অবিচারের ৪৩১তম দিন গণতন্ত্রের “মা” খালেদা জিয়ার মুক্তি চাই

Pub: রবিবার, এপ্রিল ১৪, ২০১৯ ৫:০১ অপরাহ্ণ   |   Upd: রবিবার, এপ্রিল ১৪, ২০১৯ ৫:০৪ অপরাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক তিনবারের নির্বাচিত সফল প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অন্যায় কারাবন্দিত্বের ৪৩১তম দিন ।

বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারি ৮, ২০১৮, থেকে অবৈধ শাসকগোষ্ঠী মিথ্যা মামলায় অন্যায় সাজার মাধ্যমে দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের গভীর শ্রদ্ধা ও অশেষ ভালোবাসার প্রতীক সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দিনরোডের পরিত্যক্ত কারাগারে বন্দি করে রেখেছে।

গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে বেগম জিয়া্কে দূরে রেখে বিনাভোটে বিনা বাধায় বন্দুকের নলের মাধ্যমে ক্ষমতায় থাকার জন্যই তাঁকে কারাবন্দি করে রাখা হয়েছে।

এ ধরনের রায়ের পর বাংলাদেশের যে কোন নাগরিক জামিন পেয়ে থাকলেও, বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম ওম্যান প্রধানমন্ত্রী ও অসুস্থ একজন সিনিয়র সিটিজেনকে এই ন্যুনতম অধিকারটুকুও দেয়নি জানুয়ারি ৫, ২০১৪ এর ভোটারবিহীন নির্বাচনে ক্ষমতা দখলকারীরা। ডিসেম্বর ৩০, ২০১৮ প্রহসনের নির্বাচনে মধ্যরাতের অন্ধকারে ভোট ডাকাতির মাধ্যমে রাস্ট্র ক্ষমতা কুক্ষিগত করে বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি তাদের হিংসার মাত্রা বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে। হয়রানিমূলক একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে কারাবন্দি করে রাখা হয়েছে তাঁকে।

তিনি নিজে, তাঁর পরিবার, আইনজীবী, চিকিৎসক ও দল, বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, মানবাধিকার সংগঠন ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও সংস্থার নেতৃবর্গের পক্ষ থেকে বিবৃতি ও সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বার বার তাঁকে মুক্তি দিয়ে তাঁর চিকিৎসার ও ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানানো হলেও অবৈধ কর্তৃপক্ষ কিছুই করছে না। তাঁর দীর্ঘদিনের চিকিতসকদের কাছ থেকে চিকিৎসাসেবা ও পরামর্শ পাচ্ছেননা তিনি। বিনা চিকিৎসায় কষ্টে ভুগছেন বদ্ধ বন্দিশালায়। একটি সরকারি হাসপাতালে নেয়া হলেও তাঁর ইচ্ছামত ডাক্তারদের পাননি তিনি। সেখানে চিকিৎসাসেবাও ছিল অপ্রতুল। তাঁকে বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ৮, হাসপাতালের চিকিৎসা অসম্পূর্ণ রেখেই কারাগারে স্থাপিত আদালতে জোর করে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেইখান থেকে আবারও কারাবন্দি করে রাখা হয়। ডিসেম্বর ৩০, ২০১৮ এর নির্বাচনে ভোট ডাকাতি নিশ্চিত করতেই হাসপাতাল থেকে এইভাবে তাঁকে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁর ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাঁকে আবারও এপ্রিল ১, ২০১৯, এ একই সরকারি হাসপাতালে নেয়া হয়েছে, যেখানে সুচিকিৎসা নেই।

বাংলাদেশের অবিচল গণতন্ত্র-সংগ্রামী আপসহীন এই নেত্রীকে কারাবন্দি রেখে অবৈধ শাসকগোষ্ঠী তাদের ‘দুঃশাসন-দুর্নীতি-সন্ত্রাস’ অব্যাহত রাখছে। ‘গুম-খুন-গ্রেপ্তার-নির্যাতন-মামলা’ এর ওপর ভর করে জনগণের লাখো কোটি টাকা আত্নসাৎ করা এই ব্যাংকডাকাত স্বৈরশাসকগোষ্ঠী বর্বরপন্থায় ক্ষমতা আঁকড়ে ধরে রাখছে। জনগনের ইচ্ছা তাদের কাছে তুচ্ছ।

বেগম জিয়াই আওয়ামী-অন্ধকারযুগে চোখ ধাঁধানো আলোর ঝড়, দুঃশাসনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের গ্রেটওয়াল।

যুবক-যুবতী, ছাত্র-শিক্ষক, কৃষক, শ্রমিক, মজুর, গৃহিনী, পেশাজীবী, রাজনৈতিকর্মী — বাংলাদেশের সর্বস্তরের জনগণ একইসাথে ‘গণতন্ত্রের-মা’ বেগম জিয়ার মুক্তি ও তাঁদের ভোটাধিকার ফিরে পাওয়ার দুই লক্ষ্যে ইস্পাত কঠিন গণঐক্য (Coalition of people) তৈরি করে চলেছে দেশজুড়ে ও দেশে দেশে। স্বৈরশাসনের জগদ্দল মসনদ উপড়ে ফেলে বেগম জিয়া্কে মুক্ত করতে সংহত সংকল্পবদ্ধ এই দেশের পরিশ্রমী গণতন্ত্র প্রিয় মানুষ । টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া, সুন্দরবন থেকে সিলেট এক লক্ষ ৪৭ হাজার ৫৯৮ বর্গ কিলোমিটার জুড়ে কোটিকোটি মানুষের মিলিত কণ্ঠস্বর প্রতিনিয়ত ধ্বনিত প্রতিধ্বনিত হচ্ছে ।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ