আজকে

  • ১৩ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
  • ২৫শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং
  • ৮ই জমাদিউস-সানি, ১৪৩৯ হিজরী
 

সোশ্যাল নেটওয়ার্ক

মন্ত্রী বাড়লেও প্রশ্নফাঁস কমছে না

Pub: মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০১৮ ৫:০৩ অপরাহ্ণ   |   Upd: মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০১৮ ৫:০৩ অপরাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

ঢাকা: ডিজিটাল দেশ। তাই প্রশ্নফাঁস ঠেকানো সম্ভব হচ্ছে না। বলছেন, গোয়েন্দা ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। এদিকে মন্ত্রীর সংখ্যা বাড়িয়েও কোনো ফায়দা হয়নি। চারদিকে তীব্র সমালোচনা ও পদত্যাগের দাবি উঠলেও শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ কোনোভাবেই পদ ছাড়তে রাজি নন। আর শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলী- ‘প্রশ্নফাঁস হয়নি, আগামী বছর থেকে আর ফাঁস হবে না, এমসিকিউ বাদ দেয়া হবে’ এভাবে একেক সময় একেক কথা বলছেন। এমন পরিস্থিতিতে ‘বই খুলে’ পরীক্ষা নেয়ার নতুন আইডিয়া দিয়েছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ সোহরাব হোসেন। কিন্তু এ সবের মধ্যে সবশেষ মঙ্গলবারের এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্রও ফাঁস হলো। এ নিয়ে চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষার সব প্রশ্নই ফাঁসের ঘটনা ঘটলো। যা নতুন রেকর্ডও বটে। কারণ, এর আগেও পাবলিক পরীক্ষাসহ বিভিন্ন পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস হয়েছে। তবে ধারাবাহিকভাবে প্রতিদিনের পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের রেকর্ড এবারই প্রথম।
চট্টগ্রামে বাসভর্তি পরীক্ষার্থীদের মোবাইলে পদার্থ বিজ্ঞানের প্রশ্ন
চট্টগ্রাম নগরীর কোতোয়ালি থানাধীন বাংলাদেশ মহিলা সমিতি স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রের বাইরে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের মোবাইলে পদার্থ বিজ্ঞানের প্রশ্নপত্র পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় প্রশ্নফাঁস চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

মঙ্গলবার সকালে পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে পাওয়া প্রশ্নপত্রের সঙ্গে মিলে যায় মূল প্রশ্ন। একটি বাসের মধ্যে বসে ফাঁস হওয়া প্রশ্নের উত্তর শিখে নিচ্ছিল শিক্ষার্থীরা। এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট বাসটিতে তল্লাশি চালিয়ে শিক্ষার্থীর ব্যাগ থেকে মোবাইল ফোন উদ্ধার করে। যাতে ফাঁস হওয়া প্রশ্ন ছিল। এ বিষয়টি নিশ্চিত করে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. হাবিবুর রহমান জানান, পটিয়া আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা বাওয়া স্কুল কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে আসে। কেন্দ্রের বাইরে কিছু শিক্ষার্থীর মোবাইলে প্রশ্নপত্র পাওয়া যায়। তাদের প্রহরায় পরীক্ষা নেয়া হচ্ছে। ঘটনাস্থলে চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের টিম রয়েছে। এ ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এর আগে ধারাবাহিকভাবে আইসিটি, গণিত, ইংরেজি ও বাংলা প্রথম ও দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস হয়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন অভিভাবক বলেন, ‘এবারের এসএসসি পরীক্ষার সব প্রশ্ন আগেই ফাঁস হয়ে গেছে। এখন নির্ধারিত বিষয়ে পরীক্ষার আগের রাতে বা পরীক্ষার দিন সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেয়া হয়। মূলত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেয়া হয় সরকারকে জানান দিতে ও মিডিয়া কাভারেজ পাওয়ার জন্য। ’

প্রশ্নফাঁস ঠেকানো সম্ভব নয়, বই খুলে পরীক্ষা নেওয়ার চিন্তা!
পরীক্ষার বর্তমান পদ্ধতিতে প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়া রোধ ‘কোনোভাবেই সম্ভব নয়’ বলে মনে করেন শিক্ষাসচিব মো. সোহরাব হোসাইন। আগামীতে এসএসসির মতো পাবলিক পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র না ছাপিয়ে বই খুলে পরীক্ষা নেওয়ার চিন্তাভাবনা চলছে বলেও জানান তিনি।

গতকাল সোমবার রাজধানীতে জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমিতে (নায়েম) আয়োজিত অনুষ্ঠানে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসাইন এ কথা জানান।

এসএসসি কিংবা এইচএসসির মতো পাবলিক পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের সামনে ছাপানো কোনো প্রশ্ন নেই! বরং পরীক্ষার হলে তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া প্রশ্নে শিক্ষার্থীরা বই খুলেই উত্তর লিখতে পারছে! এমন অপরিচিত পরীক্ষা পদ্ধতি অনেকের কাছে অদ্ভুত শোনালেও আগামীতে এভাবে পরীক্ষা নেওয়া যায় কি না, সেটাই এখন চিন্তা করতে হচ্ছে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ভয়াবহ প্রেক্ষাপটে।

এ প্রসঙ্গে শিক্ষাসচিব সোহরাব হোসাইন বলেন, ‘ভিন্ন পদ্ধতিতে যাতে প্রশ্ন ছাপানোর প্রয়োজন না হয় সেই রকম কোনো কিছু করা যায় কি না সেজন্য তিন-চারটা কমিটি কাজ করছে এবং মন্ত্রণালয় থেকেও ভিন্নভাবে চিন্তা করা হচ্ছে এমন কিছু করা যায় কি না যে প্রশ্ন ছাপানোর প্রয়োজনীয়তা নেই। প্রশ্ন ওপেন থাকতে পারে, ওপেন বুক এক্সাম হতে পারে বা আরো অনেক কিছু আমরা চিন্তাভাবনা করছি।’

সোহরাব হোসাইন আরো বলেন, ‘এই প্রক্রিয়ায় প্রশ্নপত্র আউট বন্ধ করা কোনোভাবেই সম্ভব নয় বলে আমি ব্যক্তিগতভাবে বিশ্বাস করি এবং মনে করি।’

শিক্ষাসচিব আরো বলেন,  ‘২০ লাখ ছাত্রছাত্রী পরীক্ষা দেয়। একটি প্রশ্ন ছাপাতে চার-পাঁচদিন সময় নেয়। একজন মানুষ যদি অসৎ হয়, সে যদি মনে করে আমি প্রতিদিন একটা বা দুইটা করে মুখস্থ করে যাব, বাইরে গিয়ে লিখেই রাখব। তার পর একসাথে করব, একটি প্রশ্ন হবে। এটি কীভাবে ঠেকাব? আমি ২০১৪ সালেই বলেছি এ পদ্ধতিতে প্রশ্ন আউট রোধ করা সম্ভব নয়।’

ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। তাঁর সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের এড়িয়ে যান।

এসএসসিতে এমসিকিউ থাকছে না!
প্রশ্নফাঁস নিয়ে সমালোচনার মুখে থাকা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলী বহু নির্বাচনী প্রশ্ন (এমসিকিউ) তুলে দেয়ার কথা বলেছেন।

সোমবার জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ নিয়ে আলোচনায় দাঁড়িয়ে তিনি এই সময়ের অন্যতম আলোচিত বিষয় প্রশ্নফাঁস নিয়ে কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, “এমসিকিউ প্রশ্ন পর্যায়ক্রমে তুলে দেয়া হবে। তাহলে প্রশ্নফাঁসের সুযোগ থাকবে না।”

চলতি এসএসসিতে এই পর্যন্ত সবগুলো বিষয়েরই এমসিকিউ প্রশ্ন পরীক্ষা শুরুর আগেই ফেইসবুকসহ ইন্টারনেটে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফাঁস হয়েছে।

১৯৯২ সালে এসএসসিতে প্রবর্তনের সময় ৫০ নম্বরের পরীক্ষা এমসিকিউতে নেয়া হত। পরে তা কমিয়ে আনা হয়। প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে এমসিকিউ তুলে দেয়ার পক্ষে এর আগে শিক্ষা সচিবও মত জানিয়েছিলেন।

গত বছরজুড়ে বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের পর এবার এসএসসিতে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের কড়া হুঁশিয়ারি এবং প্রশ্ন ফাঁসকারীদের ধরিয়ে দিলে পুরস্কার ঘোষণার পরও চলছে একই ধারা।

এক মাস আগে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে আসা কাজী কেরামত বলেন, “একটি চক্র প্রশ্নফাঁস করে সরকারকে বিব্রত করার চেষ্টা করছে। ইতোমধ্যে তাদের কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।”

মোবাইলসহ পরীক্ষা কেন্দ্রের ২০০ মিটারের মধ্যে পেলে গ্রেফতার
এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকাতে এবার নতুন উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। পরীক্ষা কেন্দ্রের ভেতরে এবং কেন্দ্রের ২০০ মিটারের মধ্যে মোবাইল ফোনসহ কাউকে পাওয়া গেলে সঙ্গে সঙ্গে তাকে গ্রেফতার করে আইনগত ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ।

এছাড়া পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে কোনো পরীক্ষার্থী কেন্দ্রে প্রবেশ না করলে তাকে আর কেন্দ্রে প্রবেশ করতে না দেয়ার নির্দেশ জারি হয়েছে।

‘জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণ-সংক্রান্ত’ এক আদেশে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক (মাউশি), সব বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং শিক্ষা বোর্ডগুলোর চেয়ারম্যানদের গত রোববার ওই নির্দেশ পাঠানো হয়।

নিয়ম অনুযায়ী, পরীক্ষার সময় কেবল কেন্দ্র সচিব সাধারণ একটি মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারেন, যা দিয়ে ছবি তোলা যায় না। তবে ওই ফোনটিও কেন্দ্র সচিবের কক্ষে রেখে ব্যবহার করার নিয়ম।

এবার এসএসসি ও সমমানের সব পরীক্ষার প্রশ্নই পরীক্ষা শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগে ফাঁস হয়েছে, সেই প্রশ্ন ছড়িয়ে পড়েছে ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগের বিভিন্ন মাধ্যমে।

পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসকারীকে ধরিয়ে দিতে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ ৫ লাখ টাকা পুরস্কারের ঘোষণা দিলেও লাভ হয়নি। এক পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের পর বিভিন্ন ফেইসবুক ও মেসেঞ্জার গ্রুপ থেকে পরের পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের বিজ্ঞাপন চলছে নিয়মিত।

ইন্টারনেট বন্ধের আগেই প্রশ্ন ফাঁস
প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে বিটিআরসির নির্দেশনা অনুযায়ী পরীক্ষা শুরুর সময় মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ রাখা হলেও তার আগেই ইন্টারনেটে বিভিন্ন ফেইসবুক ও মেসেঞ্জার গ্রুপে চলে এসেছে ফাঁস হওয়া প্রশ্ন।
এসএসসিতে রোববার ছিল ‘তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি’ বিষয়ের পরীক্ষা। সকাল ১০টায় এ পরীক্ষা শুরুর এক ঘণ্টা আগে সকাল ৮টা ৫৯ মিনিটে ‘যবষঢ়রহম যধহফ’ নামে একটি মেসেঞ্জার গ্রুপ থেকে উত্তরসহ ‘গ’ সেটের বহুনির্বাচনী প্রশ্ন দেওয়া হয়।

আধা ঘণ্টার মধ্যে ওই একই প্রশ্ন ও উত্তরের ছবি বিভিন্ন গ্রুপ ও পেইজে ছড়িয়ে পরে। পরীক্ষা শেষে ভাইরাল হওয়া প্রশ্নের সঙ্গে পরীক্ষায় আসা প্রশ্ন হুবহু মিলে যায়।
ঢাকা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক তপন কুমার সরকার গণমাধ্যমকে বলেন, আপনাদের মত অনেকেই আমাদের তথ্য দিয়ে সাহায্য করছে। আমরা সবারটাই গুরুত্ব সহকারে দেখছি।
গত ১ ফেব্র“য়ারি এসএসসি পরীক্ষা শুরু হয়। সেদিনই প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ার খবর পাওয়া যায়। এরপর থেকে প্রতিটা পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁস হয়। এ অভিযোগে রাজধানীসহ সারা দেশে পরীক্ষার্থী, শিক্ষকসহ বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এর আগেও বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের খবর পাওয়া যায়।

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে ২৫ ফেব্র“য়ারি মন্ত্রণালয় ঘেরাও
শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে দুইদিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে প্রগতিশীল ছাত্র জোট। দাবি আদায়ে আগামী ২৫ ফেব্র“য়ারি শিক্ষা মন্ত্রণালয় ঘোরাও করবে তারা। প্রশ্নফাঁস বন্ধে প্রগতিশীল ছাত্র জোট তিন দফা দাবি ঘোষণাসহ দুই দিনের কর্মসূচি দিয়েছে। গত রোববার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে এক সংবাদ সম্মেলনে এই কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে ছাত্র জোটটি।
সংবাদ সম্মেলননে লিখিত বক্তব্যে সমন্বয়ক গোলাম মোস্তাফা বলেন, প্রশ্নফাঁস হবে কী হবে না এটি নির্ভর করে প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণের ওপর। তারা এর দায়িত্বে থাকে। ফলে প্রশ্নফাঁসের দায় স্ব স্ব পাবলিক পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের। আর প্রধান কর্তা-ব্যক্তি হিসেবে এর সমস্ত দায় শিক্ষামন্ত্রীকেই নিতে হবে।

তিনি বলেন, শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধিতো দূরের কথা শিক্ষাব্যবস্থাকে অন্তঃসারশূন্য করেছে। শতভাগ পাসের পরিসংখ্যান করতে গিয়ে প্রশ্নফাঁসের ঘটনাকে উসকে দিচ্ছে। শিক্ষাখাতে ঘুষ-দুর্নীতির পসরা বসিয়েছে। তিনি এসব দুর্নীতির কথা নিজেই স্বীকার করে বলেছেন, তিনি নিজেও ঘুষ খান। আর তার কাছে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা কোনোভাবেই নিরাপদ নায়। স্বঘোষিত দুর্নীতিবাজ ব্যক্তি হিসেবে শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব কোনো নৈতিক ভিত্তি নেই।

এ সময় প্রগতিশীল ছাত্রজোটের পক্ষে তিন দফা দাবিতে দুই দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেন মোস্তাফা।
দাবি তিনটি হলো- (১) অবিলম্বে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের পদত্যাগ।
(২) প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে গ্রেফতার ও বিচার করা।
(৩) শিক্ষাখাতে ঘুষ ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতার ও বিচার করা।
দুদিনের কর্মসূচি: দুই দিনের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- ১৪ ফেব্র“য়ারি প্রশ্নফাঁস বন্ধসহ তিন দফা দাবিতে সারাদেশে বিক্ষোভ। ২৫ ফেব্র“য়ারি বেলা ১২টায় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ঘেরাও।

Print

শীর্ষ খবর/আ আ

সংবাদটি পড়া হয়েছে 1054 বার

 
 
 
 
ফেব্রুয়ারি ২০১৮
রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
« জানুয়ারি    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮  
 
 
 
 
Facebook Auto Publish Powered By : XYZScripts.com