গণতন্ত্র এখন ফাঁসীর মঞ্চে,এখনই সময় গর্জে উঠার,বাকশাল কি শেষ প্রাপ্তি ?

Pub: সোমবার, এপ্রিল ৮, ২০১৯ ৫:১৮ অপরাহ্ণ   |   Upd: সোমবার, এপ্রিল ৮, ২০১৯ ৫:১৮ অপরাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

শীর্ষ খবর ডটকম : লগীবৈঠার রাজনীতিতে সিদ্ধহস্ত আওয়ামীলীগের গণতন্ত্রের মুখোশ উম্মোচিত হতে শূরু করেছে। মানুষশুদ্ধ বাস পোড়ানো সহ অসংখ্য বর্বেরোচিত ও লোমহর্ষক তান্ডবের নায়ক আওয়ামীলীগ নির্বাচনী বৈতরনী পার হওয়ার জন্য প্রশাসনকে ব্যবহারকরে আগের রাতে ভোটের বাক্স ভর্তিকরে জালিয়াতির মাধ্যমে জনগনের ঘাড়ের উপর চেপে বসে আছে। নতুন করে শোনা যাচ্ছে বাকশালের পদধ্বনি । প্রধানমন্রী নিজে বলেছেন বাকশাল কায়েম হলে ভোট কারচুপি হবেনা । আসলেই কি আমরা আবার বাকশালী শাসনে ফায়ার যাচ্ছি ?

সন্ত্রাসের গডফাদার লালনকারী দলটির হাতে আজ বিচার ব্যবস্থা থেকে শূরু করে সবখানেই এক অরাজকতার সৃস্টি হয়েছে। গ্রেফতারের নামে রিমান্ড নয় যেন হিটলারের টর্চার সেল তৈরী করেছে। গ্রেফতার করে পুর্বপরিকল্পিত বিচারের রায় নিয়ে বিরোধীদলের নেতাদের উপর অমানুষিক নির্যাতন যেন হিটলারকেও হার মানায়। বিএনপি আর অন্যান্যা দলের উপর অত্যাচারের ষ্টিম রোলার যেন সব অর্জনকে মাড়িয়ে দিচ্ছে। তাই আজ দেশপ্রেমিকদের রুখে দাড়াতে হবে। যারা নিজেদের সন্তান সন্ততির জন্য বিদেশকে আপনভূমি বানানোর জন্য ডুয়েল নাগরিকত্ব নিতে ব্যস্ত, তারা কখনো দেশপ্রেমিক হতে পারেনা। তাই আমাদেরকে স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ক্ষমতার দাপটে অন্ধ এ ফ্যাসিস্টদের হাত থেকে দেশ ও জাতিকে রক্ষার জন্য এগিয়ে আসতে হবে।ফিরিয়ে আনতে হবে মানুষের কথা বলার অধিকার ভোটের অধিকার বাকস্বাধীনতা ।

গণতন্ত্রের “মা” বিএনপি চেয়ারপারসন সাবেক তিন বারের প্রধানমন্ত্রী ফ্যাসিস্ট সরকারের রোষানলে পড়ে ৭৩ বছর বয়েসে মিথ্যা বানোয়াট মামলায় পরিত্যক্ত জেলে বন্দি হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন, তিনির জীবন এখন সঙ্কটাপন্ন । কারাবন্দি ও অসুস্থ বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসা ও জামিনে বাধা প্রদানের পেছনে সরকারের গভীর ভয়ংকর নীলনকশা এখন দিনের আলোর মতো স্পষ্ট হতে শুরু করেছে।

বাংলাদেশের অবৈধ প্রধানমন্ত্রী চাচ্ছেন দেশনেত্রীকে হয় দুনিয়া থেকে না হয় রাজনীতি থেকে সরিয়ে দিতে। গত কয়েকদিন ধরে সরকারদলীয় লোকদের মিডিয়া এবং মন্ত্রী ও তাদের নেতাদের কথাবার্তায় মনে হচ্ছে বেগম খালেদা জিয়ার প্যারোল নিয়ে তাদের ঘুম হারাম হয়ে গেছে।বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের কোটি কোটি কর্মী সমর্থক থাকতে খালেদা জিয়া কেন প্যারোলে মুক্ত হবেন ? আমার দৃঢ় বিশ্বাস আপোষহীন নেত্রী প্যারোলে মুক্তি নিতে রাজি হবেন না।গণঅনশন মানব বন্ধন করে বা আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে খালেদা জিয়াকে মুক্তকরা যাবেনা,খালেদা জিয়ার মুক্তির একমাত্রপথ ইস্পাত কঠিন শপথের মাধ্যমে রাজপথে তীব্র আন্দোলন করে খালেদা জিয়াকে মুক্তকরতে হবে।

এখনই সময় গর্জে উঠার।ফ্যাসীবাদী সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধঘোষনা এখন সময়ের দাবী।বিরোধী দলকে নিচিহ্ন করে ক্ষমতা চীরস্থায়ী করার ষড়যন্ত্র করছে।ইসলাম ও ইসলামীমূল্যবোধে বিশ্বাসী সকল সংবাদপত্র ও মানুষের স্বাধীনতা হরনকরেছে,হরণ করা হয়েছে মানুষের বাকস্বাধীনতা, রাস্তায় মৃত্যুর মিছিল শিক্ষাঙ্গনে চলছে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী কর্মকান্ড খুন গুম বন্ধুক যোদ্ধের নামে মানুষ হত্যা এখন নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা। দেশটা যেন এখন সন্ত্রাসের রাজত্ব।

মালাউনদের সাথে যাদের শখ্যতা এবং দেশের সার্থ নাদেখে যারা ওদের স্বার্থকে বড়করে দেখে তাদের দিয়ে এদেশ ও দেশের সার্বভৌমত্ব নিরাপদ নয়-একথাটি জাতিকে উপলোব্ধি করতে হবে।এই দলটি যখনই ক্ষমতায় আসে তখনই দেশের শান্তিবিগ্নিতহয়।এদলটির নেতাকর্মী সকলেই উগ্র ও সন্ত্রাসী মনভাবের।মিথ্যা আস্ফালনে এদের তুলনা নেই।এরা যখন মানুষ হত্যাকরে দেশের মানুষের জানমালের ক্ষতি সাধন করে তখন তা হয় প্ৰশংসনীয় আর বিরোধীদল শান্তিপূর্ণ কর্মসুচী দিলে তা হয় নাশকতা।সর্বশেষ বলতে চাই এইদলটি সরকারে এলেই পুলিশ হয় তাদের পেটুয়া বাহিণী।পুলিশের সাথে যোগদেয় তাদের নিজস্ব গুন্ডাবাহনী। এদেশ ও এদেশের মানুষের মুক্তি হবেনা যদিনা আরেকবার-গর্জে উঠে প্রতিরোধের ঝড় নাতুলে।

এদের কালো হাত ভাঙ্গতে হবে শক্তভাবে-তানাহলে এরা দেশের সকল বিভাগগুলোকে ভে্ঙ্গে দুমড়েদিবে এবং দেশটাকে সম্পূর্ণভাবে অকার্যকর করে দিবে।পাঠক তাইতো বলি গণতন্ত্র এখন ফাঁসীর মঞ্চে।বাকশাল কি শেষ প্রাপ্তি?

লেখক : প্রধান সম্পাদক
শীর্ষ খবর ডটকম


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ

সংবাদটি পড়া হয়েছে 1319 বার