fbpx
 

“আজ বেগম খালেদা-ই গণতন্ত্র বেগম খালেদা -ই বাংলাদেশ “

Pub: শনিবার, অক্টোবর ৫, ২০১৯ ১০:৪৬ অপরাহ্ণ   |   Upd: শনিবার, অক্টোবর ৫, ২০১৯ ১১:২৯ অপরাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সায়েক এম রহমান : গত ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনের ঠিক দুই দিন আগে বিএনপির দুইজন নেতা (মধ্য মাপের) তারা কথা কাটাকাটি করছিলেন বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়া। তাদের তর্কের বিষয় ছিল, এই নির্বাচনে বা নির্বাচনের নামে আন্দোলন যদি কোন ভাল রিজাল্ট না হয়। অর্থাৎ যদি আওয়ামী লীগ আবার ক্ষমতায় চলে যায়। তখন খালেদা জিয়ার কি হবে বা খালেদা জিয়া কি করবেন? একজন বলছিলেন, “খালেদা জিয়া আপোষে ডাক্তারির জন্য লন্ডন চলে যাবেন আর অপরজন তাহার যুক্তি তর্কে মোটামুটি একমত হয়েছিলেন”।

আমি কিন্ত তাদের পাশেই বসে সবই শুনছিলাম। পরিশেষে হেসে হেসে তাদেরকে বলছিলাম,” আপনারা খালেদা জিয়ার দল করেন ঠিক কিন্তু আপনারা আপোষহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে চেনেন নাই। তবে বেগম খালেদা জিয়াকে আপনাদের চাইতে ভাল জানে ও চিনে এদেশের তৃর্নমূল নেতাকর্মী। যাক এদিকে আর যাচ্ছি না।

মূল বিষয়ে চলে আসি,,,,১/১১ এর সময়ে মঈন-ফখরু সরকার যখন বেগম খালেদা জিয়াকে বিদেশ পাঠানোর জন্য বিভিন্ন খেলায় মেতে উঠছিল এবং আপোষহীন নেত্রীকে সেরা প্রলোভন দেখিয়েও ব্যর্থ হয়েছিল। আজকের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কিন্তু সহজেই লন্ডন আমেরিকা পাঠাতে সক্ষম হয়েছিল। জাতি এসবই অবগত। বেগম খালেদা জিয়া কিন্তু সেইদিন সেনা সরকারের চাল বুঝেই দেশ না ছাড়ার পক্ষে অনড় ছিলেন। সেদিন তিনি দৃঢ় কন্ঠে বলেছিলেন,”দেশের বাহিরে আমার কোন ঠিকানা নাই। যে কথাটি আজও বলছেন। তখন অনেকটা ফোর্স করে বিমানে তুলার চেষ্টা করছিলো কিন্তু তিনি বাংলার চীর সবুজের মাটিকে আঁকড়ে ধরে বলেছিলেন,”আমি আমার মায়ের দেশেই থাকব, আমি আমার স্বামীর স্বপ্নের দেশেই থাকব, আমার দেশ আমি ছেড়ে চলে যাব না, আমি আমার ষোল কোটি মানুষের মাঝে বেঁচে থাকতে চাই, আমার দুই সন্তানকে মহান আল্লাহর কাছে সঁপে দিলাম। অতঃপর যখন সেনা সরকারের সব পরিকল্পনা ব্যর্থ হতে চললো পরিশেষে আপোষহীন নেত্রীকে শেষ প্রশ্ন করেছিলো,,,, মাডাম আপনার সন্তান বড় না দেশ বড়? আপোষহীন নেত্রী কঠিন থেকে কঠিনতম পরীক্ষার সম্মুখীন হন। গনতন্ত্রের প্রতীক, আপোষহীন নেত্রী সেই দিন কেঁদে কেঁদে বলেছিলেন,” দেশ বড়”। তারপরই শুরু হয় তাঁহার সন্তানদ্বয়ের উপর পৃথিবীর নিকৃষ্টতম নির্যাতন। এক সন্তান ফ্যাসিষ্টের নির্যাতনে অকালে দুনিয়া থেকে চলে যেতে হয় আর আরেক সন্তান পঙ্গু হয়ে লন্ডনে চিকিৎসার জন্য যেতে হয়। সেই আপোষহীন নেত্রীকে কিছুদিন আগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী প্যারোলের বাণী শুনাচ্ছিলেন, এখনও আবার গুনগুন শুনা যাচ্ছে । আসলে ভাবতে অবাক লাগে! বেগম খালেদা জিয়া যে কত বড় মাপের নেতা ক্ষমতা লিপ্সুরা এখনও ভাল করে বুঝে উঠতে পারে নাই। তারা ক্ষমতার মোহে অন্ধ হয়ে গেছে। তবে এদেশের সাধারণ মানুষ কিন্তু ভাল করেই বেগম খালেদা জিয়াকে জানে এবং চিনে।। বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের এক প্রান, বেগম খালেদা মানেই বাংলাদেশের গণতন্ত্র। এদেশের মানুষ এখন সম্পূর্ণই বিশ্বাস করে বেগম খালেদা জিয়া মানেই বাংলাদেশ। আজ হাটে মাঠে ঘাটে সাধারণ মানুষ বলছে,” একজন গনতন্ত্রের প্রতীককে প্যারোলে মুক্তি নয়, জামিনে মুক্তি ই তার অধিকার। এছাড়া ও সেনা সরকারের সময়ে কারান্তরীন থাকা অবস্থায় হারিয়েছেন তাঁহার মমতাময়ী মা এবং তাঁহার প্রিয় ভাই ও বোনকে। হারাতে হয়েছে স্বামীর হাতের ৪০ বৎসরের তাঁহার স্মৃতি বিজড়িত বাড়ি।৷আজ ভাবতে অবাক লাগে, ” যে মানুষটি তিন বারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, দুই বারের সাবেক বিরোধী দলের নেত্রী, ৩৬টি বৎসর যাবৎ বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদ, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রের জন্য একাধারে লড়াই করে যাচ্ছেন এবং যিনি একজন স্বাধীনতা ঘোষকের স্ত্রী, একজন বীর উত্তমের স্ত্রী, বাংলাদেশের প্রথম প্রসিডেন্টের স্ত্রী হয়েও সম্পূর্ণ অন্যায় ভাবে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রনোদিত মামলায় বন্দী রেখে, আজ নির্লজের মতন দখলদার সরকার প্যারোলের মুক্তির গান শুনাচ্ছে। কাকে শুনাচ্ছে? যার স্বামী শহীদ প্রসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এদেশের গণতন্ত্রকে পূনঃ প্রবর্তন করে আওয়ামী লীগ নামক দলটি পূনঃ জম্মের সুযোগ করে দিয়ে ছিলেন,,,,,, তাকে? যে নেত্রী নয় বৎসর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের ত্যাগ তিতিক্ষার ফলে বিশ্বজুড়ে আপোষহীন নেত্রীতে পরিণত হয়েছেন,,,,,, তাকে? ক্ষমতা কারো চিরস্থায়ী নয়। কোন ফ্যাসিষ্টদের হীন চক্রান্ত কখনও সফল হয় নাই। হবেও না। ইনশাআল্লাহ।

উপদেষ্টা সম্পাদক শীর্ষ খবর ডটকম
@Sayak M Rahman.


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ