দেশটি একদলীয় রাষ্ট্র হয়ে ওঠার বিপজ্জনক পথে অগ্রসর হবে। একই রকম মত প্রকাশ করে জার্মানির হাইডেলবার্গ বিশ^বিদ্যালয়ের দক্ষিণ এশিয়া বিশেষজ্ঞ সিগফ্রিড ও. উলফ বলেছেন যে, মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ বাংলাদেশে গণতন্ত্রের অবস্থা বর্তমানে রুগ্ন দেখাচ্ছে।
নিজের তরকারির লবণের স্বাদ অন্যের জিভে চাখা অনেকেই পছন্দ করেন না। তাই নিজ দেশের গণতন্ত্রহীনতার কথা অন্যে বলছে তা অনেকেই ভালো নাও মনে করতে পারেন। কিন্তু নিরুপায় হলে কী আর করা। যাহোক, দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ গণতন্ত্র চায়। বর্তমানে যে গণতন্ত্র রয়েছে সেটা নয়, সত্যিকার গণতন্ত্র, নিদেনপক্ষে খুব কাছাকাছি কিছু। ২০১৪ সাল মার্কা নির্বাচন করে তার ভিত্তিতে বাংলাদেশ বিশে^ গণতন্ত্রের রোল মডেল বলে চালানো গণতন্ত্র নয় বা দমন-পীড়নের সকল পন্থা অবলম্বন করে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনকে বিরোধীশূন্য করে তোলা গণতন্ত্র নয়।
সরকার বাংলাদেশের উন্নয়নের চেষ্টা করছে। গত নয় বছরে দেশে যে উন্নয়ন হয়েছে তা আর কখনো হয়নি। এ কথা মেনে নিতে কোনো আপত্তি কারো হওয়ার কথা নয়, যদিও সে উন্নয়ন আসলে কতটা দেশের, কতটা সরকারের সাথে নানাভাবে সম্পৃক্ত একটি অংশের, তা নিয়ে কথা আছে। কিন্তু গত নয় বছরে যে দমন-নিপীড়ন চলেছে, আগে আর কখনো তা হয়নি তা কি সত্য বলে স্বীকার করবে সরকার? এখানেই গণতান্ত্রিক স্বভাবের প্রকৃত পরিচয় নিহিত। এই গণতন্ত্রই নন্দিত, আদৃত, একান্ত কাম্য। সামনে কড়া নাড়ছে জাতীয় নির্বাচন। তাতে কে হারবে, কে জিতবে সে পরের কথা, জরুরি যা তা হচ্ছে, নির্বাচন হতেই হবে এবং তা হতে হবে সকলের অংশগ্রহণের ভিত্তিতে। যে কোনো মূল্যে সেটা নিশ্চিত করতে হবে। তবেই গণতন্ত্র প্রাণস্পন্দনময় হবে। সৃষ্টি হবে আস্থা ও বিশ্বাস। এর সম্পূর্ণ দায়িত্ব সরকারের। বিলম্বে হলেও সরকার সত্যিই গণতন্ত্রের নন্দিত পথে হাঁটবে, সেটাই সবার প্রত্যাশা।
লেখক: সাংবাদিক ও কলামিস্ট


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ