fbpx
 

গণতন্রের “মা” খালেদা জিয়ার মুক্তি প্রসঙ্গে তারেক রহমানের কাছে খোলা চিঠি

Pub: শুক্রবার, ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২০ ১১:০৪ অপরাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আসসালামু আলাইকুম

প্রতি – জনাব দেশ নায়ক তারেক রহমান ভারপ্রাপ্ত চেয়্যারমান, বিএনপি

আশা করি মহান আল্লাহর মেহেরবানীতে ভাল আছেন

আপোষহীন দেশনেত্রী গণতন্ত্রের “মা” একজন ৭৪ বয়সী মাতৃতুল্য বিএনপি চেয়ার পারসন বেগম খালেদা জিয়া সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী চরম অসুস্থ, বাংলাদেশের গণতন্ত্র জনগনের ভোটের অধিকার,বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও স্বার্বভুমত্ব রক্ষায় দেশ ও জাতির বৃহত্ত্বর স্বার্থে যে কোনো মূল্যে অনতিবিলন্বে ফ্যাসিস্টদের কারাগার নামক নরক থেকে মুক্ত করতে হবে।

আমরা বহুদলীয় গণতন্ত্র ও বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের প্রবর্তক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার রাজনীতিতে বিশ্বাসী , তিনি ফ্যাসিস্ট সরকারের রোষানলে পড়ে প্রতি হিংসার শিকার হয়ে মিথ্যা সাজানো মামলায় ফরমায়েশি রায়ে অন্যায় কারাবন্দিত্বের দুই বছর বাইশ দিন পর্যন্ত কারাগারে আছেন।
আর সংগঠন ও সাংগঠনিক কার্যক্রম বাদ দিয়ে চলমান দায়সারা রাজনীতি করে ফ্যাসিস্ট সরকারের কারাগার থেকে খালেদা জিয়াকে মুক্তি করা সম্ভব নয়।

জনাব দেশ নায়ক তারেক রহমান ভারপ্রাপ্ত চেয়্যারমান

আপনি জাতীয়তাবাদী শক্তিকে সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে ঘুরেছেন পঞ্চান্ন হাজার পাঁচশত আটান্নবই বর্গমাইল।আপনি আপনার পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে বেড়িয়েছেন প্রান্ত থেকে প্রান্ত। আপনি মিশে আছেন তৃণমূল নেতাকর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের সাথে। আপনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের একজন ভিশনারি সংগঠক। দেশের ষোলকোটি জনগন অধীর আগ্রহে তাকিয়ে আছে আপনার দিকে।

তৃণমূল নেতাকর্মীদের অভিযোগ, সিনিয়র নেতারা দেরিতে হলেও স্বীকার করেছেন যে, বিচার বিভাগ সরকারের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে, রাজনৈতিক মামলায় আইনি লড়াইয়ে দেশনেত্রীর মুক্তি হবে না। কিন্তু বার বার তারা আইনি লড়াইয়ে যাচ্ছেন এবং আদালতের প্রতি আস্থা রাখছেন। আর আদালত থেকে প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পর প্রতিবারই নেতারা নামমাত্র বিক্ষোভ কর্মসূচি দিয়ে দায় এড়াতে চান।

বিগত সময় আমরা দেখেছি বড় নেতার উপর মামলার শুনানির দিন সারা দেশে বিক্ষোভ প্রদর্শিত হতো,কিন্তু পরিতাপের বিষয় বাংলাদেশের সর্ব বৃহৎ দলের চেয়ারপার্সনের অন্যায় মামলার শুনানির দিনে বিক্ষোভ কর্মসূচি পরিলক্ষিত হয়নি। আর যে সব ছোটকাট কর্মসূচি পালন হয় ঘুরে ফিরে হাতে গুনা কয়েকজন নেতাকেই দেখা যায়। অথচ পদ পদবি পাওয়ার জন্য এবং প্রার্থী হওয়ার জন্য নেতাদের অভাব হয় না, কিন্তু আন্দোলন-কর্মসূচিতে তাদের খুঁজেই পাওয়া যায় না।

দলে যাদের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে তাদের জবাবদিহিতার কোন উদ্যোগ নেই।উদ্যোগ যারা নেবেন তারাও কতটা সামনে আছেন? বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের অনুপস্থিতিতে সিনিয়র নেতাদের দায়িত্ব ছিল সকলকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা, কিন্তু তারা নিজেরাই অনাগ্রহী। কিছু অভিযোগ করা এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান যা বলেন সেটি দায়সারা পালন করা ছাড়া নিজেরা উদ্যোগী হয়ে দলের জন্য কেউ কোন কাজ করেন না।

তৃণমূল আর বিক্ষোভ-মিছিল চায় না, তৃণমূল চায় সারা দেশব্যাপী লাগাতার হরতাল-অবরোধ ও এক দফার আন্দোলন।এছাড়া দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করা সম্ভব নয়। বিএনপির সিনিয়র নেতারা যদি রাজপথে নামে তাহলে অবশ্যই সাধারণ জনগণ সহ দলের নেতাকর্মীরা মাঠে নামবেন।

শহীদ জিয়াউর রহমানের মত দেশপ্রেম, সাহস, সততা ও জনতার রাজনীতি শুরু হউক । সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনে দীর্ঘদিন চলা ক্ষমতা আর কমিটি বাণিজ্যের অনিয়ম, অবস্থাপনা, স্বেচ্ছাচারিতা, ব্যর্থতা ইত্যাদি কঠোরভাবে আমলে নিয়ে নতুনভাবে সকল সংগঠনে ফাউন্ডেশন তৈরি হউক।জবাবদিহিতা,পুরুষ্কার ও তিরস্কারের রাজনীতি চালু হউক।

আপোষহীন দেশনেত্রী গণতন্ত্রের “মা” একজন ৭৪ বয়সী মাতৃতুল্য বিএনপি চেয়ার পারসন বেগম খালেদা জিয়া সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রীকে জীবিত অবস্থায় মুক্তির ব্যবস্থা করতে হবে।

অবশ্য আপনার ও আপনার মা বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি আমাদের মত শুভাকাঙ্কীদের বেশি দরদ দেখানোটা কেউ কেউ বাঁকা চোখে দেখবেন। আর এটাই স্বাভাবিক।

তারপরেও পরিশেষে বলতে চাই আর দায়সারা মানববন্ধন,বিক্ষোভ আর প্রেসব্রিপিং নয়। মা খালেদা জিয়া ও গণতন্ত্রকে মুক্ত করতে হলে এখন প্রয়োজন লাগাতার হরতাল অবরোধ ও এক দফার আন্দোলন।

আপনার সুস্বাস্হ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে এখানেই শেষ করলাম।

ধন্যবাদ

বিনীত
ডাঃ আব্দুল আজিজ
প্রধান সম্পাদক শীর্ষ খবর ডট কম।

সায়েক এম রহমান
উপদেষ্টা সম্পাদক শীর্ষ খবর ডট কম।

Hits: 244


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ