বাংলা কি গুজরাটের পথে?

Pub: শনিবার, জুন ১, ২০১৯ ৩:২৫ পূর্বাহ্ণ   |   Upd: শনিবার, জুন ১, ২০১৯ ৩:২৬ পূর্বাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

শুভা দত্ত :
যা কখনও দেখব বলে ভাবিনি, এবার তা-ই দেখলাম। বরাবর দেখে আসছি এ রাজ্যে ভোট হয় উন্নয়ন, শিল্পায়ন, বেকারের চাকরি অথবা গরিবের খাদ্য সুরক্ষার ইস্যু নিয়ে। কিন্তু এ বছর মানুষের প্রাত্যহিক সমস্যাগুলোকে ছাপিয়ে উঠল ধর্ম। নতুন রাস্তাঘাট, অন্যান্য পরিকাঠামো নির্মাণ, দু’টাকা কিলো দরে চাল, কন্যাশ্রী, রূপশ্রী ও এই রকম আরও অনেক কিছু চাপা পড়ে গেল।

আমরা তো জানতাম এসব হয় হিন্দি বলয়ে। গুজরাটেও হয়। জাতপাত অথবা ধর্মের নামে ভোট। আমাদের পশ্চিম বাংলা কি সেই পথে চলল? ভেবে মনে আশঙ্কা জাগে। কারণ ধর্মীয় মৌলবাদ কখনও মানুষের ভালো করেনি।

অতীতে নানা দেশে দেখা গিয়েছে, গণতান্ত্রিক দলগুলো যখন রাজধর্ম পালন করতে ব্যর্থ হয়, সেই সুযোগে ফ্যাসিবাদ ক্ষমতায় আসে।

সিঙ্গুর-নন্দীগ্রামে কৃষক আন্দোলনের জোরে এ রাজ্যে বামফ্রন্টের অচলায়তন ভেঙে পড়ে। তৃণমূল ভোটে জেতে। মমতা মুখার্জি মুখ্যমন্ত্রী হন।

এই দলটিকে নিয়ে মানুষের অনেক আশা ছিল। রাজ্যে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে। সরকার দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালন করবে। শিক্ষায়, শিল্পে বহু দিন ধরে পিছিয়ে পড়া বাংলা ফের ঘুরে দাঁড়াবে। কিন্তু তা আর হল কই?

মমতাদেবী গত আট বছরে নিশ্চয় গরিব ও মধ্যবিত্তের ভালোর জন্য চেষ্টা করেছেন। নানা প্রকল্প চালু করেছেন। কিন্তু দুর্নীতির পাকেচক্রে পড়ে তার সুফল সব সময় মানুষের কাছে পৌঁছায়নি। তার দলে বহু বাজে লোক ভিড় জমিয়েছে। সিপিএমের পুরনো দাগিরাও অনেকে ভিড়েছে। দলের যে কর্মীরা বামফ্রন্টের আমলে লড়াই করেছেন, মারধর খেয়েছেন, তারা অনেকে কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন। এর অনিবার্য পরিণাম, দলে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব^।

এ ছাড়া নেতা-কর্মীদের স্বজনপোষণ ও ঔদ্ধত্য অনেক জায়গায় লাগামছাড়া হয়ে উঠেছে। মমতা সবসময় তাদের সামলাতে পারেননি। সবচেয়ে বড় কথা, সিপিএমের মতো তৃণমূলও রাজ্যকে বিরোধীশূন্য করে ফেলার উদ্যোগ নিয়েছে। বিরোধীদের ভয় দেখানো, মারধর, ঘরছাড়া করে দেয়া, সিপিএম আমলে যা যা হতো, নতুন জমানায়ও সবকিছুই ঘটেছে। বিশেষত, গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে যা হল, তাতে অনেকে হতাশ হয়ে ভেবেছেন, এই জন্যই কি আমরা সিপিএমকে তাড়িয়ে মমতার দলকে ক্ষমতায় এনেছিলাম?

মানুষের এই হতাশার সুযোগেই থাবা বসিয়েছে সাম্প্রদায়িক রাজনীতি।

বিজেপির উত্থানে সবচেয়ে বড় অবদান সিপিএমের কমরেডদের। তারা দেখেছে, নিজেরা তৃণমূলের সঙ্গে পেরে উঠবে না, তাই দল বেঁধে গেরুয়া পার্টিকে ভোট দিয়ে এসেছে। এই সিপিএম দলটির পাপের শেষ নেই। ’৬৪ সালে তাদের জন্ম। ’৭০ সালে সাঁইবাড়ির বীভৎস ঘটনা তারাই ঘটিয়েছিল। বর্ধমান শহরে সাঁইদের দুই ভাইকে খুন করে তাদের রক্ত মাখিয়েছিল ভাতে। সেই ভাত খেতে দিয়েছিল তাদের বৃদ্ধা মাকে।

’৭৭-এ ক্ষমতায় আসার দু’বছরের মধ্যে তারা মরিচঝাঁপির গণহত্যা ঘটায়। দণ্ডকারণ্য থেকে ছিন্নমূল মানুষ এসে আশ্রয় নিয়েছিল সুন্দরবনের মরিচঝাঁপি দ্বীপে। জ্যোতিবাবু তাদের পিটিয়ে তাড়িয়েছিলেন। মারা গিয়েছিল অনেকে। নদীতে ভেসে গিয়েছিল কত লাশ।

তারপর বিজন সেতুতে আনন্দমার্গীদের পুড়িয়ে মারা, বানতলা, বিরাটি, আরও পরে সিঙ্গুর, নন্দীগ্রাম, নেতাই, সিপিএমের কুকর্মের তালিকা অনেক লম্বা। এবার তারা নিজেরা জন্মবিসর্জন দিয়ে ধর্মীয় মৌলবাদী শক্তিকে বাংলায় প্রতিষ্ঠা করে দিল।

আমাদের গর্ব ছিল, বাংলার সংস্কৃতি অসাম্প্রদায়িক। পাঁচ শতাব্দী আগে চৈতন্যদেব এখানে উদার মানবধর্ম প্রচার করেছেন। বৈষ্ণব কবি লিখেছেন, সবার উপরে মানব সত্য তাহার উপরে নাই। সেই পথ ধরে উনিশ শতকে এসেছিলেন পরমহংসদেব। তিনি শিক্ষা দিয়েছেন, যত মত তত পথ।

আমরা ভাবতাম, যারা মানুষকে ঘৃণা করতে শেখায়, বাংলার সংস্কৃতি তাদের প্রত্যাখ্যান করে। দুর্ভাগ্যের বিষয়, ২০১৯-এ তা হয়নি। পরাজিতরা ইভিএমে কারচুপির কথা বলছেন। ভোটের আগে টাকার খেলা হয়েছিল বলে দাবি করছেন। হয়তো এই সব অভিযোগ পুরোপুরি মিথ্যা নয়। কিন্তু তা সত্ত্বেও কিছু মানুষ যে বিজেপিকে ভোট দিয়েছেন, এ কথাই বা কীভাবে অস্বীকার করা যায়? বাংলায় ধর্মীয় মেরুকরণ একটা হয়েছে। তার প্রভাব পড়েছে ভোটের বাক্সে।

এখানে মেরুকরণ এই প্রথম নয়। আগেও হয়েছে। ভীষণভাবেই হয়েছে। তা বলে ভোটে কখনও তার প্রভাব পড়েনি।

সবাই জানেন, ১৯৪৬ সালের ১৬ আগস্ট কলকাতায় ভয়াবহ সাম্প্রদায়িক হানাহানি শুরু হয়। পৃথক পাকিস্তান রাষ্ট্রের দাবিতে মোহাম্মদ আলি জিন্নাহ ১৬ আগস্ট থেকে ‘ডিরেক্ট অ্যাকশন’র ডাক দিয়েছিলেন। সেই নিয়ে দাঙ্গা লাগে। তিন দিনে কলকাতায় কয়েক হাজার মানুষ খুন হন। এই ঘটনার নাম দ্য গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং।

ক্রমে অবিভক্ত ভারতের আরও নানা জায়গায় দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়ে। নোয়াখালী, বিহার, গড়মুক্তেশ্বর ও পাঞ্জাব থেকে ভয়াবহ হানাহানির খবর আসতে থাকে। দাঙ্গার পরিণামে আমাদের বহু প্রাচীন দেশটি দুটি ভাগে বিভক্ত হয়ে যায়। লাখ লাখ উদ্বাস্তু পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তান ছেড়ে ভারতে ভিড় করেন। ভিটেমাটি হারিয়ে তাদের অবর্ণনীয় দুর্দশার মধ্যে পড়তে হয়।

দেশ ভাগের মাত্র পাঁচ বছর বাদে, ১৯৫২ সালে ভারতে প্রথম নির্বাচন হয়। তখনও দেশভাগের স্মৃতি টাটকা। কিন্তু ভোটে সাম্প্রদায়িক বিভাজনের চিহ্ন ছিল না। মানুষ তখন আশাবাদী, নেহরু সদ্য স্বাধীন দেশকে প্রগতির পথে নিয়ে যাবেন। তাই ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে কংগ্রেসকে ভোট দিয়েছিল।

তখনকার দিনে বাংলায় হিন্দুত্ববাদীদের একজন খুব ক্যারিশম্যাটিক লিডার ছিলেন। তার নাম সবাই জানেন, শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি। তার মতো উচ্চশিক্ষিত, বাগ্মী ও সুরসিক নেতা দেশে খুব কম জন্মেছেন। পার্লামেন্টে বক্তৃতার জোরে জওহরলাল নেহরুকে পর্যন্ত বিপাকে ফেলতে পারতেন। মানুষ তাকে শ্রদ্ধাভক্তি করত। কিন্তু ওই পর্যন্ত। তার দল জনসংঘকে বেশি ভোট দেয়নি তাই বলে।

বাংলায় আরও একবার সাম্প্রদায়িক বিভাজন ঘটে ১৯৬৪ সালে। বহুকাল যাবৎ কাশ্মীরের হজরতবাল মসজিদে হজরত মুহাম্মদের কেশ রক্ষিত আছে। ’৬৩-র শেষ দিকে শোনা গেল, সেই কেশ নাকি চুরি গিয়েছে। সেই নিয়ে প্রথমে বিক্ষোভ হল। তারপর দাঙ্গা। পুরো ভারতীয় উপমহাদেশ তাতে প্রভাবিত হল। পূর্ব পাকিস্তান থেকে দলে দলে মানুষ পালিয়ে আসতে লাগল এপার বাংলায়। কলকাতায়ও ছুরি মারামারি, লুটপাট, অগ্নিসংযোগ হতে লাগল। শহর অচল হয়ে রইল প্রায় মাসখানেক।

সেই সাম্প্র্রদায়িক বিভাজন ভরাট হতে বেশি দিন লাগেনি। তার বছর দুয়েকের মধ্যে বাংলা দেখল অভূতপূর্ব খাদ্য আন্দোলন। দমদম দাওয়াই। প্রফুল্ল সেনের মন্ত্রিসভা টলমল।

’৬৭ সালে রাজ্যে বিধানসভা ভোট হল। সেবারের ইস্যু, খাদ্য সমস্যা সমাধানে সরকারের ব্যর্থতা। রাজ্যবাসীর কাছে ভিলেন প্রফুল্ল সেন আর অতুল্য ঘোষ। পরিণামে কংগ্রেসের ভরাডুবি। ছেলেরা রাস্তার ল্যাম্পপোস্টের আলো লাল কাচ কাগজ দিয়ে মুড়ে দিল। ’৬৪-র দাঙ্গার কোনো প্রভাবই ছিল না সেই ভোটে।

১৯৯২ সালে বাবরি মসজিদ ধ্বংসের পর দেশের অন্যান্য শহরের তুলনায় কলকাতা ছিল শান্ত। তবুও গোলমাল একেবারে এড়ানো যায়নি। পূর্ব কলকাতায় ও মেটিয়াবুরুজে অশান্তি হয়েছিল। ধর্মীয় মেরুকরণও হয়েছিল একটা মাত্রায়।

তারপর ভোট হয় ১৯৯৬ সালে। তখন মেরুকরণের চিহ্নমাত্র নেই। প্রধান ইস্যু নরসিমা রাও সরকারের দুর্নীতি।

২০১৬-১৭ সাল থেকে শোনা যাচ্ছিল, বাংলার নানা প্রান্তে সাম্প্রদায়িক পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে। তারপর বাদুড়িয়ায়, আসানসোলে ও আরও কয়েকটা জায়গায় দাঙ্গাও লেগে গেল। কিন্তু অতীতের কথা ভেবে আমার মতো অনেকে ধরে নিয়েছিল, ভোটে তার প্রভাব পড়বে না। সেই ধারণা ভুল প্রমাণিত হয়েছে। তাই বলছিলাম, এবার বাংলায় যেমন মেরুকরণের ভিত্তিতে ভোট হল আগে কখনও দেখিনি। বাংলা যেন গুজরাটের পথে হাঁটছে।

এমন হওয়ার কথা ছিল কি?

গত ৪০-৫০ বছর ধরে তো বাংলা আর গুজরাট চলেছে ভিন্ন পথে। সাতের দশক থেকে গুজরাটে হিন্দুত্ববাদী রাজনীতি শক্তিশালী হয়ে ওঠে। বাংলার ছেলেরা তখন সমাজতন্ত্রে বিশ্বাস করত।

১৯৭৩ সালের শেষ দিকে গুজরাটে বড় ধরনের ছাত্র-যুব আন্দোলন হয়। কলেজে ক্যান্টিনে খাবারের দাম বাড়ানো নিয়ে তার সূত্রপাত। প্রথমে বিক্ষোভের পুরোভাগে ছিল ছাত্ররা। পরে আইনজীবী ও সমাজের অন্যান্য শ্রেণীর মানুষ যোগ দেন। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী চিমনভাই প্যাটেলকে কেউ পছন্দ করত না। তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ছিল। তাকে হটাতেই অনেকে নেমে পড়েছিল রাস্তায়।

এই গণবিক্ষোভ নবনির্মাণ আন্দোলন নামে পরিচিত। এক সময় আন্দোলনের তীব্রতা এমন পর্যায়ে ওঠে যে, মিলিটারি নামাতে হয়।

আন্দোলনের পুরোভাগে ছিল আরএসএস এবং অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ। আমাদের প্রধানমন্ত্রী নরেদ্র মোদি তখন ২৩-২৪ বছরের যুবক। আরএসএসের একনিষ্ঠকর্মী। মানুষকে সংগঠিত করা, আন্দোলনকারীদের এক জায়গা থেকে আর এক জায়গায় পাঠানো এবং অন্যান্য অনেক কাজ করতেন খুব উৎসাহের সঙ্গে। তখনই নাকি জয়প্রকাশ নারায়ণের নজরে পড়েছিলেন।

তারপর ১৯৭৫ সালে জরুরি অবস্থা। আরএসএস নিষিদ্ধ। গোপনে গোপনে সংঘের লোকেরা ইন্দিরা গান্ধীর বিরুদ্ধে প্রচার করত। তাদের অনেককে পুলিশে ধরেছিল।

এই ধরনের আন্দোলনের দৌলতে হিন্দুত্ববাদী রাজনীতির শক্ত ঘাঁটি তৈরি হয় গুজরাটে। এখনও সেখানে গেরুয়া দুর্গ অটুট। এবার তো সব কটা লোকসভা আসন একা বিজেপি পেয়েছে। পাঁচ ও ছয়ের দশকে বামপন্থিরা পশ্চিমবঙ্গে নানা ইস্যুতে লাগাতার আন্দোলন চালাত। সাতের দশকের শুরুর দিকেও রাজ্য ছিল বাম আন্দোলনে সরগরম। ’৭২ থেকে সিদ্ধার্থশংকরের অত্যাচারে তারা গুটিয়ে যায়। জরুরি অবস্থার সময়েও সিপিএমের তেমন সক্রিয়তা দেখা যায়নি। সিপিআই তো কংগ্রেসেরই পক্ষে ছিল। কিন্তু ’৭৭-এ যখন ইন্দিরা শাহির অবসান ঘটল, মানুষ বিকল্প হিসেবে বেছে নিল তাদেরই। তিন দশক ধরে তারা খুব দাপটে সরকার চালিয়েছিল। শেষকালে চাষির জমি কেড়ে নিতে গিয়ে ডুবল।

বামফ্রন্ট বৃহৎ পুঁজিনির্ভর উন্নয়নের একটা মডেল চালাতে চাইছিল। বিশ্বায়নের সঙ্গে তাল মিলিয়েই ওই মডেলের জন্ম। অনেকে বলেছিলেন, ওতে যে পরিমাণ অর্থ লগ্নি করতে হয়, তার তুলনায় চাকরির সুযোগ সৃষ্টি হয় কম। তার ওপরে ব্যাপক পরিবেশ দূষণ ঘটে। চাষী, অন্যান্য গরিব শ্রেণীর লোক, আদিবাসীদের ভিটেমাটি থেকে উচ্ছেদ হতে হয়। যেটুকু ক্ষতিপূরণ মেলে তাতে জীবন চলে না। সবচেয়ে বড় কথা, নানা আইনের প্যাঁচে পড়ে ক্ষতিপূরণ পায়ই না অনেক লোক।

২০১১ সালের ভোটেও এমনতর বিতর্কে সরগরম ছিল রাজ্য। মাত্র আট বছরের মধ্যে পরিস্থিতির আমূল পরিবর্তন। হিন্দু-মুসলমান বিভাজনের ভিত্তিতে ভোট দিল বাংলা। মানুষ মমতার ওপর অভিমান করে আরও খারাপ একটা শক্তিকে ডেকে আনল।

গুজরাটকে বিজেপি বলে হিন্দুরাষ্ট্রের পরীক্ষাগার। বাংলাও কি শেষ অবধি তাই হয়ে দাঁড়াবে?

এই প্রশ্নের উত্তর দেয়া খুব মুশকিল।

রবীন্দ্রনাথ শিখিয়েছেন, মানুষের ওপর বিশ্বাস হারানো পাপ। আমরা আশা করতে পারি, আগামী দিনের মানুষের শুভবুদ্ধির উদয় হবে।

নইলে রবীন্দ্রনাথ, স্বামীজির বাংলায় গোরক্ষকরা দাপিয়ে বেড়াবে। তেমনটা দেখতে মোটেই ভালো লাগবে না।

শুভা দত্ত : প্রধান সম্পাদক, বর্তমান পত্রিকা, কলকাতা


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ